এনআরবিসি ব্যাংকের বরিশাল জোনের টাউন হল মিটিং অনুষ্ঠিত

সংগৃহীত ছবি
এনআরবিসি ব্যাংকের বরিশাল জোনের টাউন হল মিটিং-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার বরিশাল ক্লাবে আয়োজিত এ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানীয়া।
ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মো. তৌহিদুল আলম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান মো. নূরুল হক, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ, স্বতন্ত্র পরিচালক মো. আবুল বশর ও মো. আনোয়ার হোসেন এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চিফ বিজনেস অফিসার মো. শাহীন হাওলাদার। সভায় খুলনা ও বরিশাল জোনের প্রধান কৃষিবিদ মো. আবদুল হালিমসহ বরিশাল অঞ্চলের সব শাখা ও উপশাখার ব্যবস্থাপক এবং কর্মকর্তারা অংশ নেন।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আলী হোসেন প্রধানীয়া উল্লেখ করেন, ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ এনআরবিসি ব্যাংকে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ব্যাংকের সামগ্রিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ফরেনসিক অডিট কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
তিনি জানান, একটি টেকসই ব্যাংক গড়ে তুলতে সর্বস্তরে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংক হিসেবে এনআরবিসি ব্যাংক বর্তমানে বিভিন্ন সূচকে সমসাময়িক ব্যাংকগুলোর তুলনায় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে ব্যাংকের আমানত, পরিচালন আয় ও পরিচালন মুনাফা ধারাবাহিকভাবে ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জন করেছে। তবে সম্ভাবনার বিবেচনায় ব্যাংকটির আরও এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এজন্য ঋণ বিতরণ বৃদ্ধি, ঋণ আদায়ে তদারকি জোরদার এবং ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম সম্প্রসারণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি বাংলা কিউআর, ডিজিটাল ব্যাংকিং সেবা, বিশেষ করে নতুন ই-লোন সংক্রান্ত সেবা এবং রেমিট্যান্স সেবার প্রসার ঘটানোর ওপরেও তিনি জোর দেন।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মো. তৌহিদুল আলম খান তার বক্তৃতায় তুলে ধরেন যে, বরিশাল অঞ্চলের শাখা ও উপশাখাগুলোতে বিনা সুদ ও স্বল্প সুদের আমানত বৃদ্ধির উল্লেখযোগ্য সুযোগ রয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ক্ষুদ্র ও রিটেইল আমানতের ভিত্তি আরও শক্তিশালী করতে হবে। পাশাপাশি খেলাপি ঋণ আদায় নিশ্চিত করে ব্যাংকের মুনাফা বৃদ্ধির ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।
তিনি উল্লেখ করেন, সরকার ক্যাশলেস অর্থনীতি গড়তে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। ‘এক দেশ, এক কিউআর’ পদক্ষেপ হিসেবে ১ জুলাই থেকে বাংলা কিউআর বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একেবারেই ক্ষুদ্র চায়ের দোকানে এনআরবিসি ব্যাংকের পক্ষ থেকে বাংলা কিউআর প্রদানের মাধ্যমে ক্যাশলেস বাংলাদেশ গঠনে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে বলে তিনি আহ্বান জানান।




