সরাইল
ইটের সুরকি বসিয়ে বন্ধ সড়কের কাজ, বিপাকে ২০ হাজার মানুষ

ছবি: আগামীর সময়
স্বাধীনতার পর থেকে কাঁচা সড়কে চলাচল করে আসছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের শাহজাদাপুর ইউনিয়নের শাহজাদাপুর, ধাউরিয়া ও নিয়ামতপুর গ্রামের প্রায় ২০ হাজার মানুষ। দীর্ঘ অপেক্ষার পর ২০২৪ সালে সড়কটি পাকাকরণের কাজ শুরু হলেও মাঝপথে তা বন্ধ হয়ে গেছে। এতে পুরনো দুর্ভোগ ফিরে আসার আশঙ্কায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী দ্রুত কাজ শেষ করার দাবি জানিয়েছেন।
স্থানীয়রা জানিয়েছে, প্রায় ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ মলাইশ-শাহজাদাপুর সড়কটি পাকাকরণের দাবি তারা দীর্ঘদিন ধরে জানিয়ে আসছেন। বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি জমে সড়কটি কাদা-পানিতে একাকার হয়ে যেত। এতে সিএনজিচালিত অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন আটকে পড়ত। অনেক সময় যাত্রীদের নেমে গাড়ি ঠেলে নিতে হতো।
জানা গেছে, ২০২৪ সালে মেসার্স হাসান এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সড়কটির নির্মাণকাজ শুরু করে। সর্বশেষ ২০২৫ সালের মে মাসে সড়কে ইটের সুরকি বসানোর কাজ শেষ করা হয়। এরপর থেকে আর কোনো উন্নয়নকাজ হয়নি।
সরাইল উপজেলা এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে সড়কটির নির্মাণকাজের চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি কাজ অসম্পূর্ণ রেখেই আংশিক বিল উত্তোলন করেছে এবং নির্মাণসামগ্রী সরিয়ে নিয়েছে।
নেশার টাকা জোগাড় করতে ৪ মাসের ভাগিনাকে ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি, মামা গ্রেপ্তার
০৫ অক্টোবর ২০২৬
সরেজমিন দেখা গেছে, যানবাহনের চাপে সড়কের ইটের সুরকি গুঁড়ো হয়ে ধুলায় পরিণত হচ্ছে। সামান্য বাতাসেই সেই ধুলো পথচারীদের চোখে-মুখে পড়ছে। এ ছাড়া যানবাহনের চাপে সড়কের বিভিন্ন স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।
শাহজাদাপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শেখ মো. জুয়েল জানিয়েছেন, যুগ যুগের অপেক্ষা ও ভোগান্তির পর সড়কটির পাকাকরণের কাজ শুরু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছিল। কিন্তু কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তারা হতাশ ও ক্ষুব্ধ। দ্রুত কার্পেটিংয়ের কাজ শেষ না হলে ইটের সুরকি উঠে সড়কটি আবারও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়বে।
সরাইল উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. ছিবগাতউল্লাহ খন্দকার জানিয়েছেন, ঠিকাদারের সঙ্গে নির্বাহী প্রকৌশলীর কথা হয়েছে। শিগগিরই সড়কটির নির্মাণকাজ শেষ করা হবে।




