তরুণ ক্রিয়েটরদের মিলনমেলা রুচি বিউটিগ্রামের সমাপনী অনুষ্ঠিত

সংগৃহীত ছবি
বাংলাদেশের প্রকৃতি, সংস্কৃতি ও মানুষের গল্পকে সৃজনশীলভাবে তুলে ধরার আয়োজন ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’-এর সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। তিন দিনব্যাপী প্রদর্শনী শেষে ১৩ জুন ধানমন্ডির গ্যালারি চিত্রকে বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া এ আসরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের কনটেন্ট ক্রিয়েটররা অনলাইনের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেন। অল্প সময়ের মধ্যে জমা পড়ে ১২ হাজারের বেশি ছবি, ভিডিও ও গল্প। একাধিক ধাপের বাছাই, বিচারকদের মাস্টারক্লাস এবং নির্ধারিত টাস্ক সম্পন্ন করার পর চূড়ান্তভাবে ৫২টি ছবি, ১৮টি ভিডিও ও ২৫টি গল্প নির্বাচন করা হয়।
নির্বাচিত কাজগুলো নিয়ে ১১, ১২ ও ১৩ জুন ধানমন্ডির গ্যালারি চিত্রকে আয়োজন করা হয় ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’-এর প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান।
এবারের আসরে গল্প বিভাগে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন লেখক ও কার্টুনিস্ট আহসান হাবীব এবং ট্রাভেলার বাবর আলী। ছবি বিভাগে বিচারক ছিলেন সাইফুদ্দিন হাসান চন্দন ও শফিকুল আলম কিরণ। ভিডিও বিভাগে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন সিনেমাটোগ্রাফার রাশেদ জামান।
বিচারকদের মূল্যায়নের পাশাপাশি দর্শকদের ভোটের ভিত্তিতেও বিজয়ী নির্বাচন করা হয়। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শিত ছবি, ভিডিও ও গল্পে ভোট দেওয়ার সুযোগ পান দর্শকরা। এতে প্রতিযোগিতায় দর্শকদের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয় এবং আয়োজনটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
প্রদর্শনীর শেষ দিনে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের সিইও মো. পারভেজ সাইফুল ইসলাম, হেড অব মার্কেটিং ইমতিয়াজ ফিরোজ, প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বিচারকরা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা।
সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা উল্লেখ করেছেন, রুচি বিউটিগ্রামের মতো আয়োজন দেশের তরুণ প্রজন্মকে ভ্রমণ ও সৃজনশীল কনটেন্ট নির্মাণে উৎসাহিত করছে। ছবি, ভিডিও ও গল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশকে নতুনভাবে তুলে ধরার এ উদ্যোগ দেশের সৃজনশীল চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
মো. পারভেজ সাইফুল ইসলাম অংশগ্রহণকারী, দর্শক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তার ভাষ্য, এ ধরনের সৃজনশীল আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের সৌন্দর্য, সংস্কৃতি ও গল্প বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার প্রচেষ্টা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


