Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
গরিবের চিকিৎসায় নিবেদিত হাফিজুর
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

‘আমাগো দুঃখ কোনোদিন শেষ হইব না’

জামালপুর প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৪৬
‘আমাগো দুঃখ কোনোদিন শেষ হইব না’

ইট ভেঙে জীবিকা নির্বাহ করছেন পুষ্প রায়, ছবি : আগামীর সময়

বয়স ৬০ বছর। প্রায় ৩০ বছর ধরে ইট ভেঙে জীবিকা নির্বাহ করছেন পুষ্প রায়। বয়সের ভারে শরীর নুয়ে পড়েছেন, স্বামীও আর কাজ করতে পারেন না। নিজের জমিজমা নেই। পরের জমিতে ছোট একটি ঘরে থাকেন স্বামী নেপাল চন্দ্র রায়ের সঙ্গে। প্রতিদিন কাজ করে আয় করেন ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। কাজ না থাকলে সেই আয়ও হয় না। তবু সংসারের প্রয়োজন মেটাতে প্রতিদিন ইটের স্তূপের পাশে বসতে হয় তাকে।

গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জামালপুরের হাজরাবাড়ি পৌরসভার কাড়ইচড়া এলাকায় ইট ভাঙছিলেন পুষ্প। তীব্র রোদের মধ্যেও থামেনি তার হাতুড়ি। একটি ইট ভেঙে টুকরো করার পর সামনে টেনে নেন আরেকটি। এভাবেই কেটে যাচ্ছে তার দিনের পর দিন।

পুষ্প জানান, প্রায় ৩০ বছর আগে ইট ভাঙার কাজ শুরু করেন তিনি। তখন প্রতি সেফটিতে মজুরি পেতেন ৫০ পয়সা। বর্তমানে প্রতি সেফটির মজুরি ৬০ টাকা। তবে মজুরি বাড়লেও সংসারে স্বচ্ছলতা আসেনি। দিনে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা আয় হয়। এ আয় দিয়েই খাবারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ চালাতে হয়। সব দিন কাজও পাওয়া যায় না।


আরও পড়ুন

হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ২ শিশুর, আক্রান্ত ১৩৪৩

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পুষ্প রায় বলেন, ‘জীবনডা খুব কষ্টে চলে। আমাগো দেখার কেউ নাই। সরকার থেইকা কোনোদিন কোনো সাহায্য-সহযোগিতাও পাই নাই। নিজের কোনো জমিজমাও নাই। পরের জমিতে ছোট্ট একটা ঘরে স্বামী নেপাল চন্দ্র রায়ের লগে থাকি। তারও বয়স হইয়া যাওয়ায় এখন আর কাম করতে পারে না। আমাগো এক পোলা আর এক মাইয়া। দুইজনেরই বিয়া হইছে, তারা যার যার সংসার নিয়া আলাদা থাকে। আমাগো দুঃখ কোনোদিনও শেষ হইব না। মরার আগ পর্যন্ত এই দুঃখ থাইক্যাই যাইব।’

পুষ্পের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ইট ভাঙার কাজ করলেও জীবনের শেষ সময়ে এসে তার আর্থিক অবস্থার তেমন পরিবর্তন হয়নি। বয়স বাড়লেও কাজের প্রয়োজন কমেনি। বরং স্বামী কাজ করতে না পারায় সংসারের দায়িত্ব আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।

দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলে রোদের তেজ কিছুটা কমে আসে। তখনও ইট ভাঙার কাজে ব্যস্ত থাকেন পুষ্প। দিনের কাজ শেষে যে সামান্য মজুরি হাতে পান, তা দিয়েই পরের দিনের খাবার ও সংসারের প্রয়োজনের হিসাব মেলাতে হয়। বিশ্রামের বয়সে এসেও তাই কাজ থামানোর সুযোগ নেই তার।

পুষ্পের চাওয়া খুব বেশি নয়। দুইবেলা খাবার, মাথা গোঁজার নিরাপদ একটি জায়গা এবং জীবনের শেষ সময়ে কিছুটা স্বস্তি। প্রায় তিন দশক ধরে ইট ভাঙার পরও সেই নিশ্চয়তা তার জীবনে আসেনি।

    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    বিদেশি ফার্নিচার ও কর্মকর্তাদের সম্মানী নিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

    বিদেশি ফার্নিচার ও কর্মকর্তাদের সম্মানী নিয়ে ক্ষোভ ঝাড়লেন প্রধানমন্ত্রী

    ‘হেসে কথা বলল, পরদিন শুনি আইসিইউতে’

    ‘হেসে কথা বলল, পরদিন শুনি আইসিইউতে’

    নতুন দুজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাবের দাবি উল্টে দিল ডিবি

    নতুন দুজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাবের দাবি উল্টে দিল ডিবি

    প্রতিদিন কোটি টাকার কলা বিক্রি হয় যে হাটে

    প্রতিদিন কোটি টাকার কলা বিক্রি হয় যে হাটে

    বদলে যাচ্ছে জাতীয় ক্রিকেট লিগ

    বদলে যাচ্ছে জাতীয় ক্রিকেট লিগ

    গ্যাসে সাময়িক স্বস্তি, বেড়েছে লোডশেডিং

    গ্যাসে সাময়িক স্বস্তি, বেড়েছে লোডশেডিং

    গেটে জং ধরা তালা, কাঁটাতার সরিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এমপি

    গেটে জং ধরা তালা, কাঁটাতার সরিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এমপি

    নিগারের ঘোষণায় অস্থিরতা তারপরও ক্রিকেটে চোখ

    নিগারের ঘোষণায় অস্থিরতা তারপরও ক্রিকেটে চোখ

    পলাতক কর্মকর্তাদের কাছে তথ্য পাচারে ২০০ পুলিশ!

    পলাতক কর্মকর্তাদের কাছে তথ্য পাচারে ২০০ পুলিশ!

    হামের ধকল থেকে অপুষ্টির কবলে ৭ মাসের আয়ান

    হামের ধকল থেকে অপুষ্টির কবলে ৭ মাসের আয়ান

    গ্যাস বাড়তেই শিল্পে উৎপাদন ৭০ শতাংশ

    গ্যাস বাড়তেই শিল্পে উৎপাদন ৭০ শতাংশ

    গরিবের চিকিৎসায় নিবেদিত হাফিজুর

    গরিবের চিকিৎসায় নিবেদিত হাফিজুর

    ৩৬ বছর ধরে মাটিতে স্বপ্ন আঁকছেন কিশোর

    ৩৬ বছর ধরে মাটিতে স্বপ্ন আঁকছেন কিশোর

    ১০ লাখ কোটির রূপরেখা

    ১০ লাখ কোটির রূপরেখা

    জিপিএ ৫ পেয়েও কলেজে মনোনয়ন পায়নি ২২০৫ শিক্ষার্থী

    জিপিএ ৫ পেয়েও কলেজে মনোনয়ন পায়নি ২২০৫ শিক্ষার্থী