বীমা খাত সংকটের নেপথ্যে নিয়ন্ত্রক সংস্থার দুর্বলতা

সংগৃহীত ছবি
দেশের বীমা খাতে মানুষের আস্থা সংকটের মূল কারণ হিসেবে নিয়ন্ত্রক সংস্থার দুর্বলতাকে দায়ী করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। গতকাল শনিবার ইন্স্যুরেন্স রিপোর্টার্স ফোরাম (আইআরএফ) আয়োজিত ‘বীমা খাতের চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেছেন তিনি।
অর্থ উপদেষ্টা জানালেন, বীমা খাতে ন্যায্যতা ও গ্রাহকের অধিকার নিশ্চিত করার দায়িত্ব নিয়ন্ত্রক সংস্থার হলেও দীর্ঘদিন ধরে সেই ভূমিকা পালন হয়নি। ফলে বীমা খাতে জবাবদিহির ঘাটতি তৈরি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ন হয়েছে।
‘এই সংকট কাটিয়ে উঠতে হলে শক্তিশালী ও আধুনিক নিয়ন্ত্রক কাঠামো গড়ে তোলার কোনো বিকল্প নেই’, দেশের বীমা খাতে ন্যায্যতা, জবাবদিহি ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণের অভাব রয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন ড. তিতুমীর।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার ভূমিকা প্রসঙ্গে ড. তিতুমীর বলেছেন, জনগণের আস্থা ও অধিকার রক্ষার প্রধান দায়িত্ব নিয়ন্ত্রক সংস্থার হলেও দীর্ঘদিন ধরে সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা হয়নি। এর ফলে বীমা খাতে শৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে এবং মানুষের মধ্যে অনাস্থা তৈরি হয়েছে।
ড. তিতুমীর আরও বলেছেন, আর্থিক খাতের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের দুর্বল নিয়ন্ত্রণ মানুষের মধ্যে অনাস্থা সৃষ্টি করেছে। তবে অতিনিয়ন্ত্রণও কাম্য নয়। বাজারভিত্তিক তদারকি ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণের সমন্বয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মীর নাদিয়া নিভিন বলেছেন, বীমা খাতে গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনা, বীমাকে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে গড়ে তোলা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি এই তিন স্তম্ভকে সামনে রেখে সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।




