গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করতেই খাল খনন: ত্রাণমন্ত্রী

সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। ছবি: আগামীর সময়।
গ্রামীণ অর্থনীতিকে স্বাবলম্বী করা, পানি সংরক্ষণ বৃদ্ধি এবং মৎস্যসম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যেই খাল খনন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
বুধবার বিকেলে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার গাজীখালী নদীর সংযোগ থেকে চন্দ্রখালী খাল খনন কার্যক্রম পরিদর্শন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেছেন, ‘গ্রামীণ অর্থনীতিকে স্বাবলম্বী করার অভিপ্রায়ে খাল খনন করা হচ্ছে। খালের পাড়ে গাছ লাগানো হবে, খালে মাছ ছাড়া হবে। ঐতিহাসিক যে প্রবাদ রয়েছে, ‘মাছে-ভাতে বাঙালি’, সেটাকে আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও বলেছেন, ‘খাল কাটার মূল উদ্দেশ্য হলো সারফেস ওয়াটারের সংকট মোকাবিলা করা। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রথম যখন খাল কাটা কর্মসূচি শুরু করেন, তখন তার লক্ষ্য ছিল খালে পানি ধরে রাখা। এতে শুকনো মৌসুমে পানি সংরক্ষণ এবং বর্ষাকালে পানি নিষ্কাশন সহজ হয়। সে সময় খাল কাটা কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছিল।’
অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বললেন, ‘খালের পাড়ে আজ আমরা গাছ লাগিয়েছি। খাল খনন ও বৃক্ষরোপণের এ কর্মসূচি মানুষের কল্যাণে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এলাকার মানুষ হিসেবে এসব গাছ রক্ষার দায়িত্ব আপনাদের সবার।’
এ সময় মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা, জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট জামিলুর রশিদ খান, সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী মোহাম্মদ অনিক ইসলামসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।




