Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
উপকূলে অল্পনার আশার বীজ
শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিষয় চলচ্চিত্র

আয়োজন

প্রাচীনতম চলচ্চিত্র উৎসব

  • আজ ৬ আগস্ট। ১৯৩২ সালের এই দিনে পৃথিবীতে প্রথমবারের মতো কোনো ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়
বিষয় চলচ্চিত্র ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৩:৩৮
প্রাচীনতম চলচ্চিত্র উৎসব

১৯৩২ সাল, ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবের প্রথম আসর

বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন এবং অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসব এটি। প্রথমবারের মতো আয়োজিত হয় ১৯৩২ সালে, ছয়টি দেশের ৪০টি চলচ্চিত্রের প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে। ইতালির বিখ্যাত শিল্প উৎসব বিয়েনালের সভাপতি কাউন্ট জ্যুসেপ্পে ভলপি দি মিসুরাতা, ভাস্কর আন্তোনিও মারাইনি ও লুসিয়ানো দে ফিওর পৃষ্ঠপোষকতায়। শুরুতে অনিয়মিত হলেও ১৯৩৫ সাল থেকে এটি বার্ষিক আয়োজনে পরিণত হয় এবং জনপ্রিয়তা লাভ করে।

শুরুর দিকে সিনেমা দেখানো হতো হোটেল এক্সেলসিওরের ছাদ ও বাগানে। ১৯৩৭ সাল থেকে এখনো এই উৎসবের মূল কেন্দ্র পালাজ্জো দেল সিনেমা। ১৯৩৯ সালে ইতালির ফ্যাসিবাদী সরকারের পক্ষ থেকে ফ্যাসিবাদী ও নাৎসি প্রচারণামূলক চলচ্চিত্রের জন্য দুটি পুরস্কার দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়। এর প্রতিবাদে ১৯৪০ সালের উৎসবকে বয়কট করে যুক্তরাষ্ট্র। ১৯৪০ থেকে ১৯৪২ সালের মধ্যে এখানে রোম-বার্লিন জোটের অনুগত দেশগুলোর চলচ্চিত্রই দেখানো হয়েছিল। ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত এই চলচ্চিত্র উৎসবের সব আনুষ্ঠানিকতা স্থগিত ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কারণে। এর পরের দুই বছর সীমিত আকারে আয়োজন হলেও পালাজ্জো দেল সিনেমাতে নিয়মিত চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ফিরে আসে ১৯৪৮ সালে।

উৎসবের সর্বোচ্চ পদক ‘গোল্ডেন লায়ন’। এর প্রবর্তন ঘটে ১৯৪৯ সালে। এর আগে ১৯৩৪ থেকে ১৯৪২ সাল পর্যন্ত সেরা ইতালীয় চলচ্চিত্র ও সেরা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র— এ দুই ক্যাটাগরিতে সর্বোচ্চ পদক হিসেবে ‘কোপা মুসোলিনি’ দেওয়া হতো। ১৯৪৭ ও ১৯৪৮ সালে দেওয়া হয় সর্বোচ্চ পদক ‘গ্র্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল প্রাইজ অব ভেনিস’। এশীয়, বিশেষ করে জাপানি ও ভারতীয় চলচ্চিত্রকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিত করার পেছনে এই উৎসবের ভূমিকা অনেক। ১৯৫১ সালে আকিরা কুরোসাওয়ার ‘রশোমন’ এবং ১৯৫৭ সালে সত্যজিৎ রায়ের ‘অপরাজিত’ জয় করে গোল্ডেন লায়ন। মূলত রশোমনের পুরস্কার জয়ই এশীয় চলচ্চিত্র নিয়ে পশ্চিমা দুনিয়ায় প্রবল কৌতূহলের জন্ম দেয়।

ষাট ও সত্তরের দশকে দুনিয়া জুড়ে নানা সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দ্বন্দ্ব ও সংঘাত ছড়ানোর ভয়ে ১৯৬৯ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত এই উৎসবে কোনো পুরস্কার দেওয়া হয়নি। একই প্রভাবে ১৯৭৩, ১৯৭৭ ও ১৯৭৮ সালে উৎসবটি অনুষ্ঠিত হয়নি। এর মর্যাদা ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টায় ১৯৭৯ সালে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করেন উৎসবের পরিচালক কার্লো লিজানি। তাতে বৈচিত্র্যময় চলচ্চিত্র বাছাই করা ও দেখানোর ওপর দেওয়া হয় গুরুত্ব। এতে উৎসবটি প্রাণ ফিরে পায়। আশির দশকে ‘নিউ জার্মান সিনেমা’ আন্দোলনের প্রসার ঘটাতেও সাহায্য করে ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসব। নব্বইয়ের দশকে আল পাচিনো ও রবার্ট ডি নিরোর মতো তারকা আজীবন সম্মাননা পুরস্কার পেলে উৎসবের জনপ্রিয়তা আরও বেড়ে যায়। সেই ধারা এখনো বহমান।

গোল্ডেন লায়নজয়ী এশীয় চলচ্চিত্র

চলচ্চিত্রের নাম: ‘রশোমন’; নির্মাতা: আকিরা কুরোসাওয়া; দেশ: জাপান; সাল: ১৯৫১। ‘অপরাজিত’; সত্যজিৎ রায়; ভারত; ১৯৫৭। ‘রিকশা ম্যান’; হিরোশি ইনাগাকি; জাপান; ১৯৫৮। ‘আ সিটি অব স্যাডনেস’; হো শিয়াও-সিয়েন; তাইওয়ান; ১৯৮৯। ‘দ্য স্টোরি অব চিও জ্যু’; জ্যাং ইমৌ; চীন; ১৯৯২। ‘লং লিভ লাভ’; সাই মিং-লিয়াং; তাইওয়ান; ১৯৯৪। ‘সাইক্লো’; ট্রান আন হুং; ভিয়েতনাম; ১৯৯৫। ‘হানা-বি’; তাকেশি কিতানো; জাপান; ১৯৯৭। ‘নট ওয়ান লেস’; জ্যাং ইমৌ; চীন; ১৯৯৯। ‘দ্য সার্কেল’; জাফর পানাহি; ইরান; ২০০০। ‘মুনসুন ওয়েডিং’; মীরা নায়ার; ভারত; ২০০১। ‘স্টিল লাইফ’; জিয়া ঝাংকে; চীন; ২০০৬। ‘লাস্ট, কশন’; অ্যাং লি; তাইওয়ান; ২০০৭। ‘লেবানন’; স্যামুয়েল মাওজ; ইসরায়েল; ২০০৯। ‘পিয়েতা’; কিম কি-দুক; দক্ষিণ কোরিয়া; ২০১২। ‘দ্য ওম্যান হু লেফট’; লাভ ডিয়াজ; ফিলিপাইন; ২০১৬

প্রাচীনতম চলচ্চিত্র উৎসবফিল্ম ফেস্টিভ্যাল
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise