মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তে রক্ষা পেলেন যাত্রীরা

সংগৃহীত ছবি
কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটে ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে গেলেও কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফেরি পারাপারের সময় যাত্রীদের বাস থেকে নামিয়ে দেওয়ার বিষয়ে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা কঠোরভাবে কার্যকর থাকায় সম্ভাব্য বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছে যাত্রীরা।
নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা জানান, শুক্রবার সকাল আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ছেড়ে আসা এসবি সুপার ডিলাক্স বাসটি দৌলতদিয়া ৭ নম্বর ফেরিঘাটে ফেরি ‘কবরী’তে ওঠার জন্য কনভেনশন পকেট দিয়ে প্রবেশ করে। এ সময় বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেরির বিপরীত পাশের র্যাম্প ভেঙে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়।
তবে দুর্ঘটনার আগে স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনায় বাসটির সব যাত্রীকে নামিয়ে ফেরিতে ওঠানো হয়েছিল। ফলে বাসটি নদীতে পড়ে গেলেও কোনো যাত্রী হতাহত হননি।
দুর্ঘটনার পরপরই বাসের চালক ও হেলপারকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের নির্দেশনায় নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) গত কয়েক মাস ধরে ফেরিতে ওঠার সময় যাত্রী নামিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করে আসছে।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিআইডব্লিউটিএ উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে।
ডুবে যাওয়া বাসটি উদ্ধারে উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। একই সঙ্গে বিআইডব্লিউটিএর ডুবুরি দল উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করেছে।
বিআইডব্লিউটিএর সদস্য (প্রকৌশল) ঘটনাস্থলে অবস্থান করে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও মনিটরিং করছেন বলে জানা গেছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ফেরি পারাপারের সময় যাত্রীদের যানবাহন থেকে নামিয়ে নেওয়ার এ সিদ্ধান্ত শুধু নিরাপত্তা নিশ্চিত করেনি, দৌলতদিয়ার এ দুর্ঘটনায় বহু মানুষের জীবনও রক্ষা করেছে।
নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভবিষ্যতেও কঠোরভাবে বাস্তবায়নে গুরুত্ব দেওয়া হবে।




