Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায়দের ভাগ্য বদলাচ্ছেন জুয়েল
মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

প্লাস্টিকের দাপটে কোণঠাসা বাঁশ-বেত পণ্য

সালাউদ্দীন কাজল, জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা)
agamir somoy
প্রকাশ: ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১০:৪৫
শেয়ার করুন:
প্লাস্টিকের দাপটে কোণঠাসা বাঁশ-বেত পণ্য

ছবি: আগামীর সময়

একসময় গ্রামবাংলার প্রতিটি ঘরে ছিল বাঁশ-বেতের তৈরি নানা জিনিস। ঝুড়ি, কুলা, খাঁচা, মুরগির ঘর, ঢাকনা, চাটাই, হাতপাখা, মোড়া, পাটি, মাছ ধরার পলো, ঘুনি, ধামা ও পালির মতো নিত্যব্যবহার্য এসব পণ্য ছিল মানুষের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। কিন্তু সময়ের সঙ্গে বাজার দখল করেছে প্লাস্টিক, মেলামাইন ও স্টিলের তৈরি পণ্য। কম দাম ও সহজলভ্যতার কারণে এসব পণ্যের কাছে ক্রমেই কদর হারাচ্ছে বাঁশ-বেতের সামগ্রী। ফলে জীবননগরে বংশপরম্পরায় চলে আসা এ শিল্প এখন টিকে থাকার লড়াই করছে।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার উথলী গ্রামের দাসপাড়ায় গেলে এখনো বাঁশ-বেত দিয়ে বিভিন্ন সামগ্রী তৈরি করতে দেখা যায় কয়েকটি পরিবারকে। তবে আগের সেই কর্মচাঞ্চল্য নেই। একসময় পাড়াটির প্রায় প্রতিটি পরিবারই যুক্ত ছিল এ পেশার সঙ্গে। এখন অনেকেই পেশা বদলে চলে গেছেন অন্য কাজে।

উথলী গ্রামের শ্রী নারায়ণ দাস বললেন, ‘একসময় দাসপাড়ার প্রায় প্রতিটি ঘরেই বাঁশ-বেতের জিনিস তৈরি হতো। এখন প্লাস্টিকের পণ্যের চাহিদা বেড়েছে। অন্যদিকে বাঁশ-বেতের দামও বেড়েছে। তাই অনেকেই এ কাজ ছেড়ে দিয়েছেন।’

প্রায় ৪০ বছর ধরে এ পেশায় থাকা শ্রী বুদো দাস বললেন, ‘আমাদের পূর্বপুরুষরা এ কাজ করতেন। তাদের কাছ থেকেই শিখেছি। কিন্তু এখন আর আগের মতো চলছে না। একটা বাঁশ কিনতে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা লাগে। অথচ সেই তুলনায় তৈরি পণ্যের দাম বাড়েনি। ছেলেমেয়েরাও এ কাজ শিখতে চায় না। সরকারি সহযোগিতা পেলে হয়তো পেশাটি ধরে রাখা সম্ভব হতো।’ শ্রীমতী বাসন্তী রাণী বললেন, ‘বাঁশ ও বেতের জিনিস তৈরি করেই সংসার চলে। অনেক বছর ধরে কাজ করছি। কিন্তু আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারিনি। এখনো সরকারি কোনো সহযোগিতা পাইনি।’

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জীবননগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আনুমানিক ৪৭৬ জন কারিগর এখনো বাঁশ-বেতের কাজের সঙ্গে যুক্ত। তাদের অনেকে পারিবারিক ঐতিহ্য ধরে রাখতে এ পেশায় আছেন। তবে কাঁচামালের সংকট, উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি এবং প্লাস্টিকের সস্তা পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারছেন না তারা।

জীবননগর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জাকির উদ্দিন মোড়ল বললেন, ‘জীবননগরে এখনো বেশ কিছু মানুষ বাঁশ-বেতশিল্পের সঙ্গে জড়িত। তারা বংশপরম্পরায় এ পেশা ধরে রেখেছেন। সমাজসেবা অধিদপ্তরের বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের সহায়তা দেওয়া হয়। দেশের বিভিন্ন জায়গায় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। জীবননগরেও প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দিয়ে এ শিল্প টিকিয়ে রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

বাঁশ বেত পণ্যগ্রামবাংলাচুয়াডাঙ্গা
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    জমি বিক্রি নিয়ে বিরোধে হামলায় যুবক নিহত

    জমি বিক্রি নিয়ে বিরোধে হামলায় যুবক নিহত

    শ্যামলকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে আততায়ীদের হাতে তুলে দেন বিশ্বস্ত মাঝি

    শ্যামলকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে আততায়ীদের হাতে তুলে দেন বিশ্বস্ত মাঝি

    সোসাইটি অব মেডিকেল বায়োকেমিস্টের নতুন কমিটি

    সোসাইটি অব মেডিকেল বায়োকেমিস্টের নতুন কমিটি

    রহস্যজনক আজাদ পাটওয়ারীর সন্দেহজনক লেনদেন

    রহস্যজনক আজাদ পাটওয়ারীর সন্দেহজনক লেনদেন

    মাতিস রঙের সুন্দর

    মাতিস রঙের সুন্দর

    তথ্য চাওয়া হচ্ছে পুলিশের, বাদ পড়ছেন না স্কুলবন্ধুও

    তথ্য চাওয়া হচ্ছে পুলিশের, বাদ পড়ছেন না স্কুলবন্ধুও

    ২০২৭ সালের ছুটির তালিকা অনুমোদন, সরকারি ছুটি কত দিন?

    ২০২৭ সালের ছুটির তালিকা অনুমোদন, সরকারি ছুটি কত দিন?

    সবার আগে দরকার...

    সবার আগে দরকার...

    কিস্তি না দেওয়ায় গৃহবধূকে পুলিশে দিলেন এনজিওকর্মীরা

    কিস্তি না দেওয়ায় গৃহবধূকে পুলিশে দিলেন এনজিওকর্মীরা

    শিশুদের সৃজনশীল বিকাশে কাজ করার প্রত্যয়

    শিশুদের সৃজনশীল বিকাশে কাজ করার প্রত্যয়

    শ্রমিক অসন্তোষ : ইন্ধনের প্রশ্নে সরকার-বিরোধী দল উভয়ের এক সুর

    শ্রমিক অসন্তোষ : ইন্ধনের প্রশ্নে সরকার-বিরোধী দল উভয়ের এক সুর

    দরপত্র ছাড়াই স্কুলের নির্মাণসামগ্রী বিক্রি করে শিক্ষকদের আনন্দ ভ্রমণের অভিযোগ

    দরপত্র ছাড়াই স্কুলের নির্মাণসামগ্রী বিক্রি করে শিক্ষকদের আনন্দ ভ্রমণের অভিযোগ

    রাত ৮টা থেকে ১২ কেজির সিলিন্ডারে ২২৩ টাকা বেশি

    রাত ৮টা থেকে ১২ কেজির সিলিন্ডারে ২২৩ টাকা বেশি

    সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক তাজিম, সদস্য সচিব রাকিব

    সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক তাজিম, সদস্য সচিব রাকিব

    গাজীপুরে মহাসড়কে ফের শ্রমিকদের অবস্থান, ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন

    গাজীপুরে মহাসড়কে ফের শ্রমিকদের অবস্থান, ১০ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন