বিএসইসি পুনর্গঠনে উজ্জীবিত শেয়ারবাজার

সংগৃহীত ছবি
নানামুখী ইতিবাচক খবরে দেশের শেয়ারবাজারে নতুন প্রাণসঞ্চার হয়েছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার পুনর্গঠন, অর্থমন্ত্রীর বাজার নিয়ে ইতিবাচক বক্তব্য এবং আগামী বাজেটে শেয়ারবাজারবান্ধব নীতিমালার ঘোষণাসহ নানা উদ্যোগে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সঞ্চার হয়েছে নতুন আশার।
গত মঙ্গলবার অর্থমন্ত্রী অর্থনীতি বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় দুই সপ্তাহের মধ্যে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) পুনর্গঠনের ঘোষণা দেন। এরপর থেকেই বাজারে লেনদেন বাড়তে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার কমিশনের চেয়ারম্যান এবং চারজন কমিশনার পদত্যাগ করেন। একই সময়ে নতুন চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগ দিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় প্রজ্ঞাপন জারি করে।
বাজারসংশ্লিষ্টদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এ পুনর্গঠন হওয়ায় সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে গতকাল বৃহস্পতিবার বাজারে লেনদেনে ব্যাপক উত্থান দেখা যায়। এদিন বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ারদর ও টাকার পরিমাণে লেনদেন বেড়েছে। দিনশেষে ডিএসই ব্রড ইনডেক্স আগের দিনের চেয়ে ৩৩ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ৫৪৭৫ পয়েন্টে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৯ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১১০৮ পয়েন্টে এবং ডিএসই-৩০ সূচক ১১ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ২০৬৮ পয়েন্টে।
দিনভর লেনদেন হওয়া ৩৯১টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ২৪২টির, দর কমেছে ১০৪টির এবং দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৪৫টির। ডিএসইতে টাকার পরিমাণে লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৩৫১ কোটি ৫৯ লাখ টাকার, যা আগের কার্যদিবস হতে ১৬৮ কোটি টাকার বেশি। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১ হাজার ২৭৯ কোটি ১৩ লাখ টাকা।
অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচক সিএএসপিআই এদিন ৮২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ হাজার ২৬৮ পয়েন্টে। এদিন সিএসইতে হাতবদল হওয়া ২৫৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শেয়ারদর বেড়েছে ১৫২টির, কমেছে ৭৪টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ২৯টির দর। সিএসইতে ২৭ কোটি ৪৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে।




