ছাত্রীকে একান্তে দেখা করার প্রস্তাব, মাদ্রাসা শিক্ষককে পিটুনি

অভিযুক্ত শিক্ষক মাহমুদুল হাসান— সংগৃহীত
বগুড়ার আদমদীঘিতে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে মোবাইল ফোনে একান্তে দেখা করার প্রস্তাবসহ বিভিন্ন ধরনের বার্তা পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা। আজ মঙ্গলবার বিকালে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
অভিযুক্ত শিক্ষক মাহমুদুল হাসান (৩৮) উপজেলার কুন্দগ্রাম ইউনিয়নের কড়ই গ্রামের তরিকুল ইসলামের ছেলে। তিনি ঘোড়াদহ ছিদ্দিকিয়া দাখিল মাদ্রাসার সহকারী মৌলভী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত।
এলাকাবাসী জানান, বেশ কিছুদিন ধরে মাহমুদুল হাসান নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর মোবাইল ফোনে একান্তে দেখা করার অনুরোধসহ বিভিন্ন ধরনের বার্তা পাঠিয়ে চ্যাটিং করে আসছিলেন। বিষয়টি ছাত্রী তার পরিবারের সদস্যদের জানালে ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। মঙ্গলবার সকালে শিক্ষক মাহমুদুল হাসান মাদ্রাসায় এলে ছাত্রীর স্বজন ও স্থানীয়রা তার কাছে মোবাইল ফোনে চ্যাটিংয়ের বিষয়ে জানতে চান। এ সময় তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন বলে স্থানীয়দের দাবি। পরে বিকাল ৪টার দিকে শত শত মানুষ মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে তাকে অবরুদ্ধ করে।
খবর পেয়ে আদমদীঘি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মাহমুদুল হাসানকে আটক করে। এ সময় উত্তেজিত জনতা পুলিশের উপস্থিতিতেই তাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
মাদ্রাসার সুপার মাওলানা রহমতুল্যাহ বলেছেন, ‘বিষয়টি আজই জেনেছি। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার আগেই এ অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটেছে।’
আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান মিয়া সাংবাদিকদের জানান, ‘এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।’





