বেসরকারি বিনিয়োগের লক্ষ্য কমায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে শঙ্কা সিপিডির

সিপিডি আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। ছবি : আগামীর সময়
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে বেসরকারি বিনিয়োগের লক্ষ্য কম নির্ধারণ করা হয়েছে। বেসরকারি বিনিয়োগ কম হলে কারখানা ও নতুন করে উৎপাদন হবে না। এতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হওয়ার পথ সংকীর্ণ হবে। যা সরকারের নতুন করে ১০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি নিয়ে নানা শঙ্কার জন্ম দিয়েছে।
আজ রবিবার রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘জাতীয় বাজেট সংলাপ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেছেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক বলেছেন, এডিপির বরাদ্দ উচ্চ। ৬৩ শতাংশ বরাদ্দ বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে। কিন্তু বাস্তবায়ন হার একেবারে কম হয়। প্রকল্প ব্যর্থ হয় দুর্নীতির কারণে। খাতভিত্তিক বাস্তবায়ন মনিটরিং করা উচিত। যা নিয়ে সংসদে আলোচনা করা জরুরি।
‘শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বেড়েছে। কিন্তু কৃষি খাতে বরাদ্দ কম। যা খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে বাধা সৃষ্টি করবে। এমনকি একটা সময়ে খাদ্য উৎপাদনে ঝুঁকি বাড়াতে পারে’, বাজেটের কিছু খাত নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক।
ড. ফাহমিদা খাতুন বলছিলেন, সরকারের আয় কিন্তু জনগণের জন্য ব্যয় হয়। সেখানে এডিপি পুরোপুরি বাস্তবায়ন না হলে রাজস্ব কমবে। কর্মসংস্থান কমবে। সুতরাং বাজেট বাস্তবায়নের ওপর দেশের প্রবৃদ্ধি নির্ভর করে।
‘ডিজিটাল অর্থনীতি শক্তিশালী করতে বাজেটে নানা কথা বলা হয়েছে। কিন্তু ইনক্লুশন নিয়ে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের ঘাটতি রয়েছে’, যোগ করেন ফাহমিদা খাতুন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আব্দুর রহিম সাকি, অর্থনীতিবিদ হোসেন জিল্লুর রহমান, বিজিএমইএ সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট এনামুল হক, শ্রমিক নেতা অ্যাডভোকেট মন্টু দাস প্রমুখ।




