কেন্দুয়ায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে পশুর হাট

ছবি: আগামীর সময়
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে পশুর হাট। উপজেলায় সরকারিভাবে ১২টি পশুর হাট থাকলেও বেসরকারিভাবে আরও ২২টি স্পটে চলছে ব্যাপক কেনাবেচা। হাটগুলোয় দেশি ও হাইব্রিড জাতের গরু-ছাগলের বেচাকেনায় এখন উৎসবমুখর পরিবেশ।
আজ বুধবার সরেজমিন উপজেলার স্থায়ী সরকারি পশুর হাট ছাড়াও রামপুর বাজার, বৈখেরহাটি বাজার, গন্ডা বাজার, রোয়াইলবাড়ী বাজার, হাজির বাজার ও মোজাফফরপুর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড়ে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা। বিভিন্নস্থান থেকে মানুষ কোরবানির পশু কিনতে আসছেন এসব হাট।
ক্রেতাদের অনেকে জানিয়েছেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার কোরবানির পশুর দাম কিছুটা বেশি।
রাসেল মিল্কি নামে এক ক্রেতা জানালেন, বাজারে গরুর দাম তুলনামূলক বেশি হওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের কিছুটা চাপের মধ্যে পড়তে হচ্ছে।
উপজেলার স্থায়ী সরকারি পশুর হাট চিরাং বাজারের ইজারাদার আতাউল হক মিন্টু জানিয়েছেন, শেষ মুহূর্তে কেন্দুয়ার পশুর হাটগুলোয় ব্যাপক ভিড়। বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতারা গরু কিনতে আসছেন এবং বেচাকেনাও ভালো হচ্ছে। তবে অনেক ক্রেতা রসিদ না নিয়েই পশু নিয়ে বাড়ি ফিরছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
কেন্দুয়া থানার ওসি মেহেদী মাকসুদ জানিয়েছেন, কোরবানির পশুর হাটগুলোয় ক্রেতা-বিক্রেতারা যাতে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে কেনাবেচা করতে পারেন, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসন তৎপর রয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মতিউর রহমানের ভাষ্য, উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কয়েকটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হাটগুলোতে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করছেন।






