বৈশাখের সাজে চট্টগ্রামের বিপণীবিতানগুলো, বাড়ছে ক্রেতাদের ভিড়

চট্টগ্রামের একটি ফ্যাশনহাউসে বৈশাখের পোশাক দেখছেন এক ক্রেতা। ছবি : আগামীর সময়
চারদিন পরেই বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩। আর নববর্ষকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামে জমে উঠছে কেনাকাটা। বিক্রি বেড়েছে পহেলা বৈশাখকেন্দ্রিক পোশাকের। রঙ-বেরঙের পাঞ্জাবি, ফতুয়া, শাড়িতে সাজানো হয়েছে বিপণীবিতানগুলো।
ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বাঙালিয়ানার ছোঁয়ায় নতুনত্ব আনার চেষ্টা করছে ফ্যাশন হাউসগুলো। নিজেদের পোশাককে ভিন্নভাবে ক্রেতাদের সামনে উপস্থাপন করতে মনোযোগী তারা।
নগরীর দেশি দশে (নিপুণ, কেক্রাফট, অঞ্জনস, রঙ বাংলাদেশ, বাংলার মেলা, সাদাকালো, বিবিআনা, দেশাল, নগরদোলা ও সৃষ্টি) গিয়ে দেখা গেছে, হ্যান্ড প্রিন্ট, ব্লগ, বাটিক, এমব্রয়ডারি, হাতের কাজের নকশাসহ বাহারি সব ডিজাইনের পোশাক। গ্রামীণ ঐতিহ্যের ও বিশেষ নকশায় তৈরি পোশাকও দেখা গেছে দোকানগুলোতে।
বৈশাখের কেনাকাটায় যুবকদের প্রধান আকর্ষণ আরামদায়ক সুতি পাঞ্জাবি, সাদার মধ্যে লাল, হলুদ ও বিভিন্ন রঙের সমন্বয়ে নকশা করা ফতুয়া, টি-শার্ট ও পোলো শার্ট। শিশু-কিশোরদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে লাল ও সাদা রংয়ের নানা নকশার পোশাক। আর নারীদের প্রথম পছন্দ শাড়ি। জামদানি কিনতে দোকানগুলোতে ভিড় করছেন তারা। সালোয়ার-কামিজের চাহিদাও কম নয়।
তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর বৈশাখের পোশাকের বিক্রি কম বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা। তার বলছেন, ঈদ হয়েছে মাত্র ২০ দিন। সে কারণে অন্যবারের তুলনায় এবারে ক্রেতা তুলনামূলক কম। বৈশাখের পোশাক অনেকেই কিনে নিয়েছেন ঈদের সময়। এখন যারা কিনছেন তাদের অধিকাংশই সনাতন ধর্মাবলম্বী।
নগরীর টেরি বাজারের দোকানি মোহাম্মদ আলী বলেছেন, ‘পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে কালেনশন এসেছে অনেক। আছে শিশু, নারী ও পুরুষ সবার পোশাক। তবে বৈশাখ কেন্দ্রিক ব্যবসা জমে উঠেনি এখনও।’
টেরিবাজারে কেনাকাটা করতে আসা বিউটি শপের স্বত্বাধীকারী শাপলা বলেছেন, ‘বৈশাখ আমাদের ঐতিহ্য। সনাতন ধর্মমতে এটি আমাদের জন্য একটি বিশেষ দিন। ওই দিন আমরা পূজা করি। দিনটিকে ঘিরে পোশাক কেনার রীতি পুরনো।’














