বিকেএসপিতে ক্রীড়া চিকিৎসা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

বক্তব্য রাখছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-এর ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগের ব্যবস্থাপনায় ১৬ থেকে ১৮ জুন স্পোর্টস, এক্সারসাইজ মেডিসিন এন্ড রিহ্যাবিলিটেশন উইথ বেসিক লাইফ সাপোর্ট ট্রেনিং-২০২৬ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী বিশেষায়িত সেমিনার অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সেমিনারের উদ্বোধন করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। অনুষ্ঠানে বিকেএসপির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহ, ক্রীড়াবিজ্ঞান বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক কর্নেল মো. গোলাম মাবুদ হাসান, পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ড. লুৎফর রহমানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী তার খেলোয়াড়ি জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, খেলোয়াড়দের জন্য এ ধরনের কর্মশালা অত্যন্ত জরুরি ও সময়োপযোগী। তিনি সেমিনার থেকে অর্জিত জ্ঞান সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সেমিনারে ক্রীড়া, চিকিৎসা, ফিজিওথেরাপি, পুনর্বাসন ও প্রশিক্ষণ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ, বিভিন্ন শিক্ষা ও ক্রীড়া প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, প্রশিক্ষক এবং ক্রীড়াবিদরা অংশ নিচ্ছেন।
বর্তমান বিশ্বে ক্রীড়াবিদদের পারফরম্যান্স উন্নয়ন, আঘাত প্রতিরোধ, দ্রুত পুনর্বাসন এবং জরুরি চিকিৎসা সেবার গুরুত্ব বিবেচনায় সেমিনারে স্পোর্টস সায়েন্স ও বেসিক লাইফ সাপোর্ট (বিএলএস)-এর আধুনিক ও ব্যবহারিক দিকগুলো তুলে ধরা হচ্ছে। এতে আঘাত-পরবর্তী পুনর্বাসন, বৈজ্ঞানিক প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, আধুনিক চিকিৎসা প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ক্রীড়া চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার সাম্প্রতিক গবেষণা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে। দেশের অভিজ্ঞ রিসোর্স পারসনরা বিভিন্ন সেশন পরিচালনা করছেন।
সেমিনারের অংশ হিসেবে অংশগ্রহণকারীদের জন্য বেসিক লাইফ সাপোর্ট (বিএলএস)-এর তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এতে জরুরি পরিস্থিতিতে জীবনরক্ষাকারী প্রাথমিক চিকিৎসা, কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন (সিপিআর), স্বয়ংক্রিয় বহিরাগত ডিফিব্রিলেটর (এইডি) ব্যবহার, শ্বাসকষ্টজনিত জরুরি অবস্থা মোকাবিলা এবং আহত ব্যক্তিকে নিরাপদ সহায়তা প্রদানের কৌশল শেখানো হচ্ছে। প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারীদের এফএসি, সুইডেন কর্তৃক সনদ প্রদান করা হবে।
বিকেএসপি কর্তৃপক্ষ আশা করছে, এই সেমিনার ক্রীড়া চিকিৎসা ও পুনর্বাসন বিষয়ে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি দেশের ক্রীড়া অঙ্গনে আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা সেবা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।




