মা হতে চলেছেন সামান্থা

রাজ-সামান্থার জীবনে নতুন অধ্যায়, মা হতে চলেছেন সামান্থা
তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটুরের বিখ্যাত ‘লিঙ্গ ভৈরবী’ মন্দিরে মাত্র ৩০ জন অতিথির উপস্থিতিতে গত বছর ১লা ডিসেম্বর অত্যন্ত ছিমছাম ও আধ্যাত্মিক আবহে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন সামান্থা রুথ প্রভু এবং ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান ২’ ও ‘সিডাডেল: হানিকম্ব’ খ্যাত মাস্টারমাইন্ড ডিরেক্টর-প্রডিউসার রাজ নিদিমোরু।
বিয়ের মাত্র ছয় মাসের মাথায় এই জুটির প্রথম সন্তান আসার খবরটি বিশ্বজুড়ে তার কোটি কোটি ভক্তদের চোখে আনন্দের অশ্রু এনে দিয়েছে।
সামান্থার প্রেগন্যান্সির এই গুঞ্জনটি মূলত ডানা মেলে ‘মা ইন্টি বাঙ্গারাম’-এর সাকসেস পার্টি থেকে। বক্স অফিসে দুর্দান্ত সাড়া পাওয়ার পর পুরো টিমের সাথে কেক কাটার সময় সামান্থাকে একটি লুজ-ফিটিং হালকা নীল টি-শার্ট এবং জিন্সে দেখা যায়। সেখানে তার সামান্য ‘বেবি বাম্প’ নেটিজেনদের চোখ এড়ায়নি।
এর আগে তিরুমালা তিরুপতি মন্দিরে পুজা দিয়ে ফেরার সময় রাজ যেভাবে ভিড়ের মাঝে সামান্থাকে পরম যত্নে আগলে রেখেছিলেন এবং তার চারপাশ সুরক্ষাবলয় তৈরি করেছিলেন, তাতেই ভক্তরা আন্দাজ করেছিলেন, এবার হয়তো স্যাম মা হতে চলেছেন।
বিগত কয়েক বছরে সামান্থা ‘মায়োসাইটিস’ নামক একটি অত্যন্ত জটিল অটোইমিউন শারীরিক কন্ডিশনের মধ্য দিয়ে গেছেন। শারীরিক কষ্ট এবং অতীতে তার ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন বিচ্ছেদের ট্রমা কাটিয়ে সামান্থার এই নতুন করে সংসার সাজানো এবং মা হওয়ার সিদ্ধান্তটি এক চরম অনুপ্রেরণাদায়ক গল্প।
কিছুদিন আগে একটি সাক্ষাৎকারে বয়স এবং মাতৃত্ব নিয়ে সামান্থা অত্যন্ত পজিটিভলি বলেছিলেন, ‘আমি মনে করি না খুব দেরি হয়ে গেছে। মা হওয়ার স্বপ্ন আমার সবসময়ই ছিল এবং আমি এই সুন্দরতম অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে পুরোপুরি প্রস্তুত।’
রাজ নিদিমোরু এবং সামান্থার পেশাদার সম্পর্কটি শুরু হয়েছিল ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান ২’-এর রাজকীয় সাফল্যের মাধ্যমে। সেখান থেকে বন্ধুত্ব এবং পরবর্তীতে প্রেম ও বিয়ে। সামান্থার মেগা প্রোডাকশন হাউজ ‘ট্রালালা মুভিং পিকচার্স’-এর ক্রিয়েটিভ পার্টনারও রাজ। ফলে ডিসেম্বর ২০২৬-এ যখন তাদের প্রথম সন্তান পৃথিবীতে আসবে, তা হবে সামান্থার জীবনের সব কষ্টের পর এক পরম স্বর্গীয় উপহার।
সামান্থার পিআর টিমের ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর অনুযায়ী, দম্পতি খুব শীঘ্রই একটি সুন্দর ফটোশুটের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের ভক্তদের উদ্দেশ্যে এই অফিশিয়াল ঘোষণাটি দিতে চলেছেন।
জীবনের কঠিন অধ্যায়ের পর সামান্থার এই ‘গোল্ডেন ফেস’ ও জীবনের নতুন ইনিংসের জন্য রইল অফুরন্ত শুভকামনা।







