একটিভের পর এএফসি অ্যাগ্রোর কারখানাও বন্ধ

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
একই গ্রুপভুক্ত শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত দুই কোম্পানি—একটিভ ফাইন কেমিক্যালস ও এএফসি অ্যাগ্রো বায়োটেকের কারখানা উৎপাদন বন্ধ অবস্থায় পাওয়া গেছে।
সর্বশেষ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পরিদর্শক দল এএফসি অ্যাগ্রো বায়োটেকের কারখানা পরিদর্শন করে উৎপাদন কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এর আগে গত ২৫ জুন একই ধরনের চিত্র পাওয়া যায় একটিভ ফাইন কেমিক্যালসের কারখানায়।
ডিএসই সূত্রে জানা গেছে, আজ বৃহস্পতিবার পরিদর্শনের সময় কারখানায় কোনো ধরনের উৎপাদন বা স্বাভাবিক কার্যক্রম চলমান ছিল না। তবে কী কারণে কারখানা বন্ধ রয়েছে, সে বিষয়ে কোম্পানির পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত ২৫ জুন ডিএসইর আরেকটি পরিদর্শক দল একই গ্রুপের তালিকাভুক্ত কোম্পানি একটিভ ফাইন কেমিক্যালসের কারখানা পরিদর্শন করেও উৎপাদন কার্যক্রম সম্পূর্ণ বন্ধ থাকার তথ্য নিশ্চিত করে। ফলে একই গ্রুপের দুটি তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের কারখানা বন্ধ থাকার বিষয়টি নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে।
এএফসি অ্যাগ্রো বায়োটেক ২০১৪ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। বর্তমানে কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ১১৫ কোটি ২২ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৭২ দশমিক ১৬ শতাংশ শেয়ার উদ্যোক্তা ও পরিচালক ছাড়া সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে। বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ৭ টাকা ৯০ পয়সা।
অন্যদিকে, একটিভ ফাইন কেমিক্যালস ২০১০ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটির পরিশোধিত মূলধন ২৩৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে ৮৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে। বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ৭ টাকা ৩০ পয়সা।
বাজারসংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকদের মতে, তালিকাভুক্ত কোনো কোম্পানির উৎপাদন দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে তা কোম্পানির আয় ও আর্থিক সক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। একই সঙ্গে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ ও বাজারের প্রতি আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে যেসব কোম্পানির বড় অংশের শেয়ার সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন বন্ধ থাকা নিয়ন্ত্রক সংস্থার জন্যও উদ্বেগের বিষয়।




