কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে তিন দেশের সংস্কৃতির মিলনমেলা

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে তিন দেশের সংস্কৃতির মিলনমেলা
রাজধানীর কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের ইংরেজি বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়েছে রাশিয়া, চীন ও বাংলাদেশের অংশগ্রহণে এক ব্যতিক্রমধর্মী আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক বিনিময় অনুষ্ঠান।
‘ঐক্যে বৈচিত্র্য’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল সংস্কৃতি, শিল্প ও জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে দেশগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করা।
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাশিয়ান হাউজ ইন ঢাকা এবং চীনের দূতাবাসের প্রতিনিধিরা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে বৈশ্বিক সহযোগিতা ও সাংস্কৃতিক সচেতনতা বৃদ্ধির প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিশ্রুতি হয়েছে প্রতিফলিত।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান চৌধুরী জাফরউল্লাহ শারাফাত। তিনি অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের আয়োজনে সহযোগিতার দেন আশ্বাস। শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এইচ এম জাহিরুল হক স্বাগত বক্তব্যে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখার ব্যক্ত করেন আশাবাদ।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ইংরেজি বিভাগের প্রধান রেজিনা সুলতানার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা ‘দ্য রিভার, দ্য টাইগা অ্যান্ড দ্য ড্রাগন: স্ট্রাকচারাল প্যারালেলস ইন ফোকলোর’, যেখানে রাশিয়া, চীন ও বাংলাদেশের লোককথার মধ্যে বিদ্যমান সাংস্কৃতিক সাদৃশ্য হয় তুলে ধরা।
এ ছাড়া বিভাগের শিক্ষার্থীরা ‘এ মিটিং অব মিথস’ শিরোনামের একটি নাটক করেন মঞ্চস্থ। সুন্দরবনের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই নাটকে তিন দেশের লোককথার চরিত্রগুলোর এক অভিনব মিলনচিত্র করা হয় উপস্থাপন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত আলেক্সান্দ্রা খলেভনয় এই উদ্যোগের প্রশংসা করে শিক্ষার্থীদের পরিবেশনার করেন ভূয়সী প্রশংসা এবং ভবিষ্যতে আরও আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক বিনিময়ের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে রাশিয়া–চীন কৌশলগত অংশীদারত্বের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয় ‘রেড সিল্ক’ চলচ্চিত্রের বিশেষ প্রদর্শনী।




