যুবদল নেতা জহিরুল হত্যায় তিন দিন পর মামলা, আসামি ২১

নিহত যুবদল নেতা ফকির জহিরুল ইসলাম
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতা ফকির জহিরুল ইসলামকে (৪৮) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় তিন দিন পর মামলা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় নিহতের ভাগনে ইসমাঈল হোসেন বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় মামলাটি করেন। মামলায় আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রিজভীকে প্রধান আসামি করে ২১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার আসামিরা আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী এবং খালিয়ারচর গ্রামের বাসিন্দা।
এর আগে গত বুধবার রাতে সোনারগাঁ উপজেলার শম্ভুপুরা ইউনিয়নের চরকিশোরগঞ্জ এলাকায় ফকির জহিরুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ছিলেন। ইউনিয়নের খালিয়ারচর গ্রামের মোহাম্মদ আব্দুর রহমান বেপারীর ছেলে।
মামলার বাদী ইসমাঈল হোসেনের ভাষ্য, আসন্ন কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ায় জহিরুলকে প্রার্থিতা থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য বিভিন্ন সময়ে হুমকি দিয়েছিলেন আসামিরা। বুধবার রাতে ওষুধের দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে জহিরুলের পথরোধ করেন রিজভীর নেতৃত্বে ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল। তারা জহিরুলকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ফেলে রেখে যান। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে সোনারগাঁ থানার ওসি মুহাম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, যুবদল নেতা হত্যার ঘটনায় ২১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। এজাহারভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।




