Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
নুরুল ইসলাম লাগিয়েছেন লক্ষাধিক গাছ
মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় বিনোদন

গানের মাধ্যমেই বেঁচে থাকবেন দুই বোন আশা ও লতা

বিনোদন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩০
গানের মাধ্যমেই বেঁচে থাকবেন দুই বোন আশা ও লতা

আশা ভোঁসলে এবং লতা মঙ্গেশকর

দুই সহোদরা লতা মঙ্গেশকর ও আশা ভোঁসলে। দুজনই ছিলেন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী। বড়বোন লতা মারা গেছেন আগেই, গতকাল চলে গেলেন আশাও। বলা হয়ে থাকে যে শিল্পীর মৃত্যু নেই। তারা বেঁচে থাকেন তাদের সৃষ্টির মধ্য দিয়ে, কাজের মধ্য দিয়ে। তাই চিরকাল অমর হয়ে থাকবেন লতা ও আশা।

দীর্ঘ কর্মজীবনে ভারতের বিভিন্ন ভাষায় অজস্র চলচ্চিত্র ও অ্যালবামের জন্য অসংখ্য গান রেকর্ড করেছেন দুই বোনই। তাদের ঝুলিতে ছিল বহু পুরস্কার।

লতার সংগীতজীবন

২০২২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ৯২ বছর বয়সে পরলোকগমন করেন লতা। আট দশকের বেশি সময় ধরে অসংখ্য ভাষায় গান গেয়ে বিশ্ববাসীকে মুগ্ধ করেছেন তিনি।

লতা ছিলেন এক বিস্ময়কর প্রতিভা। অনেকেই এটা মনে করতেন যে লতার গলায় বসবাস করতেন স্বয়ং সরস্বতী। সরস্বতীর আশীর্বাদ ছাড়া এত অসাধারণ গায়কি কী করে সম্ভব!

১৯২৯ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর তৎকালীন ইন্দোর রাজ্যের রাজধানী ইন্দোরে জন্ম নেন (বর্তমান মধ্যপ্রদেশ) এই সংগীতশিল্পী। তার পিতা পণ্ডিত দীনানাথ মঙ্গেশকর একজন মারাঠি ও কোঙ্কিণী সংগীতজ্ঞ এবং মঞ্চ অভিনেতা ছিলেন। তার মাতা সেবন্তী (পরে নাম পরিবর্তন করে সুধামতি রাখেন) বোম্বে প্রেসিডেন্সির তালনারের (বর্তমান উত্তর-পশ্চিম মহারাষ্ট্র) একজন গুজরাটি নারী ছিলেন। তিনি দীনানাথের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন। তার প্রথম স্ত্রী নর্মদা সেবন্তীর বড়বোন ছিলেন, যিনি মারা গিয়েছিলেন।

নিজে কখনো গাওয়া গানের রেকর্ড না রাখলেও, বিভিন্ন তথ্যসূত্র থেকে জানা গেছে, গোটা জীবনে নানা ভাষায় ৫০ হাজারেরও বেশি গান গেয়েছেন এই কিংবদন্তি গায়িকা। বাংলা ভাষায় মোট ১৮৫টি গান গেয়েছেন তিনি। বাংলায় তার গান গাওয়ার শুরু হেমন্ত কুমারের হাত ধরে।

বাবার মৃত্যুর পর ১৯৪১ সালে রেডিওতে দুটি গান রেকর্ড করেন লতা। ১৩ বছর বয়সে মারাঠি গানের রেকর্ড হয়, কিন্তু সে গান সিনেমা থেকে বাদ যায়। তার প্রথম হিন্দি গান মারাঠি 'জগভাউ' ছবিতে। হিন্দি চলচ্চিত্র 'আপ কি সেবা মে' তে প্রথম প্লে-ব্যাক করেন এই শিল্পী।

তারপর ১৯৪৮ এ প্রযোজক শশধর মুখোপাধ্যায়ে়র ‘শহীদ’ ছবিতে তিনি সুযোগ পান এবং মজবুর সিনেমায় ‘দিল মেরা তোড়া’ গানে তিনি বিশেষ জনপ্রিয়তা পান।

২০০১ সালে ভারতের সর্বোচ্চ পুরস্কার ভারতরত্ন পেয়েছিল লতা মঙ্গেশকর। ২০০৭ সালে লতা মঙ্গেশকর ফ্রান্সের সর্বোচ্চ নাগরিক পুরস্কার Legion Of Honour এ পুরস্কৃত হন। ১৯৬৯ সালে লতা মঙ্গেশকর পদ্মভূষণে ভূষিত হন ভারতীয় সংগীতজগতে তার অবদানের জন্য। ‘কুইন অব মেলোডি’ লতা মঙ্গেশকর দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার পান ১৯৮৯ সালে।

১৯৯৯ সালে পদ্মবিভূষণ পান লতা। এ ছাড়া পেয়েছেন বেঙ্গল ফিল্ম জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড, ফিল্ম ফেয়ার বেস্ট ফিমেল প্লে-ব্যাক অ্যাওয়ার্ড প্রভৃতি। লতার গাওয়া জনপ্রিয় হিন্দি গানের মধ্যে রয়েছে ‘জাতো মোহন পিয়ারে’, ‘আজা পিয়া তুঝে পিয়ার দো’, ‘লাগ যা গলে', ‘পিয়ার হুয়া ইকরার হুয়া’, ‘জো ওয়াদা কিয়া অহ নিভানা পরেগা’। বাংলা ভাষায়ও অনেক জনপ্রিয় গান গেয়েছেন এই শিল্পী।

আশার সংগীতজীবন

১৯৩৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর জন্ম নেন আশা। জীবদ্দশায় প্রায় ১২ হাজার গান গেয়েছেন তিনি। ৯ বছর বয়সে বাবাকে হারান এই গুণী শিল্পী।

তার গায়িকাজীবনকে খতিয়ে দেখলে চারটি সিনেমাকে চিহ্নিত করা যায়। এগুলো তার ক্যারিয়ারের বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে স্বীকৃত। এ ছবিগুলো হলো ‘নয়া দৌড় (১৯৫৭)’, ‘তিসরি মঞ্জিল (১৯৬৬)’, ‘উমরাও জান (১৯৮১)’ এবং ‘রঙ্গীলা (১৯৯৫)’ ।

১৯৪৩ সালে মাত্র ১০ বছর বয়সে তিনি প্রথম প্লে-ব্যাক করেন মারাঠি ছবি ‘মাঝা বল’ এ। ১৯৪৮ সালে প্রথম গান হিন্দি ছবিতে। ছবির নাম ‘চুনরিয়া’, কিন্তু একেবারে এককভাবে গাওয়ার সুযোগ আসে ১৯৪৯ এ ‘রাত কি রানি’ নামের এক ছবিতে।

সংগীতে অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি ভারতের সর্বোচ্চ চলচ্চিত্র সম্মান ‘দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কার’ এবং ‘পদ্মবিভূষণ’ সহ বহু সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। এ ছাড়া একাধিক জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও ফিল্মফেয়ার পুরস্কার অর্জন করে তিনি ভারতীয় প্লে-ব্যাক সংগীতের ইতিহাসে অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিল্পী হিসেবে নাম করেছেন।

গানের জগতে দুই বোনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা

লতা ও আশা দুজনই অসাধারণ শিল্পী হলেও, লতার প্রতিভার কাছে কিছুটা ম্লান ছিল আশার গ্রহণযোগ্যতা। সংগীত বিশ্লেষকরা মনে করেন, তারা যদি আপন দুই বোন না হতেন, তাহলে তাদের মধ্যে এই তুলনা হতো না, আর সেই ক্ষেত্রে আশার জনপ্রিয়তাতেও ভাটা পড়ত না।

আশা যখন সংগীতজগতে প্রবেশ করেন, ততদিনে দিদি লতা একজন প্রতিষ্ঠিত গায়িকা। আশার পরিচিতি ছিল ‘লতার ছোট বোন’।

সংগীতজীবনে দীর্ঘ পাঁচ দশক ধরে সেরা শিল্পীর দৌড়ে ছিলেন এই দুই বোন। ১৯৫৭ সালে ‘নয়া দৌড়’, ‘আশা’, ‘নবরঙ্গ’, ‘মাদার ইন্ডিয়া’, ‘দিল দেকে দেখো’, ‘পেয়িং গেস্ট’ প্রভৃতি চলচ্চিত্রে একের পর এক হিট গান গেয়ে লতাকে হটিয়ে রাতারাতি বলিউডের শীর্ষস্থান পেয়ে যান আশা, যার পুরোটাই সুরকার ওপি নায়ারের বদৌলতে। ১৯৫৮ সালে ‘হাওড়া ব্রিজ’, ‘কাগজ কে ফুল’, ‘ফাগুন’ প্রভৃতি ছবির মাধ্যমে জয়যাত্রা অব্যাহত রাখেন।

তবে বেশিদিন শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পারেননি তিনি। কারণ, নায়ার ছাড়া বাকি সব প্রথমসারির সুরকারদের প্রথম পছন্দ ছিলেন লতা। তাই, ১৯৫৯ সালেই আগের ছন্দ ফিরে পান লতা। তবে, ১৯৭০ এর দশকে লতাকে একেবারে হাড্ডাহাড্ডি টক্কর দেন আশা। কারণ, লক্ষ্মীকান্ত পেয়ারেলাল যেমন লতাকে সব ছবিতেই প্রাধান্য দিতেন তেমনি রাহুল দেব বর্মন (আর ডি বর্মণ) আর কল্যাণজী, আনন্দজী প্রাধান্য দিতেন আশাকে। এ ছাড়া লতা যেমন হেমা মালিনী, রাখী, মুমতাজ, মৌসুমী চ্যাটার্জির জন্য চিরস্থায়ী কণ্ঠ ছিলেন, তেমনি আশার কণ্ঠ আরোপ করা হতো জীনাত আমান, পারভীন ববি, রেখা ও শর্মিলা ঠাকুরের প্রতিটি ছবিতে।

দুই বোনের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা

লতার শৈশবেই ঘটেছিল এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যা বদলে দেয় তার জীবনের পথ। ছোট বোন আশাকে ছাড়া কোথাও যেতে চাইতেন না তিনি। এমনকি স্কুলেও ছোট বোনকে সঙ্গে নিয়ে যেতেন, কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়, বোনকে নিয়ে স্কুলে আসা চলবে না।

সেই মুহূর্তেই লতা মঙ্গেশকর সিদ্ধান্ত নেন তিনি আর স্কুলে ফিরবেন না। সেই এক সিদ্ধান্তই তাকে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে নিয়ে যায়।

অন্যদিকে, ছোট বোন আশা সবসময়ই নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় আশ্রয় হিসেবে দেখেছেন দিদিকে। যদিও দুজনের ব্যক্তিত্ব ছিল একেবারেই ভিন্ন। লতা ছিলেন শান্ত, সংযত আর আশা ছিলেন খোলামেলা ও স্পষ্টভাষী।

লতার ব্যক্তিগত জীবন

জীবনের শুরু থেকেই একাকিত্বের সঙ্গে লড়াই করেছেন লতা। শারীরিক অসুস্থতা ও পারিবারিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি প্রতিনিয়ত মানসিক চাপের মোকাবিলা করেছেন তিনি।

লতা মঙ্গেশকর ছিলেন অবিবাহিত। এর পেছনে ছিল পারিবারিক দায়িত্ব, কিন্তু তিনি সংগীত ও মানবিক কাজের মাধ্যমে জীবন পূর্ণ করেছিলেন। তিনি সবসময় মনে করতেন, গানই তার জীবনের বড় প্রেম।

লতা মঙ্গেশকরের অবিবাহিত থাকার জন্য আরও একটি কারণ নানা সময়ে সংবাদমাধ্যমে ঘুরপাক খেয়েছে। যদিও কখনো এ ঘটনা স্বীকার করেননি তিনি।

লতার ভাই হৃদয়নাথ মঙ্গেশকরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন প্রয়াত ক্রিকেটার এবং ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) সাবেক সভাপতি রাজ সিং দুঙ্গারপুর। এই ক্রিকেটার ছিলেন রাজস্থানের রাজপরিবারের সদস্য এবং দুঙ্গারপুরের তৎকালীন শাসক প্রয়াত মহারাওয়াল লক্ষ্মণ সিংজির ছোট ছেলে।

লতাদের বাড়িতে রাজ নিয়মিত আসতেন। রাজ লতাকে ‘মিঠু’ নামে ডাকতেন। লতা মঙ্গেশকর ও রাজ বিয়ের পরিকল্পনা করেছিলেন, কিন্তু রাজের পরিবার লতার মতো সাধারণ ঘরের মেয়েকে মেনে নেননি। রাজ সিং বাবার কথার অবাধ্য হয়ে বিয়ে করেননি লতাকে, কিন্তু লতার মতো তিনিও আর বিয়ের পিঁড়িতে বসেননি। আজীবন দুজনার ভালো সম্পর্ক ছিল। ২০০৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর আলঝেইমার রোগের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর মারা যান রাজ।

সাংবাদিক খালিদ মোহাম্মদকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লতা বলেছিলেন, ‘একমাত্র আমার মা আমার বিয়ে নিয়ে জোরাজুরি করতেন, একসময় তিনিও হাল ছেড়ে দেন। আমার কাছে আমার পরিবার বিয়ের চেয়ে বেশি জরুরি ছিল।’

আশার ব্যক্তিগত জীবন

আশা ভোঁসলের ব্যক্তিগত জীবন ছিল বেশ নাটকীয়। মাত্র ১৬ বছর বয়সে পরিবারের অমতে নিজের ব্যক্তিগত সচিব ৩১ বছর বয়সী গণপতরাও ভোঁসলেকে বিয়ে করেন তিনি। তবে ১৯৬০ সালে ডিভোর্স হয় তাদের। আশা ও গণপতরাও এর তিন সন্তান রয়েছে।

পরে ১৯৮০ সালে বিখ্যাত সংগীত পরিচালক রাহুল দেব বর্মণের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। বর্মণ পরিবারের প্রবল আপত্তি থাকলেও তাদের দীর্ঘদিনের প্রেম পরিণয়ে রূপ পায়। ১৯৯৪ সালে আর ডি বর্মণের মৃত্যু পর্যন্ত তারা এক সঙ্গেই ছিলেন।

জীবনের শেষ বছরগুলোতে তার নাতনি জেনাই ভোঁসলে ছিলেন এই সংগীত সম্রাজ্ঞীর ছায়াসঙ্গী। ভারতীয় সংগীতের একটি স্বর্ণযুগের অবসান ঘটল তার প্রয়াণে।

গানলতা মঙ্গেশকরআশা ভোঁসলেসঙ্গীতকিংবদন্তি
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ২৩ জুন ২০২৬
    রাত ৩:০০ টা
    ফ্রান্স
    ৩
    ইরাক
    ০
    ২৩ জুন ২০২৬
    সকাল ৬:০০ টা
    নরওয়ে
    ৩
    সেনেগাল
    ২
    ২৩ জুন ২০২৬
    সকাল ৯:০০ টা
    আলজেরিয়া
    ০
    জর্ডান
    ০
    বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের মালিক মেসি

    বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের মালিক মেসি

    ২৩ জুন ২০২৬, ০০:২২

    বৃদ্ধ বাবা-মাকে ঘরে আটকে রাখল মেয়ে, উদ্ধার করল পুলিশ

    বৃদ্ধ বাবা-মাকে ঘরে আটকে রাখল মেয়ে, উদ্ধার করল পুলিশ

    ২৩ জুন ২০২৬, ০০:১৪

    সর্বোচ্চ ৩ পেনাল্টি মিসের রেকর্ডও মেসির

    সর্বোচ্চ ৩ পেনাল্টি মিসের রেকর্ডও মেসির

    ২৩ জুন ২০২৬, ০০:৪৪

    প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে রামপালে সরকারি খালের অবৈধ বাঁধ অপসারণ

    প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে রামপালে সরকারি খালের অবৈধ বাঁধ অপসারণ

    ২৩ জুন ২০২৬, ০০:৩০

    নুরুল ইসলাম লাগিয়েছেন লক্ষাধিক গাছ

    নুরুল ইসলাম লাগিয়েছেন লক্ষাধিক গাছ

    ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:৪৮

    হলান্ডের জোড়া গোলে নকআউট পর্বে নরওয়ে

    হলান্ডের জোড়া গোলে নকআউট পর্বে নরওয়ে

    ২৩ জুন ২০২৬, ০৮:০০

    এমবাপ্পে ঝলকে ফ্রান্সের টানা দ্বিতীয় জয়

    এমবাপ্পে ঝলকে ফ্রান্সের টানা দ্বিতীয় জয়

    ২৩ জুন ২০২৬, ০২:৪৯

    ঋণের সুদে দুশ্চিন্তায় সরকার

    ঋণের সুদে দুশ্চিন্তায় সরকার

    ২৩ জুন ২০২৬, ০৬:৩৯

    বলটা কাটব্যাক করবি গাধা, আমি পৌঁছে যাব

    বলটা কাটব্যাক করবি গাধা, আমি পৌঁছে যাব

    ২৩ জুন ২০২৬, ১০:০২

    রাজশাহীতে ঝুঁকিপূর্ণ ৭২১ ভবন

    রাজশাহীতে ঝুঁকিপূর্ণ ৭২১ ভবন

    ২৩ জুন ২০২৬, ০৬:৪৩

    রাজশাহীতে ছেলের হাতে প্রাণ গেল শিক্ষক বাবার

    রাজশাহীতে ছেলের হাতে প্রাণ গেল শিক্ষক বাবার

    ২৩ জুন ২০২৬, ০৮:০৯

    লাল ফিতায় বন্দি খনিজ অনুসন্ধান

    লাল ফিতায় বন্দি খনিজ অনুসন্ধান

    ২৩ জুন ২০২৬, ০৬:৪৩

    আজকের নামাজের সময়সূচি (২৩ জুন)

    আজকের নামাজের সময়সূচি (২৩ জুন)

    ২৩ জুন ২০২৬, ০৭:২৩

    ঢাকায় বৃষ্টির আভাস, তাপমাত্রা বাড়তে পারে

    ঢাকায় বৃষ্টির আভাস, তাপমাত্রা বাড়তে পারে

    ২৩ জুন ২০২৬, ০৭:৪৩

    দেখলাম মেসি আমার দিকেই এগিয়ে আসছে

    দেখলাম মেসি আমার দিকেই এগিয়ে আসছে

    ২৩ জুন ২০২৬, ০৯:২৯

    advertiseadvertise