রিজার্ভ ৩৫৭৪ কোটি ডলার ছাড়াল
- ৪৩ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ

সংগৃহীত ছবি
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিয়ে চলছে নানা চড়াই-উতরাই। কখনো বাড়ছে, আবার কমছে কখনো। এর মধ্য দিয়ে বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ বেড়ে গতকাল সোমবার দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার বা ৩ হাজার ৫৭৪ কোটি ডলার, যা বিগত ৪৩ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ রেকর্ড। বাংলাদেশ ব্যাংকের থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে জানা গেছে, করোনার আগে ২০২০ সালে জানুয়ারি মাসে মোট রিজার্ভ ছিল ৩২ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু একই বছর মার্চ মাসে করোনার পর রিজার্ভ ঊর্ধ্বমুখী হয়ে ওঠে। মাত্র পাঁচ মাসে বেড়ে দাঁড়ায় ৩৬ দশমিক শূন্য ৬ বিলিয়ন ডলার। আর ২০২১ সালে করোনার দ্বিতীয় পর্যায়ে ভয়াবহ আকার ধারণ করলে রিজার্ভ তরতর করে আরও বাড়তে থাকে। আর আগস্ট মাসে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রিজার্ভের রেকর্ড সৃষ্টি হয় ৪৮ দশমিক শূন্য ৬ বিলিয়ন ডলার।
এডিবির ১০০ কোটি ডলার বাজেট সহায়তা ছাড়ে রিজার্ভ বেড়েছে
পরের বছর জুনে কমে হয় ৪১ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন ডলার। রিজার্ভ কমতে কমতে ২০২৩ সালের অক্টোবরে হয় ৩৫ দশমিক ৮১ বিলিয়ন ডলার। তা ২০২৪ সালে মে মাসে রিজার্ভ দাঁড়ায় ২৪ দশমিক ১৬ বিলিয়ন ডলার। এর নিচে আর নামতে দেখা যায়নি। বরং জুন মাস থেকে রিজার্ভ বাড়তে থাকে, যা ২০২৫ সালের জুনে হয় ২৯ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার। চলতি ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে রিজার্ভ হয় ৩৩ দশমিক ১৮ বিলিয়ন ডলার। মে মাসে দাঁড়ায় ৩৫ দশমিক ৩৩ বিলিয়নে। সবশেষে গতকাল সোমবার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার। মূলত এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বাংলাদেশের জন্য বাজেট সহায়তা বাবদ ১০০ কোটি বা ১ বিলিয়ন ডলার ছাড় করায় রিজার্ভ বেড়েছে।
এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ২২ জুন পর্যন্ত দেশে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ৩৪ বিলিয়ন ডলার।




