পবিপ্রবির ২২ শিক্ষক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভ্যানচালককে মারধরের মামলা

সংগৃহীত ছবি
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ২২ জন শিক্ষক ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভ্যানচালককে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে হয়েছে মামলা। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছে পটুয়াখালী পিবিআইকে।
মামলার বাদী দুমকি উপজেলার পীরতলা বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মো. বশির উদ্দিন। বুধবার পটুয়াখালীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (দুমকি) আমলী আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। বৃহস্পতিবার আদালতের বিচারক আবু বকর মামলাটি সিআর মামলা হিসেবে গ্রহণ করে নির্দেশ দেন তদন্তের।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পটুয়াখালী আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও বাদীপক্ষের আইনজীবী এ টি এম মোজাম্মেল হোসেন তপন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১১ মে সকাল ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটকের সামনে ভ্যানচালক আইয়ুব আলীকে লোহার রড ও জিআই পাইপ দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। এ সময় ভ্যানে থাকা প্রায় এক লাখ টাকার মালামালও নষ্ট করা হয়েছে বলে করা হয় অভিযোগ।
আসামিদের মধ্যে নাম রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিকিউরিটি অফিসার মো. মুকিত, ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন বিভাগের কর্মকর্তা মো. মহিবুল কবির, সহকারী রেজিস্ট্রার রিয়াজ কাওছার শহীদ, সেকশন অফিসার শাহাদত হোসেন নাঈম, কীটতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক মো. আতিকুর রহমান, মৃত্তিকা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এ বি এম সাইফুল ইসলাম, ইকোনমিক্স অ্যান্ড সোশিওলজি বিভাগের অধ্যাপক আবুল বশার খান, এনিম্যাল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক মো. শাহাবুদ্দিন আলম, পোলট্রি সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক স্বপন কৌঁজারী, ডেপুটি রেজিস্ট্রার আবু বকর সিদ্দিক ও রাহাত মাহমুদসহ আরও অনেকে।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনকারীদের কয়েকজন দাবি করেছেন, উপাচার্য ড. কাজী মো. রফিকুল ইসলামের অপসারণ দাবিতে চলমান আন্দোলনের সময় হামলার ঘটনায় প্রশাসনের করা মামলার পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবেই দায়ের করা হয়েছে এ মামলা। তাদের ভাষ্য, মামলাটি সাজানো ও ভিত্তিহীন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাওয়া যায়নি কোনো বক্তব্য।




