বগুড়ার ৩ উপজেলায় ঈদুল আজহা উদযাপন

বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগাম পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপন করেছেন মুসল্লিরা। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৭টায় গাবতলী রেলস্টেশনসংলগ্ন রেলওয়ে জামে মসজিদে প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয়দের পাশাপাশি বগুড়ার সোনাতলা ও ধুনট উপজেলার কয়েকটি স্থানেও আগাম ঈদের জামাতের খবর পাওয়া গেছে।
গাবতলীর ঈদের জামাতে ইমামতি করেন স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমান। তিনি পেশায় একজন দর্জি। ২০১২ সাল থেকে তিনি সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করে আসছেন।
তিনি বলেছেন, তিনি কোনো মসজিদের খতিব নন, টেইলারিংয়ের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন এবং পাশাপাশি দ্বীনি জ্ঞানচর্চা করেন। তার ভাষ্য, বিশ্ব জুড়ে চাঁদ একটাই এবং প্রযুক্তির যুগে সৌদি আরবে চাঁদ দেখা গেলে তার খবর দ্রুতই অন্য দেশে পৌঁছে যায়। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই তারিখ বিভেদের কারণে শবে কদর ও আরাফাতের সিয়ামের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়, তাই তারা রাসুল (সা.)-এর সুন্নাহ অনুসরণ করেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গাবতলীতে এটি চতুর্থবারের মতো আগাম ঈদ উদযাপন। বৈরী আবহাওয়ার কারণে এবার মসজিদের ভেতরে নির্ধারিত সময়ের কিছুটা পরে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। ভোর থেকে ঝড়-বৃষ্টি থাকায় মুসল্লিদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম ছিল।
নারী ও শিশুসহ অর্ধশতাধিক মুসল্লি এই জামাতে অংশ নেন। নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অন্যের সঙ্গে কোলাকুলি ও ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। গাবতলী ছাড়াও পাশের কাহালু ও ধুনট উপজেলা থেকে কয়েকজন মুসল্লি এই জামাতে অংশ নিতে আসেন।
ধুনট থেকে আসা মুসল্লি আব্দুস সালাম বলেছেন, সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে তারা আরাফাতের দিনে সিয়াম পালন করেছেন এবং পরদিন ঈদুল আজহা উদযাপন করছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ঈদের নামাজ শেষে তারা নিজ নিজ বাড়িতে কোরবানি সম্পন্ন করবেন।







