ত্রাণমন্ত্রী
সমালোচনা হলেই সংশোধন হওয়ার সুযোগ থাকে

সংগৃহীত ছবি
আমরা যদি সমালোচনাকে ভয় পাই, তাহলে নিজেকে সংশোধন করব কীভাবে? সমালোচনা হলেই সংশোধন হওয়ার সুযোগ থাকে। এমনই মন্তব্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বললেন, আপনাদের কাছে নিউজ আসার সঙ্গে সঙ্গে তাৎক্ষণিক যাচাই-বাছাই না করে প্রকাশ করবেন না। যত বেশি যাচাই-বাছাই করবেন সংবাদের গুরুত্বটা জনগণের কাছে তত বেশি হবে। সমাজের দর্পণ আপনারা।
‘আমি ছাত্রজীবনে সাংবাদিক ছিলাম। দুইটা দৈনিকে কাজ করেছি। বড় বড় ফিচার লিখতাম সেই সময়। কিন্তু কালের বিবর্তনে ব্যস্ততার কারণে আর পারি নাই’— যোগ করেন ত্রাণমন্ত্রী।
রবিবার (১০ মে) বিকেলে কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাব আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে তিনি জেলা সদরের হলোখানা ইউনিয়নে দাশেরহাটের ছড়াসংলগ্ন দুই কিলোমিটার দীর্ঘ খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
সেখানে মন্ত্রী জানালেন, ‘দেশের হাওর ও উত্তরাঞ্চলে বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র বাড়ানোর পাশাপাশি বজ্রপাত নিরোধক যন্ত্র বসিয়ে বজ্র-আশ্রয়কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। গত ২-৩ বছরে বজ্রপাতে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটেছে। আমরা এসব অঞ্চলে আশ্রয়কেন্দ্র করে দিব এবং সেখানে বজ্রনিরোধক দণ্ড স্থাপন করে দেব, যাতে মানুষের প্রাণহানি না ঘটে।’
আসাদুল হাবিব দুলুর মন্তব্য, ‘খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। খালের পানি দিয়ে কৃষকরা শুকনা মৌসুমে চাষাবাদ করতে পারবেন। খালের পানি ব্যবহার করে কৃষিকাজ সম্প্রসারণ করা যাবে, একই সঙ্গে মাছ চাষও করা যাবে। খালের দুই ধারে বনায়ন করা হলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে এবং তা হবে দৃষ্টিনন্দন।’
জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোস্তফিজার রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমান হাসিব ও শফিকুল ইসলাম বেবুসহ স্থানীয় নেতারা।




