বাংলাদেশ-বিশ্বব্যাংক অংশীদারত্ব জোরদারে গুরুত্ব
- প্রধানমন্ত্রী ও অজয় বাঙ্গার বৈঠক

সংগৃহীত ছবি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গার বৈঠকে বাংলাদেশ-বিশ্বব্যাংক অংশীদারত্ব জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। গত মঙ্গলবার সকালে নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে সাইডলাইনে দুজনের মধ্যে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। খবর বাসসের।
এ সময় বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা, বিভিন্ন প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা বৃদ্ধি, জ্বালানি সংকট প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কাছে দ্বিপক্ষীয় এই বৈঠকে আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘এ বৈঠকটি বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে যে অংশীদারত্ব এবং যে সম্পর্ক রয়েছে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশ আগামী দিনের যেসব প্রকল্প নিতে যাচ্ছে, সে প্রকল্পগুলোয় বাংলাদেশ বিশ্বব্যাংকের অংশীদারত্ব কাঠামোর মধ্যে আমরা কী কী করতে পারি, সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’
তিনি বলেছেন, ‘আলোচনার মধ্যে উঠে এসেছে, প্রধানমন্ত্রী যেসব কর্মসূচি নিয়েছেন, যেমন ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ইত্যাদি— যেসব সামাজিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, সেগুলো বিশ্বব্যাংকের কাছে প্রশংসিত হয়েছে এবং এগুলোয় বিশ্বব্যাংকের সমর্থন থাকবে।’
‘বিশেষ করে ইয়াং এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপের যেসব প্রোগ্রাম আছে, সেখানে আমরা যে প্রোগ্রামগুলো রোলআউট করেছি, ৫০ শতাংশ গ্র্যান্ট, ৫০ শতাংশ কনসেশনাল লোনে আগামী দিনে এই প্রোগ্রামটা কীভাবে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে মিলে বড় আকারে করতে পারি, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ইয়াং এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ ডেভেলপমেন্ট ও তরুণদের কর্মসংস্থানের ব্যাপারে আমরা একসঙ্গে কাজ করব।’
বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ যে সমস্যাগুলো রয়েছে, তার মধ্যে তেল-গ্যাস সংকট উত্তরণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ‘এখানে বিশ্বব্যাংকের ভূমিকা কী থাকবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এখানে বিশ্বব্যাংক এগিয়ে আসতে রাজি আছে।’
তিনি বলেছেন, ‘আমরা যেসব প্রকল্প গ্রহণ করেছি সেগুলো ঠিক রাখতে হবে। এটি যাতে সাপ্লাই চেইনের কারণে ব্যাহত না হয়, সেখানে বিশ্বব্যাংক কাজ করবে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমি জানাতে চাই, সেখানে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছি, সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য।’
টেকসই যেসব প্রকল্প আছে সেগুলো বিশ্বব্যাংক কীভাবে দেখছে প্রশ্ন করা হলে অর্থমন্ত্রী বললেন, ‘খুবই মনোযোগসহকারে দেখছে বিশ্বব্যাংক। বিশেষ করে ইয়াং এন্ট্রাপ্রেনিউরশিপ ডেভেলপমেন্টের মাধ্যমে কর্মসংস্থানবিষয়ক যে প্রকল্পগুলো রোলআউট করা হয়েছে, এটিকে আরও বড় আকারে নেওয়ার ব্যাপারে আমরা একমত হয়েছি।’
সাক্ষাৎকালে আরও উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর প্রমুখ।



