ভূমিমন্ত্রী
রাজশাহী কলেজ বিশ্বজুড়ে গৌরবের প্রতীক

ছবি: আগামীর সময়
রাজশাহী কলেজকে ‘মায়ের মতো’ আখ্যায়িত করে ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বলেছেন, ‘এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শুধু বাংলাদেশ বা উপমহাদেশেই নয়, বিশ্বজুড়ে সম্মান ও গৌরবের প্রতীক। রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থী হওয়া অত্যন্ত গর্বের বিষয়। তাই এ প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা ও ঐতিহ্য রক্ষা করা সবার দায়িত্ব।’
আজ রাজশাহী কলেজ অডিটোরিয়ামে রাজশাহী কলেজ ও রাজশাহী কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে আয়োজিত ২০২৫ ব্যাচের কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন।
ভূমিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, যে জাতি বা প্রতিষ্ঠান তার কৃতী সন্তানদের যথাযথ স্বীকৃতি ও সম্মান দিতে পারে না, তারা কখনো উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে পারে না। তিনি শিক্ষার্থীদের মেধার স্বাক্ষর বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরে সাফল্যের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর পাশাপাশি দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।
বক্তব্যে তিনি রাজশাহী কলেজের ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও গৌরবময় অবদানের কথা তুলে ধরেন। তার ভাষ্য, এ প্রতিষ্ঠান থেকে বের হওয়া অসংখ্য কৃতী ব্যক্তি দেশের নেতৃত্ব ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়ে মন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতে রাজশাহী কলেজে একটি আধুনিক একাডেমিক ভবন ও নতুন অডিটোরিয়াম নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি নারী শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধা বাড়াতে রানী হেমন্ত কুমারী হিন্দু ছাত্রাবাস সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। কলেজের খেলার মাঠ আধুনিকায়ন এবং অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের তহবিলে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার আশ্বাসও দেন তিনি।
রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. ইব্রাহিম আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট মো. এরশাদ আলী ঈশা, কলেজের উপাধ্যক্ষ আবু মো. ইউনুছ আলী, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. হাবিবুর রহমান, রাজশাহী কলেজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি চৌধুরী সাইদুর রহমান কোয়েল এবং সাধারণ সম্পাদক ডা. তাহসিনা শামীম তাসু।
এছাড়া বিভিন্ন কলেজের অধ্যক্ষ, শিক্ষক, সরকারি কর্মকর্তা, অভিভাবক, সুধীজন ও গণমাধ্যমকর্মীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে ২০২৫ ব্যাচের ৩৪২ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে ৮১ জন বিভিন্ন মেডিকেল কলেজে, ৬৬ জন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে, ২০ জন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং ১৭৫ জন বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন।






