টেকসই উন্নয়নে উচ্চশিক্ষার ভূমিকা নিয়ে জাকার্তায় আলোচনা

সংগৃহীত ছবি
ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তায় অনুষ্ঠিত গ্লোবাল সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট কংগ্রেস (জিএসডিসি) ২০২৬-এর একটি সেশনে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) বাস্তবায়নে অগ্রগতি তুলে ধরেছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান।
“ড্রাইভিং চেঞ্জ: হাউ সাউথ এশিয়ান হায়ার এডুকেশন পাওয়ারস দ্য এসডিজিস” শীর্ষক সেশনে তিনি দক্ষিণ এশিয়ার উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা, শিক্ষা, গবেষণা, উদ্ভাবন, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং সামাজিক প্রভাব সৃষ্টিতে ডিআইইউর বিভিন্ন উদ্যোগ ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। বিশেষভাবে তিনি যুবদের কর্মসংস্থানযোগ্যতা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং মানসম্মত শিক্ষা ও সমান সুযোগ নিশ্চিত করার বিষয়গুলো উল্লেখ করেন।
ড. মো. সবুর খান বলেন, ভবিষ্যৎ উপযোগী গ্র্যাজুয়েট তৈরি, উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা, গবেষণার কার্যকর ব্যবহার এবং টেকসই উন্নয়নে অংশীদারিত্ব গড়ে তোলায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সীমিত সম্পদের মধ্যেও নেতৃত্ব, প্রাতিষ্ঠানিক অঙ্গীকার, উদ্ভাবন এবং আন্তঃখাত সহযোগিতার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এসডিজি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। তাঁর ভাষ্য, শিক্ষাদান, গবেষণা, ক্যাম্পাস পরিচালনা এবং কমিউনিটি সম্পৃক্ততায় টেকসই উন্নয়নকে অন্তর্ভুক্ত করলে প্রকৃত সামাজিক প্রভাব তৈরি সম্ভব।
সেশনে তিনি ডিআইইউর এসডিজি ৪ (গুণগত শিক্ষা) এবং এসডিজি ১৭ (লক্ষ্যের জন্য অংশীদারিত্ব)-এ অবদানের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, মানসম্মত শিক্ষা বিস্তার, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ডিজিটাল উদ্ভাবন, আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ এবং টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে ডিআইইউ ধারাবাহিকভাবে বৈশ্বিক স্বীকৃতি অর্জন করছে
এই সেশনটি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে এসডিজি অর্জনকে ত্বরান্বিত করতে পারে এবং আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, স্থিতিশীল ও টেকসই ভবিষ্যৎ গঠনে ভূমিকা রাখতে পারে—সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময়ের একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে।




