রামুতে সড়কধসে ১৫ হাজার মানুষের দুর্ভোগ

রামুতে ধসে পড়েছে সুইচ গেট সংলগ্ন প্রধান সড়কের একাংশ। ছবি: আগামীর সময়
কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের বালু ভাসা সুইচগেটসংলগ্ন প্রধান সড়কের একাংশ ধসে পড়েছে। এতে চলাচল ব্যাহত হচ্ছে কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন এবং বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার অন্তত ১৫ হাজার মানুষের।
দ্রুত সংস্কার না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা স্থানীয়দের।
স্থানীয় কয়েকজন জানান, টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বালুভাসা এলাকার সুইচগেট সেতুর সংযোগ সড়কের একাংশ ধসে যায়। এতে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে সড়কটি। বর্তমানে ছোট-বড় যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে পথচারীদেরও।
স্থানীয়রা জানায়, কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন কৃষক, শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সরকারি ও বেসরকারি চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ চলাচল করেন।
পাশাপাশি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের বামহাতির ছড়া ও ফুলতলী এলাকায় দায়িত্ব পালনকারী বিজিবি সদস্যদের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান পথও এটি। সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সরকারি ও নিরাপত্তা কার্যক্রমেও বিঘ্ন ঘটছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বিভিন্ন অংশ ঝুঁকিপূর্ণ থাকলেও স্থায়ী সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বর্ষায় ক্ষয় আরও বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি এখন আরও গুরুতর হয়েছে। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পুরো সড়কটি ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল কালাম বলেছেন, ‘প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করেন। সংযোগ সড়কের একাংশ ধসে যাওয়ায় যানবাহন চলাচলে চরম দুর্ভোগ তৈরি হয়েছে। দ্রুত সংস্কার না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’
আরেক বাসিন্দা শাহাদাত হোসেন জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা এই সমস্যার ভোগান্তি পোহাচ্ছেন। জনস্বার্থে দ্রুত সড়কটির স্থায়ী সংস্কার প্রয়োজন, যাতে মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারে।
কচ্ছপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু মো. ইসমাইল মোহাম্মদ নোমান আগামীর সময়কে জানিয়েছেন, সড়কধসের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে। দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে সড়কটি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।





