Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
দুর্গম চরে প্রসূতির ভরসা রিমা
রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বনস্পতির বৈঠক

শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে এ যেন এক ‘ভবিষ্যতের আবাস’।

শীতলক্ষ্যার তীরে ‘হ্যাপি লিভিং’

  • ঢাকার রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যার তীরে গড়ে উঠেছে এক ‘এল্ডারলি কেয়ার হোম’। প্রবীণদের সেবায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ঘুরে এসে লিখেছেন সৈয়দ ফরহাদ
সৈয়দ ফরহাদ
agamir somoy
প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ১০:৩৯
শীতলক্ষ্যার তীরে ‘হ্যাপি লিভিং’

ছবি: সাজ্জাদ হোসেন

শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে এ যেন এক ‘ভবিষ্যতের আবাস’। একমুহূর্তের জন্য মনে হলো, টাইম মেশিনে চড়ে কি ২০ বছর সামনে চলে এলাম? কী বলা যায় একে? বৃদ্ধাশ্রম? নাকি ‘এল্ডারলি কেয়ার হোম’?

বৃদ্ধাশ্রমের প্রচলিত ছবির সঙ্গে একে যে ঠিক মেলানো যাচ্ছে না! জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ রিটায়ারমেন্ট হোমস অ্যান্ড জেরিয়াট্রিক হসপিটালের বেলায় তাহলে কোনটি খাটবে?

প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা ডা. সর্দার এ নাইম দ্বিতীয়টির পক্ষেই যুক্তি দিচ্ছেন। তার মতে, বাংলাদেশে বৃদ্ধাশ্রম বলতে যে প্রতিষ্ঠানগুলো চালু আছে, সেগুলো ধারণাগতভাবেই সাংঘর্ষিক। কারণ, ওই প্রতিষ্ঠানগুলোতে কোনো বৃদ্ধকে ‘আশ্রয়’ পেতে হলে শারীরিক ও মানসিকভাবে ফিট থাকতে তো হয়-ই, বিশেষ কোনো স্বাস্থ্যসেবাও মেলে না। এদিকে তাদের প্রতিষ্ঠানে প্রবীণদের জন্য রয়েছে চব্বিশ ঘণ্টার বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা।

ডা. সর্দার এ নাইমআলাপচারিতায় ডা. নাইম অবশ্য আমাদের বেশ চিন্তার খোরাক জোগালেন, ‘একটা বাচ্চার ডায়াপার চেঞ্জ করা আর একজন বৃদ্ধ মানুষের ডায়াপার চেঞ্জ করা কি এক হতে পারে? গ্রাম থেকে দুজন গৃহকর্মী নিয়ে এসে আপনার মায়ের বা বাবার ডায়াপার চেঞ্জ করা সম্ভব নয়। তাদের জন্য এডুকেটেড একটা জনগোষ্ঠী তৈরি করতে হবে।’

ডা. সর্দার এ নাইম আরও বললেন, ‘উচ্চবিত্ত বা সচ্ছল জনগোষ্ঠী, যাদের খরচ করার মতো টাকা আছে নিজের জন্য, তাদের জন্য যদি সার্ভিস না থাকে, ৯০ বছর বয়সের একজন বৃদ্ধ, যার ব্যাংকে কোটি টাকা আছে আর ৯০ বছরের একজন বৃদ্ধ, যার এক পয়সাও নেই— এ দুজন মানুষের মধ্যে কিন্তু বেসিক্যালি কোনো তফাত নেই। কারণ, ওই টাকাটা দিয়ে যখন সে সার্ভিসটা কিনতে পারবে না, তখন মানি ইজ জাস্ট আ পেপার।’

কবে যাত্রা শুরু করল এ প্রতিষ্ঠান? জানতে চাইলে ড. সরদার এ নাইম জানান, ২০১২ সালে তারা কোম্পানি গঠন করেন। ২০২২ সালে শুরু হয় নির্মাণকাজ। ২০২৪ সালের ২০ ডিসেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু।

কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া

ডা. সরদার এ নাইম, দেশের পাইওনিয়র ল্যাপারোস্কোপিক সার্জনদের একজন। পড়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজে। টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন সার্জারি নিয়ে পিএইচডি করছিলেন, সে সময় জাপানের প্রবীণ জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষায়িত সেবা ও হেলথ কেয়ার সুবিধা তার চিন্তা জগতে নাড়া দেয়।

তার ভাষায়, ‘জাপানে এই এল্ডারলি কেয়ারটা দেখেই আমার মনে হয়েছিল যে, জীবনে কখনো সুযোগ পেলেই আমি বিশেষায়িত একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলব। আমার তখন বয়স ছিল ৩০-৩২।’

এ কথাগুলো যখন শুনছিলাম, তখন প্রায় মধ্যদুপুর। আলাপচারিতা শেষ করে আমরা সবে ঘুরে দেখতে বেরিয়েছি কেয়ার হোমটি। বেশ কজন প্রবীণের সঙ্গেও দেখা হলো। নিচতলার করিডর-সংলগ্ন বাগানে নদীজল ছুঁয়ে আসা বাতাসে গা জুড়িয়ে নিচ্ছিলেন একজন প্রবীণ। পাশেই শীতলক্ষ্যা নদী।

সুরমা ভবনের নিচতলার লাউঞ্জে গিয়ে আমরা বসলাম। আমাদের সঙ্গ দিচ্ছিলেন জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ রিটায়ারমেন্ট হোমসের উপপরিচালক রাকিব হোসেন সজল এবং জেনারেল ম্যানেজার রাশেদুল ইসলাম পল্লব।

হোম থিয়েটার অ্যান্ড রিক্রিয়েশন সেন্টার

রাকিব জানালেন, ১০ বিঘা জমির ওপর দাঁড়িয়ে আছে গোটা প্রতিষ্ঠানটি। সাতটি দালানের চারটি আবাসিক— পদ্মা, মেঘনা, সুরমা ও যমুনা। এগুলোতে ২৩২টি অ্যাপার্টমেন্ট। এর মধ্যে শুধু সুরমা পুরোদমে চালু। প্রত্যেকটা বিল্ডিংয়ে থাকবে (সুরমায় এরই মধ্যে সব সুবিধা চালু আছে) লাউঞ্জ, মুভি থিয়েটার, ফিটনেস সেন্টার ও গেমিং রুম।

একেবারে টপ ফ্লোরে হসপিস সেন্টার। যারা জীবনের অন্তিম প্রান্তে, তাদের আর আমরা রুমে রাখব না। তাদের নিয়ে যাওয়া হবে হসপিস সেন্টারে। তাকে প্রতিদিন আকাশ দেখাব, পাখির ডাক শোনাব, সবুজ দেখাব। একেবারে বিছানাসুদ্ধ নিয়ে চলে যাব, ছাদের মধ্যে’— যোগ করলেন জেনারেল ম্যানেজার পল্লব।

এই হসপিস সেন্টার সম্পর্কে আমরা জেনেছি ড. সরদার এ নাইমের আলাপেও।
জীবনের শেষ সময়টুকু যেন শান্তি আর মর্যাদায় কাটে— এ ভাবনা থেকেই তৈরি হয়েছে হসপিস সেন্টার। এখানে মরণাপন্ন বা জটিল দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত মানুষদের চিকিৎসার পাশাপাশি মানসিক ও সামাজিক সহায়তা দেওয়া হয়।

আছে মনোরম ছাদ ও ছাদবাগান।হসপিস সেন্টারের মূল লক্ষ্য কিন্তু রোগ সারানো নয়। বরং ব্যথা ও কষ্ট কমিয়ে রোগীর জীবনের শেষ দিনগুলোকে যতটা সম্ভব স্বস্তিদায়ক করা। এখানে চিকিৎসক, নার্স, কাউন্সেলর ও স্বেচ্ছাসেবীরা একসঙ্গে কাজ করেন। রোগীর পরিবারের সদস্যদেরও মানসিকভাবে প্রস্তুত হতে সহায়তা করা হয়।
বিশ্বের অনেক দেশে হসপিস সেবা মানবিক চিকিৎসাব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।

বাংলাদেশেও ধীরে ধীরে এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ছে। জেনারেল ম্যানেজার রাশেদুল ইসলাম পল্লব এক ফাঁকে আমাদের পুরো এলাকাটি সরেজমিন দেখালেন। সবিস্তারে জানালেন এ বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের আদ্যোপান্ত। আগেই জেনেছি প্রতিষ্ঠার পর শুধু ‘সুরমা’তেই চলছে সব কাজ। কারণ, ধারণক্ষমতার চেয়ে আবাসিক প্রবীণ সদস্যের সংখ্যা বেশ কম। আপাতত ৫০-এর কাছাকাছি।

সুরমা ভবনের মূল ফটক দিয়ে প্রবেশ করতেই বাঁপাশে আছে বসার ব্যবস্থা। খোলা বাতাসে, নরম ঘাসের কাছাকাছি বসে এখানে মুহূর্তকে উপভোগ করা যাবে। জেনারেল ম্যানেজার পল্লবের সঙ্গে যখন আবাসিক ফ্লোরগুলো ঘুরে দেখছিলাম, তখন পরিচয় জাহিদুর রহমানের সঙ্গে। জীবনের বেশিরভাগ সময় প্রবাসে কাটিয়েছেন। পেশায় ছিলেন প্রকৌশলী। তার রুমে উঁকি দিয়ে সালাম দিলাম। দুই বন্ধুর সঙ্গে খোশগল্পে ব্যস্ত। বয়স তাদের আশি পেরিয়েছে কবেই।
সালাম দিতে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তোমরা কারা?’ পল্লব ভাই পরিচয় দিতেই সহাস্যে বললেন, ‘সাংবাদিক? তোমাকে দেখলেই বোঝা যায়।’

জাহিদুর রহমান (সর্ব বাঁয়ে)। পেশায় ছিলেন প্রকৌশলী। দুই বন্ধুর সঙ্গে খোশগল্পে ব্যস্ত।এখানে প্রতিটি দালানের বারান্দা দক্ষিণমুখী। আনন্দ, উদযাপন, আড্ডা এবং সিনেমার দেখার জন্য আছে রিক্রিয়েশন সেন্টার। বইপ্রেমীদের জন্য আছে লাইব্রেরি। সব মিলিয়ে ক্যাফেটেরিয়ার সংখ্যা তিনটি। এখানে ২৪/৭ রান্নার সুব্যবস্থা আছে।

২৪ ঘণ্টা রান্নার সুব্যবস্থার মাহাত্ম্যটা জেনারেল ম্যানেজার পল্লবের আলাপে উঠে এলো এভাবে, ‘ধরা যাক ঘড়িতে রাত ২টা। হঠাৎ ঘুম ভেঙে আমাদের সম্মানিত প্রবীণদের একজনের পছন্দের কিছু খেতে ইচ্ছা করল। কোনো সমস্যা নেই। আমাদের কিচেন রান্নার দায়িত্বে থাকা মানুষ ২৪ ঘণ্টাই থাকেন।’

এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার করা দরকার। মূলত অবস্থাপন্নদের জন্যই এ রিটায়ারমেন্ট হোমস। এখানে ৭০০ বর্গফুটের একটি স্টুডিও অ্যাপার্টমেন্টে থাকতে মাসে খরচ পড়বে প্রায় ৮৪ হাজার টাকা। এর মধ্যে অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া বাবদ দিতে হবে ৫০ হাজার টাকা। খাবারের জন্য আলাদা খরচ ধরা হয়েছে ২৪ হাজার টাকা, যার আওতায় প্রতিদিন দুই দফা নাশতাসহ পাঁচবেলার খাবার সরবরাহ করা হবে।

স্বাস্থ্যসেবার জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকার একটি প্যাকেজ রয়েছে। এ সুবিধার আওতায় প্রতিদিন দুবার চিকিৎসক ও নার্স আবাসিকদের খোঁজ নেবেন এবং ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপসহ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে।

এ ছাড়া যাদের ব্যক্তিগত সহায়তার প্রয়োজন হবে, তাদের জন্য কেয়ারগিভারের ব্যবস্থাও রয়েছে। ১২ ঘণ্টার কেয়ারগিভার সেবার জন্য মাসে খরচ হবে ৩০ হাজার আর ২৪ ঘণ্টার জন্য ৬০ হাজার টাকা। চাইলে দৈনিক ভিত্তিতেও কেয়ারগিভার নেওয়া যাবে, সেক্ষেত্রে প্রতিদিনের খরচ ২ হাজার টাকা।
ঘুরতে ঘুরতে আমরা এসেছি টপ ফ্লোরে। যেখানে আছে হসপিস কেয়ার বিভাগ। এখানে ১২টি বেডের ব্যবস্থা আছে। এখানে যেমন আছে ইসিজি এবং আল্ট্রাসনোগ্রামের ব্যবস্থা, তেমনি পোর্টেবল এক্স-রে মেশিনও আছে।

আলাপচারিতায় ডা. কাজী তইমুর রহমান (ডানে)। সঙ্গে রাকিব হোসেন সজল, উপ পরিচালক, জেবিএফআরএইচ।কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ায় পরিচয় হলো ডা. কাজী তইমুর রহমানের সঙ্গে। এই কেয়ার হোমের একজন আবাসিক প্রবীণ। ডা. কাজী তইমুর রহমানের জীবনের বড় অংশটি কেটেছে বিদেশে। সিলেট মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস শেষ করে তিনি প্রথমে সরকারি চাকরি করেন, পরে কাজ করেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায়। ১৯৭৮ সালে সৌদি আরবে পাড়ি জমান চিকিৎসক হিসেবে। সেখানে কেটে যায় ৪১ বছর। বিদেশের ব্যস্ত জীবন শেষে দেশে ফিরে গুলশানে নিজের ৪ হাজার বর্গফুটের ফ্ল্যাটে থাকার সুযোগ ছিল। ছেলে ও ছেলের বউ দুজনই প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসক, মেয়েরা থাকেন আমেরিকা ও কানাডায়। তবু শেষ বয়সে তিনি বেছে নিয়েছেন নিরিবিলি এক পরিবেশ। তার ভাষায়, ‘অনেক দিন বিদেশে ছিলাম, হইচইয়ের জীবনে আর অভ্যস্ত নই।’ আর তাই শান্ত, পরিচ্ছন্ন ও মানবিক পরিবেশের খোঁজে এসেছেন এই প্রবীণ নিবাসে। প্রবীণ নিবাস সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘সব সুবিধা পৃথিবীর কোথাও একসঙ্গে পাওয়া যায় না। তবে এখানে মানুষের ব্যবহার আর পরিবেশ খুব ভালো। মনে হয়, শুধু ব্যবসার জন্য নয়, মানবতার জায়গা থেকেও এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

প্রবীণদের অবসর যাপনের নানামুখী আয়োজনের একটি হলো গেমস রুম। পুল, টিটি, দাবা, ক্যারম, ডার্ট বোর্ড পাবেন এখানে। একটি ‘ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড ফিটনেস সেন্টার’ আমাদের বিশেষ মনোযোগ পেল। নানা রঙের ক্যাপসুল আর ট্যাবলেটের এ বাড়বাড়ন্তের সময়ে ফিজিওথেরাপির গুরুত্বও দিন দিন বাড়ছে। ওষুধনির্ভরতা কমিয়ে আনার বিষয়ে মত দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। গুরুত্ব দিচ্ছেন থেরাপিতে। জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ রিটায়ারমেন্ট হোমস অ্যান্ড জেরিয়াট্রিক হসপিটাল এ ব্যাপারটিতে গুরুত্ব দিচ্ছে জেনে স্বস্তি পেলাম।

প্রতিষ্ঠানটিতে প্যাথলজি ল্যাব আছে। ৫০-৬০ জনের একসঙ্গে নামাজ পড়ার সুব্যবস্থাও আছে।
প্রবীণদের প্রতিটি মুহূর্তকে আনন্দময় করে তুলতে এখানে আরও যুক্ত হতে যাচ্ছে— সুইমিংপুল, পুলসাইড ক্যাফে, জাকুজি এবং স্টিম বাথের মতো সুবিধা। আছে এমনকি সাওনা।
আমরা আরেকবার ডা. নাইম এ সর্দারের কাছে ফিরে যাব। তিনি বলছিলেন আমাদের প্রচলিত ‘বৃদ্ধাশ্রম’ ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

প্রবীণদের অবসর যাপনের নানামুখী আয়োজনের একটি হলো গেমস রুম।তার মুখেই শুনি বরং— ‘আমাদের এটা বয়স্কদের জন্য হেলথ কেয়ার ফ্যাসিলিটিজ, যেখানে হেলদি লিভিং, সম্মানজনক ও হ্যাপিং লিভিংয়ের ব্যবস্থা আছে। আমি পাঠকদের জন্য বলছি, মানুষ বৃদ্ধ হয়ে গেলে তার বিশেষায়িত কেয়ারের বিষয়ে সোশ্যাল ট্যাবু থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আপনাকে বুঝতে হবে, আপনার বাড়িতে বন্দি ঘরে নার্স দিয়ে যে পরিবেশ দিচ্ছেন, তার চেয়ে অনেক বেশি কমফোর্টেবল সিচুয়েশন আমাদের এখানে।’

যদিও অনেক প্রবীণ সব সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও নিজের বাড়িতেই জীবনের শেষ দিনগুলো কাটাতে চান। আবার অনেক সন্তান বৃদ্ধ পিতা-মাতাদের চোখের আড়াল হতে দিতে চান না। একদিকে সমাজের গর্ভে বেড়ে ওঠা পুরাতন মূল্যবোধ ও ধারণা এবং অন্যদিকে পরিবর্তিত সমাজের শর্ত। এ দ্বন্দ্ব চিরকালীন। তবে সব দ্বন্দ্বের ঊর্ধ্বে গিয়ে প্রবীণদের ভালো থাকাই দেশ, সমাজ ও রাষ্ট্রের কাছে মুখ্য হয়ে উঠুক— এটুকুই চাওয়া।  ছবি: সাজ্জাদ হোসেন 

শীতলক্ষ্যা নদীস্বাস্থ্যসেবা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    রংপুরে চার খুনের নেপথ্যে মাদকসেবীরা, বলছে পুলিশ

    রংপুরে চার খুনের নেপথ্যে মাদকসেবীরা, বলছে পুলিশ

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৩:৩৭

    রংপুরে রাতে ৪ জনকে হত্যা, পরদিন দুপুরে পলায়ন, মাঝে মাদক সেবন

    রংপুরে রাতে ৪ জনকে হত্যা, পরদিন দুপুরে পলায়ন, মাঝে মাদক সেবন

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৫:১১

    সামিটের এলএনজি সরবরাহ অর্ধেকে, কাটছে না সংকট

    সামিটের এলএনজি সরবরাহ অর্ধেকে, কাটছে না সংকট

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৪:২১

    আরও বেশি ধ্বংসাত্মক হামলার হুমকি পুতিনের

    আরও বেশি ধ্বংসাত্মক হামলার হুমকি পুতিনের

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৫:২৬

    দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে প্রাণ গেল চালকের, আহত ৩

    দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে প্রাণ গেল চালকের, আহত ৩

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৩:২১

    মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে চায় না বাংলাদেশ

    মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে চায় না বাংলাদেশ

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৩:১২

    যুদ্ধকালীন নির্বাচন ইউক্রেনকে সুনামির মতো ছিন্নভিন্ন করবে : জেলেনস্কি

    যুদ্ধকালীন নির্বাচন ইউক্রেনকে সুনামির মতো ছিন্নভিন্ন করবে : জেলেনস্কি

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৬:৫৯

    সুন্দরবনে ফের দস্যু আতঙ্ক, ট্রলারসহ ৫ জেলেকে অপহরণ

    সুন্দরবনে ফের দস্যু আতঙ্ক, ট্রলারসহ ৫ জেলেকে অপহরণ

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৬:৫৭

    জামালপুরে দুই শিশুর কান্নায় ফ্ল্যাটে মিলল মায়ের মরদেহ

    জামালপুরে দুই শিশুর কান্নায় ফ্ল্যাটে মিলল মায়ের মরদেহ

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৬:২০

    ডেঙ্গুতে থামল আরও ৫ প্রাণ, বেশি মৃত্যু ঢাকায়

    ডেঙ্গুতে থামল আরও ৫ প্রাণ, বেশি মৃত্যু ঢাকায়

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:৫৯

    খালে বিষ দিয়ে মাছ ধরায় যুবক আটক

    খালে বিষ দিয়ে মাছ ধরায় যুবক আটক

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৫:২৮

    লালমনিরহাটে শিশু নন্দিনীকে হত্যায় এক আসামির মৃত্যুদণ্ড

    লালমনিরহাটে শিশু নন্দিনীকে হত্যায় এক আসামির মৃত্যুদণ্ড

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৫:১৭

    কুড়িগ্রামে গুদাম ভেঙে ২০২ বস্তা সার নিয়ে গেলেন কৃষকরা

    কুড়িগ্রামে গুদাম ভেঙে ২০২ বস্তা সার নিয়ে গেলেন কৃষকরা

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৭:১৩

    ‘মাদক সেবনে’ দুপুরে গ্রেপ্তার, বিকালে জামিনে এলাকায় ক্ষোভ

    ‘মাদক সেবনে’ দুপুরে গ্রেপ্তার, বিকালে জামিনে এলাকায় ক্ষোভ

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৫:১১

    আগামী চক্রবর্তীর বিয়ের তারিখও চূড়ান্ত হয়েছিল

    আগামী চক্রবর্তীর বিয়ের তারিখও চূড়ান্ত হয়েছিল

    ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১৯:২৪

    advertiseadvertise