Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
শিক্ষকের পেনশনের টাকায় ‘শিশুস্বর্গ’
বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় ক্যাম্পাস

আম্মারকে থামাবে কে

  • একের পর এক অপরাধে জড়ালেও ব্যবস্থা নেই
মাহবুব আলম লাবলু
মাহবুব আলম লাবলু
agamir somoy
প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২৬, ২৩:০৪
আম্মারকে থামাবে কে

বেলচা হাতে রাবি কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের দিকে তেড়ে যাচ্ছেন রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মার। গতকাল সোমবার বিকেলের ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসের ‘ওয়ানম্যান আর্মি’ তকমা পাওয়া ছাত্রনেতা সালাহউদ্দিন আম্মার। কোটাবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক থেকে সংঘাতের নায়ক। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে রাবি ক্যাম্পাসে যে নামটি বারবার আতঙ্কের কারণ হয়েছে, তা হলো সালাহউদ্দিন আম্মার। খুলনার প্রত্যন্ত জনপদ কয়রা থেকে আসা এই ছাত্রনেতা ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হন ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে। চব্বিশের কোটাবিরোধী আন্দালনে যোগ দিয়ে বনে যান নেতা। সাধারণ শিক্ষার্থীদের আবেগকে পুঁজি করে পান পরিচিতি। গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে নির্বাচিত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস)।

খুব অল্প সময়ে রাজনীতির ময়দানে তুমুল জনপ্রিয়তা পেলেও আম্মারের ভাবমূর্তি এখন বিবর্ণ। লেগেছে বিস্তর নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের কালো দাগ, যা ক্রমেই হচ্ছে দীর্ঘ। একের পর এক নানান বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে রাকসু তথা বিশ্ববিদ্যালয়কেই ফেলছেন ভাবমূর্তি সংকটে। কখনো তিনি শিক্ষকের শার্টের কলার ধরছেন, কখনো উপাচার্যের কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিচ্ছেন, আবার কখনো ছাত্রদল নেতাকে ছাত্রলীগ ট্যাগ দিয়ে পিটিয়ে আহত করছেন। তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, নিয়োগ-বাণিজ্যের অভিযোগও উঠেছে। প্রকাশ্যে ফৌজদারি অপরাধে জড়ানোর পরও আম্মারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তার সব অপরাধের ব্যাপারেই পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দেখাচ্ছে নীরবতা। গঠন করা হয় তদন্ত কমিটি, কিন্তু আসে না দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ। যাকে ‘আইওয়াশ’ বলে মনে করেন অনেকেই। এমন প্রেক্ষাপটে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশের প্রশ্ন— আম্মারকে থামাবে কে? বেশ কিছুদিন আগে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে আম্মারের তোলা একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপরও তাকে আইনের আওতায় আনতে আগ্রহী হয়নি পুলিশ।

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেছেন, ‘এর আগে শিক্ষক লাঞ্ছনার বিষয়ে তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। সোমবারের ঘটনা নিয়েও তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা কাজ শুরু করেছেন।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বললেন, ‘প্রক্টর দপ্তরে এবং লাইব্রেরিতে যে বিষয়গুলো হয়েছে, তা গ্রহণযোগ্য ছিল না।’
আর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা এ এইচ এম খোরশেদ আলম বললেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে আম্মার যেসব কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন, সেগুলো শিক্ষার্থীসুলভ নয়। এর আগেও তার বিরুদ্ধে শিক্ষক লাঞ্ছিত করার ঘটনা তদন্ত চলমান। এ বিষয়ে আমি আর কোনো মন্তব্য করতে চাচ্ছি না।’


আরও পড়ুন

হামলার শিকার রাবির দুই শিক্ষার্থীকে ‘ছাত্রলীগ’ হিসেবে গ্রেপ্তার

২৮ জুলাই ২০২৬


গত সোমবার ক্যাম্পাসে তিন শিক্ষার্থীকে দফায় দফায় পিটিয়ে নতুন করে আলোচনায় আসেন আম্মার। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, আম্মারের নেতৃত্বে রাকসু ও রাবি ছাত্রশিবিরের কিছু নেতাকর্মী প্রথম দফায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের দপ্তরে তিন শিক্ষার্থীকে (আনাস, হাসিব ও মাহমুদুল) মারধর করেন। পরে বেলা ৩টার দিকে রাকসু ভবনে গিয়ে আম্মার এবং রাকসুর তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বিএম নাজমুস সাকিবের ওপর পাল্টা হামলা চালান তারা। এরপর কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে প্রক্টরের সামনেই কয়েক দফা আনাস, হাসিব ও মাহমুদুলের ওপর হামলা চালান আম্মার ও তার অনুসারী শিবির নেতাকর্মীরা। হামলাকারীরা কাঠ, বাঁশ, রড, বেলচা দিয়ে তাদের বেধড়ক পেটান। হামলা ঠেকাতে গ্রন্থাগারের পাঠকক্ষের অন্য শিক্ষার্থীরা এগিয়ে এলে তাদেরও মারধর করা হয়। এ ঘটনায় দুই শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্তে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এর আগে পাকিস্তানি এক নারী শিক্ষার্থীকে নিয়ে ফেসবুকে বিতর্কিত মন্তব্য করে দেশ জুড়ে ব্যাপক সমালোচিত হন আম্মার। ডাকসু নেত্রী উম্মে সালমার করা একটি ফেসবুক পোস্টে পাকিস্তানি নারী শিক্ষার্থীকে ইঙ্গিত করে আম্মার লেখেন— ‘নিয়ে আসেন আমার জন্য’। তার এই মন্তব্যের স্ক্রিনশট মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে।

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, ‘৩৬ জুলাই: মুক্তির উৎসব’ কনসার্ট আয়োজনের নামে ৭০টি প্রতিষ্ঠানের কাছে ৭৬ লাখ টাকা অনুদান চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন আম্মার। সেই ঘটনা ফাঁস হলে চরম বিতর্কিত হন তিনি। কারণ, অনুষ্ঠানটির আয়োজক হিসেবে তিনিই চিঠিতে সই করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক জানান, সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীবের সঙ্গে আম্মারের বেশ ঘনিষ্ঠতা ছিল। তার সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পদে অনেকের নিয়োগের নেপথ্যে আম্মারের তদবির ছিল। নিয়োগ-বাণিজ্যের মাধ্যমে তিনি মোটা টাকা হাতিয়েছেন। ৫ আগস্টের পর নগর ভবন থেকে ল্যাপটপ লুটের অভিযোগও রয়েছে আম্মারের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া রাজশাহীর একটি শিল্পগ্রুপ এক এনসিপি নেতার (সাবেক শিবির নেতা) মাধ্যমে আম্মারের কাছে নিয়মিত মাসোহারা পৌঁছায় বলে অভিযোগ আছে।

স্থানীয় লোকজন জানান, আম্মারের জন্ম খুলনার কয়রা উপজেলায়। ঢাকার উপকণ্ঠ টঙ্গীর তামিরুল মিল্লাত মাদ্রাসা থেকে আলিম পাস করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যায়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ভর্তি হওয়া আম্মার ছাত্রশিবিরের সাথী ছিলেন। কিন্তু আগে তা কখনোই প্রকাশ করেননি। আম্মার তার ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে কয়রা বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা গত ৯ এপ্রিল আম্মারকে এলাকায় অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে তার কুশপুত্তলিকা দাহ করেন।

আম্মারের যত কাণ্ড

আগামীর সময়ের রাবি প্রতিনিধি জাহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, ক্যাম্পাসে আম্মারের বিতর্কিত কাণ্ডের শেষ নেই। বিশ্বকাপ ফুটবল ম্যাচ কেন্দ্র করে নবাব আব্দুল লতিফ হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) নুরুল ইসলাম শহিদকে মারধর করেন আম্মার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্ল্যাটফর্ম ‘বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক’ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বিতর্কে জড়ান।

গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর শর্তসাপেক্ষে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের পোষ্য কোটা পুনর্বহাল করা হয়। এর প্রতিবাদে প্রশাসনিক ভবনের সামনে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন আম্মার। আন্দোলন চলাকালে তৎকালীন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীনসহ কয়েকজন শিক্ষককে লাঞ্ছিত করেন। গভীর রাত পর্যন্ত শিক্ষকদের জুবেরী ভবনে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। পরে পোষ্য কোটা পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত স্থগিত করেন উপাচার্য। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের দপ্তরে ঢুকে হাঙ্গামা করেছেন আম্মার ও তার অনুসারীরা। শরিফ ওসমান হাদি নিহত হওয়ার পর ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল শেষে প্রথম আলো-ডেইলি স্টারসহ বেশ কিছু গণমাধ্যমকে সুশীল আখ্যা দিয়ে তা বন্ধের হুমকি দিয়ে আলোচিত হন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের মদদপুষ্ট কোনো শিক্ষক-কর্মকর্তা চাকরিতে থাকলে তাদের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বেঁধে রাখার হুমকি দেন। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা ও মেডিকেল সেন্টারের কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মাসুদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আম্মারের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। মাসুদকে পেটানোর সময় তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।


আরও পড়ুন

প্রেমে রাজি না হওয়ায় রাবি ছাত্রীকে পদ্মায় ফেলে দেওয়ার হুমকি

২৭ জুলাই ২০২৬


২০২৩ সালের ১৭ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন নির্বাচন হয়। ১২টি অনুষদের মধ্যে আওয়ামীপন্থী হলুদ প্যানেল থেকে ৬ জন ডিন নির্বাচিত হন। তাদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর নতুন নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী তাদের পদে বহাল রাখার নির্দেশ দেন উপাচার্য। ১৮ ডিসেম্বর ছয় ডিনকে পদত্যাগ করতে কুরুচিপূর্ণ ভাষায় হুমকি দেন আম্মার। একই সঙ্গে আওয়ামীপন্থী শিক্ষক-কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বেঁধে রাখার হুঁশিয়ারি দেন। এরপর ২১ ডিসেম্বর তিন ডিনের কার্যালয়, উপাচার্য, দুই উপ-উপাচার্যসহ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দপ্তরে তালা লাগিয়ে দেন তিনি। পরদিন ছয় ডিন পদত্যাগ করেন।

রাবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহি বললেন, ‘একজন শিক্ষার্থী হয়ে সে বারবার ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করে তুলছে। তাকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। কার প্ররোচনায়, কাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নে সে ক্যাম্পাসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছে, তা খতিয়ে দেখার সময় এসেছে। তার কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জঙ্গি তৎপরতার মিল রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করে সবকিছু বের করতে দরকার।’

জানতে চাইলে আইন বিভাগের শিক্ষক ড. মোর্শেদুল আলম পিটার বললেন, ‘দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, কোনো শিক্ষার্থী যদি অন্য কোনো শিক্ষার্থী বা শিক্ষককে শারীরিকভাবে আঘাত করে কিংবা প্রকাশ্যে হুমকি-ধমকি দেয়, তবে তা স্পষ্টত ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। বাংলাদেশের দণ্ডবিধি অনুযায়ী, এই ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ বা জিডি করা এবং আদালতে মামলা করার সুযোগ রয়েছে। হুমকি দেওয়া বা আঘাত করার মতো বিষয়গুলো আইনের আওতায় বিচারযোগ্য।’

এর আগে আম্মারের আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম। ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক আবদুল আলীম ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোহাম্মাদ আমীরুল ইসলাম এক বিবৃতিতে বলেন, রাকসুর জিএস বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উদ্দেশে অশালীন ভাষায় বক্তব্য দিয়েছেন। পাশাপাশি যখন-তখন বিভিন্ন দপ্তরে তালা লাগিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি এবং তাদের সঙ্গে অশোভন আচরণের মাধ্যমে তিনি পুরো ক্যাম্পাসে ভীতিকর ও নৈরাজ্যকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

নিজের বিরুদ্ধে উঠা অভিযেপাগের সাফাই গাইতে কম গেলেন না সালাউদ্দিন আম্মার। আগামীর সময়কে বললেন, ‘গত কালকের (সোমবার) বিষয়টা সবার সামনে আইনের হাতে তুলে দিয়েছি। কিন্তু আইন তো আমাকে রক্ষা করতে পারেনি। বরং আমার রাকসু ভবনে গিয়ে আমাকে হামলা করেছে। ২ বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ার কারণে এ পরিস্থিতিতে নিয়ে আসলো। এর দায় আমি কাকে দিবো? আইনকে? প্রশাসনকে? তখন তারা দায় নিতে পারছে না তখন তো সেটা আমাকে নিতে হবে।’

চাঁদাবাজির বিষয়ে সালাহউদ্দিন আম্মার বললেন, ‘আমাদের দেওয়া রাসিকের চিঠিটি নিয়ে মিডিয়াগুলো সংঘবদ্ধ হয়ে মিডিয়া ট্রায়াল চালাচ্ছে, নোংরামি করা হচ্ছে। অথচ প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ, ওয়ালটন, যমুনা ব্যাংক, সুলতানস ডাইনসহ প্রায় ৭০টি শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানে আমরা প্রপোজাল দিয়েছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্যারের সুপারিশ নিয়ে, যথাযথ নিয়ম মেনেই প্রোপোজাল দেওয়া হয়েছে। উপাচার্য প্রতিটি প্রপোজালে সিল, স্বাক্ষর দিয়েছেন। সিটি করপোরেশনে আমরা চিঠি দিয়ে বলেছিলাম আপনাদের পক্ষ থেকে যতটুকু করা যায় আপনারা করবেন। আমাদের ব্যানার হবে ৬৮ থেকে ৭২ পর্যন্ত সব ব্যাচের সাধারণ শিক্ষার্থীদের আয়োজন। এর আগেও রাসিক বিভিন্ন সংগঠনকে অর্থায়ন করেছে। আয়োজনটা যেন না করতে পারি সেজন্য এটা নিয়ে একটা পক্ষ নোংরামি শুরু করেছিল।’

রাকসুসালাহউদ্দিন আম্মাররাবি
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    স্বামীহারা স্ত্রীকে কাঁদতেও দেননি কাদের-কামাল

    স্বামীহারা স্ত্রীকে কাঁদতেও দেননি কাদের-কামাল

    ২৯ জুলাই ২০২৬, ০০:০০

    সড়ক সংস্কার করল বিএনপি-ছাত্রদল

    সড়ক সংস্কার করল বিএনপি-ছাত্রদল

    ২৯ জুলাই ২০২৬, ০০:৫৭

    ভৈরব পৌরসভার বাজেট ঘোষণা

    ভৈরব পৌরসভার বাজেট ঘোষণা

    ২৯ জুলাই ২০২৬, ০০:৫৬

    মিরপুরে দেয়াল ধসে আহতদের চিকিৎসার সব ব্যয় বহন করবে সরকার

    মিরপুরে দেয়াল ধসে আহতদের চিকিৎসার সব ব্যয় বহন করবে সরকার

    ২৯ জুলাই ২০২৬, ০০:৫৮

    advertiseadvertise