সব সম্প্রদায়ের উন্নয়নেই সমৃদ্ধ হবে পার্বত্য চট্টগ্রাম: মীর হেলাল

পার্বত্য চট্টগ্রামের সব জনগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও সম্প্রীতি বজায় রেখে এ অঞ্চলকে দেশের অন্যতম সমৃদ্ধ অঞ্চল হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।
তিনি বলেন, সব সম্প্রদায়ের জীবনমানের বৈপ্লবিক পরিবর্তন ও উন্নয়ন সাধনই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘রংধনু জাতি’ গঠনের মূল কনসেপ্ট।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বান্দরবানে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সম্মেলন কক্ষে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ও স্থানীয় নারীদের মধ্যে সেলাই মেশিন এবং কৃষকদের মধ্যে পাওয়ার টিলার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মীর হেলাল বলেন, ‘সরকার সব জনগোষ্ঠীর মানুষের সার্বিক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি চায়। পার্বত্য চট্টগ্রামের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সারা দেশে এবং পার্বত্য অঞ্চলে সমন্বিত ও সার্বিক উন্নয়নকাজ চলমান রয়েছে। আমাদের সকল শিল্প-সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও আচার-রীতি সংরক্ষণ করে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে হবে। একই সঙ্গে সুবিধাবঞ্চিত সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের জীবনমানের উন্নতিসাধনই এই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।’
তিনি আরও বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি করে এর অসীম সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে ১৫টি পাওয়ার টিলার, নারীদের স্বাবলম্বী করার উদ্দেশ্যে সেলাই মেশিন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাল্টিমিডিয়া সরঞ্জাম হস্তান্তর করা হয়।
এর আগে প্রতিমন্ত্রী বান্দরবান এমডিসিএস হাসপাতালের নতুন ভবনের উদ্বোধন, হাসপাতালটির ভবন সম্প্রসারণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং বান্দরবান ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের ছাত্রাবাস ভবনের উদ্বোধন করেন। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন চলমান উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন।
পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সেনাবাহিনীর বান্দরবান রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ আহাম্মদ, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া এবং বান্দরবান ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল মোহাম্মদ কামরুল হাসান খান। এ সময় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, সেনাবাহিনী ও সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।






