অতিরিক্ত লোডশেডিং, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ

অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবরোধ স্থানীয়দের— সংগৃহীত
নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। আজ রবিবার সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত ঘন্টাব্যাপী চলে এ কর্মসূচি। এতে জামুরকি এলাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ যাত্রীরা।
অবরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেন টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারের ডুবাইল, নাটিয়াপাড়া, সেহড়াতৈল, ইসলামপুর ও পড়াইখালি এলাকাবাসী। এছাড়া মির্জাপুরের মহেরা, জামুর্কী ও পাকুল্লার বাসিন্দারা।
বিক্ষোভকারীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং দৈনন্দিন কাজকর্ম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও কার্যকর কোনো সমাধান না পাওয়ায় তারা মহাসড়ক অবরোধ করতে বাধ্য হয়। পরে বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে এসে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং দ্রুত সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেন। তাদের আশ্বাসে প্রায় এক ঘণ্টা পর অবরোধ প্রত্যাহার করে নেন বিক্ষুব্ধ জনতা। এতে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
তবে বিক্ষোভকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিদ্যুৎ সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, বিদ্যুতের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেন স্থানীয়রা। এর প্রেক্ষিতে সেখানে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা আসলে তাদের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন। এতে করে মহাসড়কের দু'পাশে যানজট নিরসন হয়।
মির্জাপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডিজিএম মো. মোখলেসুর রহমান জানান, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ করেছিল স্থানীয়রা। তাদের দাবি, মির্জাপুর পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের সঙ্গে বিদ্যুতের সুযোগ রাখার। যাতে করে লোডশেডিংয়ে তাদের না পড়তে হয়। স্থানীয়রা মনে করেন পুলিশ ট্রেনিংয়ের সংযোগ থাকলে লোডশেডিং হবে না। পরে আমাদের দেওয়া আশ্বাসে তারা অবরোধ তুলে নেন।





