শেরপুর-৩
বিএনপি প্রার্থীর কাছে লাখো ভোটে ধরাশয়ী জামায়াত প্রার্থী

ছবিঃ আগামীর সময়
জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে চলে ভোটগ্রহণ। নির্ধারিত সময়ের পর তাৎক্ষণিকভাবে ভোট গণনা শুরু হয় কেন্দ্রগুলোতে। মোট ১২৮ কেন্দ্রেরই বেসরকারি ফলাফল পাওয়া গেছে। ১০ এপ্রিল সকাল ১১টায় চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।
ফল অনুযায়ী, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট পেয়ে হয়েছেন বিজয়ী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাসুদুর রহমান পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট। এর মধ্যে কাচি মার্কা মিজানুর রহমান পেয়েছেন ৪৮০ ভোট।
শেরপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও শেরপুর-৩ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, পোস্টাল ব্যালট ছাড়া এ আসনে মোট ভোট পড়েছে ৫২ শতাংশ। এ আসনে মোট ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ২লাখ ১৫ হাজার ৭৩৪ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ধাপে ধাপে ফলাফল সংগ্রহের পর তা ঘোষণা করা হয়। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়।
তিনি জানান, নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে অংশগ্রহণমূলক হয়েছে। ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্যে হয় ভোটগ্রহণ। দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বড় কোনো ঘটনা ঘটেনি। আর জামায়াত প্রার্থীর ভোট বর্জনের কথা আমাকে লিখিতভাবে জানায়নি। তারা মৌখিকভাবে যা অভিযোগ করেছে আমি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছি। সুষ্ঠু নির্বাচন বিতর্কিত করার জন্য জামায়াত ভোট বর্জনের ঘটনা ঘটিয়েছে। এ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়েছে। জনগণ এ নির্বাচন নিয়ে আনন্দিত।
নির্বাচন অফিসের তথ্যে জানা গেছে, এ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে দায়িত্ব পালন করেছেন ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাচন কমিশনের ১৮ জন পর্যবেক্ষক, ২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং নির্বাচনী অনুসন্ধান (ইনকোয়ারি) কমিটির ৩ জন যুগ্ম জেলা জজ। এছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর ৮টি মোবাইল টিমে ২০০-এর বেশি সদস্য, ১৬ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ১৪টি টিম এবং পুলিশের প্রায় ১১৫০ সদস্য করা হয়েছিলো মোতায়েন। সীমান্তবর্তী শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা রয়েছে। এখানে ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন ভোটারের জন্য স্থাপন করা হয়েছিলো ১২৮টি ভোটকেন্দ্র।














