নেপালের সীমান্তে পৌঁছানোর আগেই ভয়াবহ প্লাবন, অল্পের জন্য বাঁচলেন মানসী

মানসী পারেখ। ছবি: ইনস্টাগ্রাম
ভারতীয় অভিনেত্রী মানসী পারেখ। কৈলাশ মানস সরোবর তীর্থযাত্রা শেষ করে দেশে ফিরছিলেন তিনি। সেই সময় নেপাল ও তিব্বত সীমান্তে এক ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা দেখা দিলে অল্পের জন্য রক্ষা পান এই অভিনেত্রী। দুর্যোগের পর বর্তমানে তিনি নিরাপদে চীনে অবস্থান করছেন।
আধ্যাত্মিক গুরু সদগুরুর ‘ঈশা ফাউন্ডেশন’-এর সাথে তিব্বত ভ্রমণে যাওয়া মানসী যে সীমান্ত বন্দর দিয়ে ফিরতে চেয়েছিলেন, তিনি পৌঁছানোর কিছুক্ষণ আগেই সেই এলাকাটি ভয়াবহ প্লাবনে সম্পূর্ণ তলিয়ে যায়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় প্লাবিত জিরোং পোর্টের ভয়ঙ্কর দৃশ্যের ভিডিও শেয়ার করে মানসী পারেখ জানান, আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে পৌঁছালে তাদের দলকেও এই বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হতো। স্মৃতিচারণ করে তিনি লেখেন, ‘মাত্র পাঁচ দিন আগেই এই ইমিগ্রেশন পয়েন্টে আমাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়েছিল। আর আজ পুরো এলাকাটি পানির নিচে চলে গেছে। জীবন সত্যিই বড় অনিশ্চিত। তবে আমরা ঈশ্বরের কৃপায় চীন সীমানায় নিরাপদে আছি। ঈশা ফাউন্ডেশন আমাদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনার এবং বন্যায় আটকে পড়াদের উদ্ধারের আপ্রাণ চেষ্টা করছে।’
ঈশা ফাউন্ডেশন এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তিব্বত থেকে মানস সরোবর দর্শন শেষে ভারতে ফেরার পথে জিরোং পোর্টের ইমিগ্রেশন ভবনে অবস্থান করছিলেন শত শত তীর্থযাত্রী। ঠিক সেই সময়েই পাহাড়ি ঢল ও ভটে কোসি নদীর পানি উপচে এক বিশাল জলচ্ছ্বাস ইমিগ্রেশন অফিসে আছড়ে পড়ে এবং সীমান্ত পেরিয়ে নেপালের রাসুয়া এলাকা প্লাবিত করে।
ঈশা ফাউন্ডেশনের প্রধান সদগুরু এক বার্তায় জানিয়েছেন, এই আকস্মিক বন্যায় তার ফাউন্ডেশনের অন্তত ৭৭ জন ভারতীয় তীর্থযাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন। চীন ও নেপাল সীমান্ত জুড়ে বর্তমানে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে।
এদিকে মানসী পারেখ ও তার সাথে থাকা অন্য যাত্রীদের নিরাপদে ভারতে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।








