এসএসসি ও সমমান
জিপিএ-৫ পেয়েছেন ১১৬৬৭৬ শিক্ষার্থী, এগিয়ে ছাত্রীরা

সংগৃহীত ছবি
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যায় বড় ধস নেমেছে। গত বছরের তুলনায় এবার সর্বোচ্চ গ্রেড পয়েন্ট পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজারের বেশি।
২০২৫ সালে যেখানে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছিল, এবার সেই সংখ্যা নেমে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জনে।
তবে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে এবারও ছাত্রদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ছাত্রীরা। মোট জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর মধ্যে ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন ছাত্রী এবং ৫২ হাজার ৭৮০ জন ছাত্র। অর্থাৎ, ছাত্রের তুলনায় ১১ হাজার ১১৬ জন বেশি ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
এবার জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জনের মধ্যে ৫২ হাজার ৭৮০ জন ছাত্র এবং ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন ছাত্রী। অর্থাৎ, ছাত্রের তুলনায় ১১ হাজার ১১৬ জন বেশি ছাত্রী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
২০২৫ সালে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রী ছিল ৭৩ হাজার ৬১৬ জন এবং ছাত্র ৬৫ হাজার ৪১৬ জন। সে হিসাবে গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ২২ হাজার ৩৫৬ জন।
একই সঙ্গে গত বছরের তুলনায় এবার জিপিএ-৫ পাওয়া ছাত্রীর সংখ্যা কমেছে ৯ হাজার ৭২০ জন এবং ছাত্রের সংখ্যা কমেছে ১২ হাজার ৬৩৬ জন।
তবে জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যায় সামগ্রিকভাবে পতন হলেও ছাত্রীরা এবারও সংখ্যার দিক থেকে এগিয়ে রয়েছে। গত বছরও জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রীদের সংখ্যা ছাত্রদের চেয়ে বেশি ছিল। এবার সেই ব্যবধান আরও স্পষ্ট হয়েছে।
২০২৫ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এর আগের বছর ২০২৪ সালে এই হার ছিল ৮৩ দশমিক ৪ শতাংশ। অর্থাৎ ২০২৫ সালে আগের বছরের তুলনায় পাসের হার কমেছিল ১৪ দশমিক ৯৫ শতাংশীয় পয়েন্ট।
এ বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন ছাত্র এবং ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন ছাত্রী। দেশের ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষায় অংশ নেয়।
পরীক্ষার্থীদের মধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩১৮ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দাখিল পরীক্ষায় ৩ লাখ ৩ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।




