Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
প্রজন্মকে বইয়ে ফেরাচ্ছেন খালিক উদ্দিন
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

রৌমারী

ভাঙন ঠেকাতে বাঁশের বান্ডেল নির্মাণ এলাকাবাসীর

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ০১ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৫৭
ভাঙন ঠেকাতে বাঁশের বান্ডেল নির্মাণ এলাকাবাসীর

ছবি: আগামীর সময়

কুড়িগ্রামের রৌমারীর ৪ নম্বর সদর ইউনিয়নের বড়াইবাড়ী এলাকায় ধরণী নদীর ভয়াবহ ভাঙন রোধে স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের বান্ডেল নির্মাণ করেছেন এলাকাবাসী।

এক সপ্তাহ ধরে নদীর ঝুঁকিপূর্ণ অংশে এই কার্যক্রম চলছে। তবে সাময়িকভাবে ভাঙন নিয়ন্ত্রণে এলেও স্থায়ী সমাধানের জন্য দ্রুত নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সরেজমিন দেখা যায় এসব চিত্র।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুকনো মৌসুমে এ অঞ্চলের মানুষের কৃষি ও জীবিকার অন্যতম প্রধান অবলম্বন। নদীর দুই তীরজুড়ে আমন, সরিষা, মাসকলাই ও ভুট্টার আবাদ হয়। কিন্তু বর্ষা মৌসুমে ভারতীয় পাহাড়ি ঢল ও প্রবল স্রোতের কারণে প্রতি বছর নদীভাঙনে বিলীন হয়ে যায় ফসলি জমি, বসতবাড়ি ও গাছপালা। এতে বছরের পর বছর নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন শত শত পরিবার।

এদিকে দ্রুত স্থায়ী নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণ না হলে আগামী বর্ষায় বড়াইবাড়ি এলাকার বিস্তীর্ণ জনপদ, ফসলি জমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো আবারও নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙন চললেও কার্যকর কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। বাধ্য হয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ফারুক আহমেদের উদ্যোগে এবং এলাকাবাসীর অর্থ, বাঁশ ও স্বেচ্ছাশ্রমের সহযোগিতায় প্রায় ৬০০ মিটার এলাকাজুড়ে সাতটি বাঁশের বান্ডেল নির্মাণ করা হচ্ছে। এর ফলে চলতি বছর আপাতত নদীর ভাঙন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

আরও পড়ুন

লোকালয় থেকে ছাগল ধরে খেল সুন্দরবনের কুমির, ভিডিও ভাইরাল

০১ আগস্ট ২০২৬

স্থানীয় বাসিন্দা আবু জাফর আলী বলেন, গত এক বছরে কয়েক একর ফসলি জমি, ঘরবাড়ি ও গাছপালা নদীগর্ভে চলে গেছে। পরে সবাই মিলে বাঁশের বান্ডেল নির্মাণ করার পর আপাতত ভাঙন থেমেছে।

একই এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ আলী বললেন, স্বেচ্ছাশ্রমে বান্ডেল নির্মাণ করায় এবার আমরা নদীভাঙনের হাত থেকে কিছুটা রক্ষা পেয়েছি। তবে স্থায়ীভাবে রক্ষা পেতে সরকারের উদ্যোগে টেকসই বাঁধ নির্মাণ জরুরি।

উদ্যোক্তা ফারুক আহমেদের ভাষ্য, আমাদের বাপ-দাদার প্রায় সাত একর জমি ছিল। নদীভাঙতে ভাঙতে এখন শুধু বসতভিটা টিকে আছে। এ বছর বাঁশের বান্ডেল দেওয়ার পর ভাঙন হয়নি। কিন্তু স্থায়ী বাঁধ না থাকায় বড়াইবাড়ির প্রায় ২০০ পরিবারের দুই হাজার মানুষ এখনো ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।

তিনি যোগ করেন, নদীভাঙনের হুমকিতে রয়েছে স্থানীয় বাজার, একটি মসজিদ, একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বড়াইবাড়ি বিজিবি ক্যাম্প, ঈদগাহ মাঠ এবং কবরস্থান।

ইউপি সদস্য ফিরোজ আহমেদ জানালেন, ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের প্রবল পানির চাপ মোকাবিলায় স্থায়ী নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণের বিকল্প নেই। তবে এলাকাবাসীর উদ্যোগে নির্মিত বাঁশের বান্ডেল এ বছর নদীর আগ্রাসন থেকে অনেকটাই রক্ষা করেছে।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

রৌমারীভাঙনবাঁশের বান্ডেল
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    কমিউনিটি ক্লিনিক ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’

    কমিউনিটি ক্লিনিক ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’

    জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

    জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

    থাইল্যান্ড হতে পারে বাংলাদেশিদের ব্যবসার উর্বরভূমি

    থাইল্যান্ড হতে পারে বাংলাদেশিদের ব্যবসার উর্বরভূমি

    আয়াস-রিমির শুনানিতে আদালতে হট্টগোল-হাতাহাতি, এজলাস ছাড়লেন বিচারক

    আয়াস-রিমির শুনানিতে আদালতে হট্টগোল-হাতাহাতি, এজলাস ছাড়লেন বিচারক

    মামুনুর রশীদের পৈতৃক বাড়িতে দুর্বৃত্তের হানা, তছনছ আসবাব

    মামুনুর রশীদের পৈতৃক বাড়িতে দুর্বৃত্তের হানা, তছনছ আসবাব

    দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১১ দিনের ছুটি পাচ্ছেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

    দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১১ দিনের ছুটি পাচ্ছেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

    মানিকগঞ্জের অতীত, বর্তমানের সংকট ও ভবিষ্যতের উন্নয়ন নিয়ে কিছু কথা

    মানিকগঞ্জের অতীত, বর্তমানের সংকট ও ভবিষ্যতের উন্নয়ন নিয়ে কিছু কথা

    দেশের একমাত্র রেলপথ যেখানে চলন্ত ট্রেনে মানুষ ওঠেন, নামেন

    দেশের একমাত্র রেলপথ যেখানে চলন্ত ট্রেনে মানুষ ওঠেন, নামেন

    আবুধাবিতে মা-ছেলের মৃত্যু : যাবার আগে বন্ধুদের জাগিয়ে গেল মায়াবতী

    আবুধাবিতে মা-ছেলের মৃত্যু : যাবার আগে বন্ধুদের জাগিয়ে গেল মায়াবতী

    গড়াই নদে হবে ‘শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু’,  ব্যয় ২৫০-৩০০ কোটি

    গড়াই নদে হবে ‘শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু’, ব্যয় ২৫০-৩০০ কোটি

    সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি সরিয়ে দেয়ালে রোকেয়া, জসীমউদ্‌দীন ও জীবনানন্দ

    সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি সরিয়ে দেয়ালে রোকেয়া, জসীমউদ্‌দীন ও জীবনানন্দ

    টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে ১৯ ইউনিট

    টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে ১৯ ইউনিট

    বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

    বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

    এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট প্রত্যাহার না করলে কঠোর ব্যবস্থা

    এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘট প্রত্যাহার না করলে কঠোর ব্যবস্থা

    ‘ওরা আমাকে বেচে দিয়েছে’, বিগ বসের ঘরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মনামী

    ‘ওরা আমাকে বেচে দিয়েছে’, বিগ বসের ঘরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন মনামী