করমুক্ত আয়সীমায় পাঁচ বছরের রোডম্যাপ

ফাইল ছবি
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য আয়করের সীমার ক্ষেত্রে পাঁচ বছর মেয়াদি রোডম্যাপ ঘোষণা করা হয়েছে। এর আওতায় ২০৩০-৩১ অর্থবছর নাগাদ করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে সাড়ে ৪ লাখ টাকা।
বাজেটটি পাস হলে করদাতারা তাদের ভবিষ্যৎ কর সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাবেন, যা দেশের করব্যবস্থাকে আরও অনুমানযোগ্য বা স্থিতিশীল করবে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি মূল্যস্ফীতির প্রভাব এই নতুন করসীমায় হয়তো পর্যাপ্তভাবে প্রতিফলিত হয়নি।
বিদ্যমান কাঠামো অনুযায়ী, ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকার করমুক্ত সীমার পর প্রথম ৩ লাখ টাকার ওপর ১০ শতাংশ কর দিতে হয়। এরপর পরবর্তী ৪ লাখ টাকায় ১৫, ৫ লাখ টাকায় ২০ এবং ২০ লাখ টাকায় ২৫ শতাংশ কর ধার্য করা আছে। অবশিষ্ট যেকোনো আয়ের ওপর ৩০ শতাংশ হারে কর দিতে হয়
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ ও আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবছরে করমুক্ত আয়ের সীমা ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মতো ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকাই থাকছে। এরপর ২০২৮-২৯ এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরের জন্য তা বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করা হবে। সবশেষে ২০৩০-৩১ অর্থবছরে এটি বেড়ে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকায় দাঁড়াবে। এর মাধ্যমে মূলত নির্ধারণ করে দেওয়া হলো আগামী পাঁচ বছরের জন্য করমুক্ত আয়সীমা।
গত বাজেটে অন্তর্বর্তী সরকার করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করেছিল। এই পরিবর্তনটি ২০২৬-২৭ করবর্ষ থেকে কার্যকর হওয়ার কথা, যা চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়ের ওপর প্রযোজ্য হবে।
বিদ্যমান কাঠামো অনুযায়ী, ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকার করমুক্ত সীমার পর প্রথম ৩ লাখ টাকার ওপর ১০ শতাংশ কর দিতে হয়। এরপর পরবর্তী ৪ লাখ টাকায় ১৫, ৫ লাখ টাকায় ২০ এবং ২০ লাখ টাকায় ২৫ শতাংশ কর ধার্য করা আছে। অবশিষ্ট যেকোনো আয়ের ওপর ৩০ শতাংশ হারে কর দিতে হয়। তবে আগামী করবর্ষ থেকে সর্বোচ্চ করহার হবে ৩৫ শতাংশ। এ ছাড়া কিছুটা ছাড় রাখা হয়েছে নারী, জ্যেষ্ঠ নাগরিক ও মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য কর প্রদানে।




