হোমনায় দ্রুত বিচার আইন মামলায় সাংবাদিকসহ ১০ জন কারাগারে

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. সেলিম ভূইয়ার নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় দায়ের করা দ্রুত বিচার আইন মামলায় কুমিল্লার হোমনা উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাংবাদিকসহ ১০ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
আজ রবিবার উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল হক জহর এবং দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার তিতাস প্রতিনিধি মো. জুয়েল রানাসহ ১০ জনের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
কুমিল্লা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জামিন আবেদন করেছিলেন তারা।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাংবাদিক জুয়েল রানার পরিবার।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সেলিম ভূঁইয়ার একটি অস্থায়ী নির্বাচনী অফিস ছিল তিতাস উপজেলার পাঙ্গাশিয়ায়। নির্বাচনের দুই দিন আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি অফিসটিতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ধানের শীষের সমর্থক মো. মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে কুমিল্লা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দ্রুত বিচার আইনে ২০ জনকে আসামি মামলাটি করেন। একই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এম. এ. মতিন খানের সমর্থকরা এই মামলার আসামি।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক জুয়েল রানার বাবা জহিরুল ইসলাম দাবি করেন, ‘এ ঘটনার সঙ্গে আমার ছেলে কোনোভাবেই জড়িত না।’ তিনি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও বিচার বিভাগের কাছে মামলাটির পুনরায় নিরপেক্ষ তদন্ত এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।



