Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায়দের পাশে অন্তর হাজং
সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় শিক্ষা

এনসিটিবির নতুন উদ্যোগ

বই ছাপায় ৬৯১ কোটি টাকা বাঁচাবে এআই

  • প্রেস সিন্ডিকেট ভাঙবে এসএলটি
  • সর্বনিম্ন দর দিলেই মিলবে না কাজ
  • অস্বাভাবিক দরে বাতিল হবে নিবন্ধন
  • গত বছর সাশ্রয় ২২০ কোটি টাকা
  • এবারও সক্রিয় দুই সিন্ডিকেট গ্রুপ
নূর মোহাম্মদ
agamir somoy
প্রকাশ: ২৮ জুন ২০২৬, ২৩:০৮
বই ছাপায় ৬৯১ কোটি টাকা বাঁচাবে এআই

এইআই নির্মিত ছবি

পাঠ্যপুস্তক ছাপানোয় প্রেস মালিকদের সিন্ডিকেট ‘ওপেন সিক্রেট’। বিগত বছরগুলোতে সরকারি কর্তা ও ছাপাখানা চক্রের যোগসাজশে প্রাক্কলনের চেয়ে অস্বাভাবিক কম বা বেশি দরে বাগিয়ে নেওয়া হতো কাজ। এভাবে হাতানো হয়েছে শত শত কোটি টাকা। এরপরও দেয়নি মানসম্মত কাগজ। এবার পরিস্থিতি উল্টে গেছে, সেই দৌরাত্ম্য থামিয়ে দিচ্ছে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। দরপত্র যাচাই করে প্রতারক চক্র ও সিন্ডিকেটেড মূল্য শনাক্ত করে সরকারের প্রায় ৭০০ কোটি টাকা সাশ্রয় করবে এ প্রযুক্তি— এমনটিই আশা জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি)।

সিন্ডিকেট ভাঙতে ও কারসাজি ধরতে প্রথমবারের মতো ব্যবহার করা হচ্ছে এআইনির্ভর ‘এসএলটি’ পদ্ধতি বা সিগনিফিক্যান্টলি লো-প্রাইসড টেন্ডার। এর মাধ্যমে শনাক্ত হবে অত্যধিক নিম্নমূল্যের দরপত্র। অনলাইন প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সরকারি ক্রয় বা টেন্ডার প্রক্রিয়া ‘ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্টে (ই-জিপি) আর সর্বনিম্ন দর দিলেই মিলবে না কাজ; বরং অস্বাভাবিক কম মূল্য শনাক্ত করে চাওয়া হবে তার ব্যাখ্যা। সন্তোষজনক জবাব না পেলে করা হবে কালোতালিকাভুক্ত। এমনকি বাতিল হতে পারে লাইসেন্স (নিবন্ধন)।

সরকারি অন্য দপ্তরের ক্রয়প্রক্রিয়া ও দর বিশ্লেষণ করে এই ছলচাতুরী ধরার কাজটি করবে এসএলটি। এ প্রযুক্তি সঠিকভাবে প্রয়োগ করতে পারলে আগামী শিক্ষাবর্ষে বই ছাপায় সরকারের সাশ্রয় হবে অন্তত ৬৯১ কোিট টাকা।

এনসিটিবির তথ্য বলছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে ৩০ কোটি পাঠ্যবই ছাপিয়ে বিনামূল্যে তুলে দেওয়া হবে শিক্ষার্থীদের হাতে। সেজন্য শুরু হয়েছে ২ হাজার কোটি টাকার কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়া। এর মধ্যে আহ্বান করা হয়েছে চার শ্রেণির দরপত্র। বাকিগুলোতে শিগগির শুরু হবে টেন্ডার প্রক্রিয়া। কয়েক দিনের মধ্যে শুরু হবে মূল্যায়ন প্রক্রিয়া। টার্গেট নভেম্বর মাসে সব বই উপজেলায় পৌঁছানো। অন্য বছরের মতো এবারও সক্রিয় সিন্ডিকেট।

নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া শুরু করেছে কয়েকটি বড় প্রিন্টার্স। যার নেতৃত্ব দিচ্ছে দুটি গ্রুপ। যারা গত বছর যোগসাজশে ৩০ শতাংশ বেশি ও ২০ শতাংশ কমে অস্বাভাবিক দর দিয়ে বাগিয়ে নেয় কাজ।

সাধারণত নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কম বা বেশি মূল্যে দরপত্র দেয় চক্র। সেই দরে কাজ দিতে বাধ্য হয় সরকার। এতে প্রতি বছর লোকসান হয় শত শত কোটি টাকা। এরপরও সময়মতো সরবরাহ করে না বই, অনুপস্থিত মান— প্রতারণার উপায় তুলে ধরলেন প্রকিউরমেন্ট বিশেষজ্ঞরা।

কয়েকটি সূত্র জানায়, এবারও ২ হাজার কোটি টাকার কাজ ভাগবাটোয়া করতে সমঝোতা শুরু করেছেন প্রেস মালিকরা। তাদের মধ্যে সরকার প্রিন্টিং অ্যান্ড পাবলিশিংয়ের মালিক দুলাল সরকারের নেতৃত্বে আলোচনায় এক গ্রুপ। অন্য বড় গ্রুপের নেতৃত্বে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তফা জব্বাবের ভাই রব্বানী জব্বার। আরও দুটি ছোট গ্রুপ সক্রিয়, যারা মোটা অঙ্কের টাকায় হাত করেছে এনসিটিবির অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। তবে এসএলটির কাছে পরাজিত হবে এসব সিন্ডিকেট।

দরপত্রের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, প্রিন্টার্সদের সিন্ডিকেট ভাঙতে নেওয়া হয়েছে সব ধরনের পদক্ষেপ। ক্রয় কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, চলতি বছর কমানো হয়েছে লটের সংখ্যা। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম প্রতি শ্রেণিতে ১০০ লটের পরিবর্তে ৭৫, নবম শ্রেণিতে ২৩৪ লটের পরিবর্তে ১৮০ এবং প্রাথমিকের ২৪২ লট নামানো হচ্ছে ১৪৩টিতে।

সিন্ডিকেট ভাঙলে সরকারের সাশ্রয় ৬৯১ কোটি টাকা: এনসিটিবির নথি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, চলতি বছর বই ছাপার প্রিন্টার্সদের সিন্ডিকেট ভাঙতে পারলে সরকারের অন্তত ৬৯১ কোটি টাকা সাশ্রয় সম্ভব। বইয়ের টেন্ডার হয় ফর্মা (৮ পৃষ্ঠায় এক ফর্মা) হিসাবে। গত বছর ৩০ কোটি বইয়ের জন্য ৫৭৬ কোটি ফর্মা ধরে দরপত্র করা হয়। প্রাথমিকের জন্য ১৩০ কোটি ৬ লাখ ফর্মা এবং মাধ্যমিকের ৪৪৫ কোটি ৭১ লাখ।

নথি অনুযায়ী, গত বছর বইয়ের স্পেসিফিকেশন (কাগজ, কালিসহ অন্যান্য মান) অনুযায়ী ফর্মাপ্রতি উৎপাদন খরচ ছিল ২ টাকা ৪০ পয়সা। এর সঙ্গে ৭ পয়সা মুনাফা ধরে এনসিটিবির প্রাক্কলন ছিল ২ টাকা ৪৭ পয়সা; কিন্তু প্রেস মালিকরা মিলে ফর্মাপ্রতি গড় দর দেন ৩ টাকা ২০ পয়সা।

বিষয়টি অন্তর্বর্তী সরকারের সর্বোচ্চ মহলের নজরে এলে দুই উপদেষ্টা কঠোর অবস্থান নিয়ে ষষ্ঠ-অষ্টম তিন শ্রেণির ৬০৩ কোটি টাকার কাজ আটকে দিয়ে পুনঃ দরপত্রের নির্দেশ দেন। ফলে প্রিন্টার্সরা স্বাধীনভাবে দর দেয়। এতে একই মানের বইয়ে দর পড়ে ১ টাকা ৮০ পয়সা। অর্থাৎ সিন্ডিকেটবিহীন টেন্ডারে প্রতি ফর্মায় কমে যায় ১ টাকা ২০ পয়সা। প্রাক্কলনের চেয়ে ৪৩ শতাংশ কম এবং উৎপাদন ব্যয়ের চেয়েও প্রায় ৬০ পয়সা কমে দর দেয় প্রিন্টার্সরা। ফলে তিন শ্রেণির ১১ কোটি ৮৯ লাখ বইয়ে সরকারের সাশ্রয় হয় ২২০ কোটি টাকা। ততক্ষণে প্রাথমিকের ১০ কোটি বইয়ের কাজ চড়া দামে ক্রয় কমিটিতে অনুমোদন পায়। আর নবম শ্রেণির কাজটি শেষ পর্যন্ত ৩ টাকা ২০ পয়সা রেটেই বাগিয়ে নিতে সক্ষম হয় চক্রটি।

প্রকিউরমেন্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সিন্ডিকেটসহ রেট এবং সিন্ডিকেটবিহীন রেট ব্যবধান ১ টাকা ২০ পয়সা। তা থেকেই স্পষ্ট, কৃত্রিমভাবে বাজার নিয়ন্ত্রণ করেন প্রেস মালিকরা। এবার নতুন পদ্ধতিতে সিন্ডিকেট ঠেকাতে পারলে প্রতি ফর্মায় ১ টাকা ২০ পয়সা হারে সরকারের সাশ্রয় হবে ৬৯১ কোটি ২০ লাখ টাকা।

যেভাবে কাজ করবে এসএলটি

এনসিটিবির প্রকিউরমেন্ট শাখার এক কর্মকর্তা জানালেন, সরকারি সব কেনাকাটায় ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা ২০২৫’ মোতাবেক এসএলটি পদ্ধতি বাধ্যতামূলক। এরই মধ্যে এটি অনুসরণ করা হচ্ছে পুরোপুরি। চারটি দরপত্রে সুফলও মিলেছে।
নতুন পিপিআর-২০২৫ অনুযায়ী, সরকারি প্রাক্কলনের তুলনায় দর অস্বাভাবিক কম-বেশি হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গাণিতিক সূত্র ব্যবহার করে তা চিহ্নিত করছে এসএলটি। এরপর ই-জিপি সিস্টেম, এনপিপিআই বা সর্বশেষ ২৮ দিনের একই পণ্যের বাজারদর এবং আর্থিক সক্ষমতা বিশ্লেষণ করে দেখা হবে, দরটি বাস্তবসম্মত কি না। এক্ষেত্রে মূল্যায়ন কমিটি যদি মনে করে দরদাতা অবাস্তব মূল্য দিয়েছেন বা কৃত্রিম প্রতিযোগিতা তৈরি করেছেন, তাহলে তার দরপত্র সরাসরি বাতিল হবে।

এনপিপিআইয়ের মাধ্যমে সরকারি প্রতিষ্ঠানে একই মানের পণ্যের কার্যাদেশ পাওয়া দর বিশ্লেষণ করবে এ সিস্টেম। সেখানে প্রাক্কলনের তুলনায় ঠিকাদার গড়ে কত শতাংশ কম বা বেশি দামে কাজ পেয়েছেন, সেই গড়হার ব্যবহার করে একটি জাতীয় মূল্যসূচক তৈরি করা হবে, যা এনপিপিআই নামে পরিচিত।

এনপিপিআই মূলত একটি রিয়েল টাইম মার্কেট রেফারেন্স, যা সরকারি ক্রয়কে আরও স্বচ্ছ, প্রতিযোগিতামূলক ও বাজারভিত্তিক করতে সহায়তা করবে। ফলে অতিরিক্ত মূল্য দেখিয়ে কাজ নেওয়া যেমন কঠিন হবে, তেমনি অস্বাভাবিক কম দর দিয়ে পরে কাজ বাস্তবায়নে জটিলতা সৃষ্টির সুযোগও কমে যাবে। এখানে এআইভিত্তিক অ্যানালিটিকস যুক্ত হওয়ার ফলে এখন একই আইপি, একই ধরনের দর প্যাটার্ন, একই গ্রুপের প্রেসের আচরণ বা অস্বাভাবিক দর কমানোর প্রবণতা সহজেই শনাক্ত করা যাবে বলেও অভিজ্ঞতা থেকে মনে করছেন সরকারি ক্রয়সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সিন্ডিকেট করার অভিযোগের বিষয়ে জানতে রব্বানী জব্বার ও দুলাল সরকারের মোবাইল ফোনে দফায় দফায় কল দিলেও রিসিভ করেননি তারা। এমনকি তাদের ফোনে এসএমএস পাঠালেও দেননি জবাব।

সিন্ডিকেট ও এনসিটিবির কর্মকর্তাদের যোগসাজশের সুযোগ কীভাবে তৈরি হলো— এমন প্রশ্নের জবাবে সংস্থাটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা আগামীর সময়কে বললেন, ‘আমি নতুন যোগদান করেছি। তবে এতটুকু বলতে পারি, এবার আগের মতো কাজ করতে পারবে না কোনো সিন্ডিকেট। যেখানে যে সমস্যা আছে, সেগুলো চিহ্নিত করেছি এবং এর মধ্যে কিছু ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।’

এনসিটিবির সদ্য বদলি হওয়া চেয়ারম্যান মাহবুবুল হক পাটওয়ারীর ভাষ্য, ‘অন্য বছর বই ছাপায় প্রেস মালিকদের সিন্ডিকেট কীভাবে থামানো হবে, তা নিয়েই সবাই ব্যস্ত থাকত। এবার সেটি হবে না বলে আমার আশা। এসএলটি দিয়ে সব ধরা পড়বে, সম্প্রতি কয়েকটি দরপত্রে মিলেছে তার প্রমাণ।’

এনসিটিবিবইটাকা
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    advertisement
    advertisement
    পেশাজীবীদের নিয়ে রাজনীতি, পেশাজীবীদের রাজনীতি

    পেশাজীবীদের নিয়ে রাজনীতি, পেশাজীবীদের রাজনীতি

    ২৯ জুন ২০২৬, ০০:১০

    ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খেয়ে ফেরার পথে প্রাণ গেল শিশুর

    ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খেয়ে ফেরার পথে প্রাণ গেল শিশুর

    ২৯ জুন ২০২৬, ০০:১৭

    ‘উনি ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে যান নাই’

    ‘উনি ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে যান নাই’

    ২৯ জুন ২০২৬, ০০:০৯

    ‘থ্রি জিরো’র শূন্যে আমাদের শূন্য জীবন

    ‘থ্রি জিরো’র শূন্যে আমাদের শূন্য জীবন

    ২৯ জুন ২০২৬, ০০:০৯

    সরষের মধ্যে ভূত

    সরষের মধ্যে ভূত

    ২৯ জুন ২০২৬, ০০:০৯

    খেলাধুলাকে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

    খেলাধুলাকে সমান গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

    ২৯ জুন ২০২৬, ০০:১৮

    সরাইলে টর্চ জ্বেলে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, নিহত ১

    সরাইলে টর্চ জ্বেলে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ, নিহত ১

    ২৯ জুন ২০২৬, ০০:৫২

    টঙ্গীতে ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উত্তেজনা

    টঙ্গীতে ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উত্তেজনা

    ২৯ জুন ২০২৬, ০০:৫৮

    ক্যালিফোর্নিয়া থেকে শুরু শেষ ৩২ এর লড়াই

    ক্যালিফোর্নিয়া থেকে শুরু শেষ ৩২ এর লড়াই

    ২৯ জুন ২০২৬, ০১:০৭

    advertiseadvertise