লিড সনদ পেল আরও ৪ পোশাক কারখানা
- দেশে সবুজ কারখানা বেড়ে ২৯০

সংগৃহীত ছবি
আরও চারটি তৈরি পোশাক (আরএমজি) কারখানা পরিবেশবান্ধব ভবনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লিড সনদ অর্জন করেছে। এর মধ্যে দুটি কারখানা প্লাটিনাম, একটি গোল্ড এবং একটি সিলভার মানের সনদ পেয়েছে। নতুন চারটি কারখানা যুক্ত হওয়ায় দেশে লিড সনদপ্রাপ্ত পোশাক কারখানার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯০টিতে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল পরিবেশবান্ধব ও টেকসই ভবনের মানদণ্ড পূরণের ভিত্তিতে এই সনদ দেয়। জ্বালানি ও পানির দক্ষ ব্যবহার, কার্বন নিঃসরণ কমানো, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ভবনের অভ্যন্তরীণ পরিবেশের মান, টেকসই পরিচালন ব্যবস্থা, পরিবেশবান্ধব পরিচালনাসহ বিভিন্ন সূচকে মূল্যায়নের পর কারখানাগুলোকে সনদ দেওয়া হয়। অর্জিত নম্বরের ভিত্তিতে সার্টিফায়েড, সিলভার, গোল্ড ও প্লাটিনাম— এই চার স্তরে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
সবশেষ স্বীকৃতি পাওয়া কারখানাগুলোর মধ্যে চট্টগ্রামের নর্থ নাসিরাবাদ শিল্প এলাকার ক্যানভাস গার্মেন্টস প্রাইভেট ৯০ পয়েন্ট এবং গাজীপুরের ম্যাট্রিকস সোয়েটার্স ৮৮ পয়েন্ট অর্জন করে প্লাটিনাম সনদ পেয়েছে।
এ ছাড়া গাজীপুরের কালিয়াকৈরের করিম টেক্সটাইলস ৭৩ পয়েন্ট নিয়ে গোল্ড এবং ঢাকার ধামরাইয়ের করিম টেক্স ৫৩ পয়েন্ট নিয়ে সিলভার সনদ অর্জন করেছে। চারটি কারখানাই লিড অপারেশনস অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স রেটিং পদ্ধতির আওতায় বিদ্যমান ভবনের পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণে পরিবেশবান্ধব মানদণ্ড পূরণ করায় এ স্বীকৃতি পেয়েছে। এই রেটিংয়ে নতুন ভবনের নকশা নয়; বরং পরিচালনাধীন ভবনের বাস্তব পরিবেশগত কর্মদক্ষতা মূল্যায়ন করা হয়।
নতুন চারটি কারখানা যুক্ত হওয়ায় দেশে লিড সনদপ্রাপ্ত পোশাক কারখানার সংখ্যা বেড়ে ২৯০টি হয়েছে। এর মধ্যে ১২৫ প্লাটিনাম, ১৪৫ গোল্ড, ১৮ সিলভার এবং দুটি সার্টিফায়েড পর্যায়ের কারখানা রয়েছে।
পরিবেশবান্ধব শিল্পকারখানার বৈশ্বিক তালিকায়ও বাংলাদেশের অবস্থান উল্লেখযোগ্য। বর্তমানে বিশ্বের সর্বোচ্চ স্কোর পাওয়া শীর্ষ ১০০টি লিড সনদপ্রাপ্ত কারখানার মধ্যে ৫৩টিই বাংলাদেশের। পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা অর্জন এবং বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতেও এই স্বীকৃতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।




