Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সারা দেশ

কাগজে ১১০, শ্রেণিকক্ষে ২

রাজারহাট (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ২৭ মে ২০২৬, ০৯:১৪
কাগজে ১১০, শ্রেণিকক্ষে ২

ছবি: আগামীর সময়


সরকারি নথিতে শিক্ষার্থী ১১০ জন। বিদ্যালয়ে কর্মরত আট শিক্ষক ও একজন অফিস সহকারী। মাসে ব্যয় হয় প্রায় ৩ লাখ টাকা। কিন্তু বাস্তবে শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থাকে মাত্র দুজন শিক্ষার্থী। কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার নাজিমখান ইউনিয়নের তালতলায় অবস্থিত বিদ্যানন্দ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এমনই চিত্র।

বিদ্যালয়টি দেখে প্রথমেই প্রশ্ন জাগে, এখানে আসলে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে, নাকি শিক্ষার্থীহীন এক প্রতিষ্ঠান শুধু কাগজে-কলমে টিকে আছে। ঈদের ছুটির আগে দুদিন পরিদর্শনে বিদ্যালয়ে উপস্থিত শিক্ষার্থী পাওয়া গেছে মাত্র দুজন। অথচ শিক্ষক রয়েছেন আটজন। সঙ্গে আছেন একজন অফিস সহকারী। অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষকরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসেন না। কেউ দেরিতে আসেন, কেউ সময় কাটান গল্প-গুজব ও চা পানে। পরিদর্শনের দুই দিনের মধ্যে মাত্র এক দিন প্রধান শিক্ষক লোকনাথ বর্মণের উপস্থিতি পাওয়া যায়।

প্রধান শিক্ষক লোকনাথ বর্মণ অবশ্য বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সংকটের পেছনে অবকাঠামোগত দুর্বলতা, কাছের নূরানী মাদ্রাসার প্রভাব এবং অভিভাবকদের বেসরকারি বিদ্যালয়ের প্রতি ঝোঁককে কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন। তার দাবি, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ১০ জন। এর মধ্যে নিয়মিত উপস্থিত থাকে ছয়জন।

উপবৃত্তি সুবিধাভোগী শিক্ষার্থীর সংখ্যা জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন, ১২ থেকে ১৩ জন শিক্ষার্থী উপবৃত্তি পায়। তার এই বক্তব্যও বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে মেলেনি। কারণ বিদ্যালয়ে উপস্থিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল তার চেয়েও অনেক কম।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, এখানে আরও চারটি শিক্ষক পদ শূন্য রয়েছে। গত দুই বছর ধরে বিদ্যালয়ে কোনো পরিচালনা কমিটিও নেই।

শিক্ষার্থীদের কথাতেও উঠে এসেছে বিদ্যালয়ের ভেতরের অনিয়মের ছবি। অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী নিলুফা আক্তার জানায়, তাদের শ্রেণিতে চারজন শিক্ষার্থী রয়েছে। তবে সপ্তম শ্রেণিতে কোনো শিক্ষার্থী নেই। একই শ্রেণির শিক্ষার্থী বাঁধন জানায়, মোট শিক্ষার্থী ছয়জন এবং শিক্ষকরা নিয়মিত ক্লাস নেন না। ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী নিরব জানায়, তার সঙ্গে শুধু সাব্বির নামে আরেকজন শিক্ষার্থী রয়েছে। সপ্তম শ্রেণিতে কোনো শিক্ষার্থী না থাকার কথাও সে নিশ্চিত করে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়ে নির্ধারিত সময় মেনে শিক্ষক-কর্মচারীদের উপস্থিতির বাধ্যবাধকতা নেই। শিক্ষকরা নিজেদের মতো আসা-যাওয়া করেন। নিয়মিত পাঠদানও হয় না। স্থানীয় বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম বললেন, শুরু থেকেই বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংকট রয়েছে।

মোছা. পারুল বেগম অভিযোগ করেন, মনিটরিংয়ের সময় বাইরের শিক্ষার্থী এনে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে দেখানো হয়। আরেক স্থানীয় বাসিন্দা মোস্তাফিজার রহমান দুঃখ করে জানিয়েছেন, অনিয়মিত পাঠদানের কারণে তিনি তার নাতিকে এই বিদ্যালয় থেকে সরিয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভর্তি করিয়েছেন।

মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়টির ষষ্ঠ শ্রেণিতে ৪০, সপ্তম শ্রেণিতে ৪০ এবং অষ্টম শ্রেণিতে ৩০ জন শিক্ষার্থীর তালিকা রয়েছে। অর্থাৎ সরকারি নথিতে শিক্ষার্থী ১১০ জন। কিন্তু সরেজমিনে দুই দিনে মোট উপস্থিতি পাওয়া গেছে মাত্র চারজন। নথির সঙ্গে বাস্তবতার এই বড় ফারাক তথ্য গোপন বা ভিন্ন চিত্র দেখানোর অভিযোগকে আরও জোরালো করেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা অতিরিক্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানিয়েছেন, তিনি এখনো প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেননি। তবে ঈদের পর বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করা হবে।

    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    তিস্তা মহাপরিকল্পনা ‘অবাস্তব’, ভারতের সঙ্গে চুক্তির পক্ষে আইনুন নিশাত

    তিস্তা মহাপরিকল্পনা ‘অবাস্তব’, ভারতের সঙ্গে চুক্তির পক্ষে আইনুন নিশাত

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১৮:৫৭

    পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ নিয়ে ডিজিটাল জালিয়াতি

    পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ নিয়ে ডিজিটাল জালিয়াতি

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১৮:৪৯

    রাস্তায় ফেলে যাওয়া প্রবাস ফেরত সেই জামাল উদ্দিন মারা গেছেন

    রাস্তায় ফেলে যাওয়া প্রবাস ফেরত সেই জামাল উদ্দিন মারা গেছেন

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১৮:৪০

    গাড়িচালক খুনের মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

    গাড়িচালক খুনের মামলায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১৯:০৫

    বড়পুকুরিয়ায় ১৬৮ শ্রমিককে কাজে যোগ দিতে বাধা, বিক্ষোভ

    বড়পুকুরিয়ায় ১৬৮ শ্রমিককে কাজে যোগ দিতে বাধা, বিক্ষোভ

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১৯:২০

    ফেনীর সেই দুর্ঘটনার স্থানে ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণে মন্ত্রীর চিঠি

    ফেনীর সেই দুর্ঘটনার স্থানে ফুট ওভারব্রিজ নির্মাণে মন্ত্রীর চিঠি

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৪১

    ছয় মাসে সরকারের গতি ও অগ্রগতি হতাশাজনক : এবি পার্টি

    ছয় মাসে সরকারের গতি ও অগ্রগতি হতাশাজনক : এবি পার্টি

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:১৩

    তহশিলদার খাজনা নিয়েছেন ৭ হাজার, রশিদে লিখলেন ৭৩৮ টাকা

    তহশিলদার খাজনা নিয়েছেন ৭ হাজার, রশিদে লিখলেন ৭৩৮ টাকা

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:৩৯

    দেশে ফিরলে শেখ হাসিনা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাবেন

    দেশে ফিরলে শেখ হাসিনা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ পাবেন

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:২০

    ‘ওমান বাধা দিলে বোমা মারব’, হুমকি ট্রাম্পের

    ‘ওমান বাধা দিলে বোমা মারব’, হুমকি ট্রাম্পের

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:২১

    ডেভিড ইমন ফের রিমান্ডে

    ডেভিড ইমন ফের রিমান্ডে

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৪৯

    জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করায় ৭ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ

    জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করায় ৭ আইন কর্মকর্তার পদত্যাগ

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৫২

    ঈশ্বরদীতে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধা নিহত

    ঈশ্বরদীতে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধা নিহত

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:৩৮

    নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি কাজ, ব্যয় বাড়ছে ২০২ কোটি টাকা

    নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি কাজ, ব্যয় বাড়ছে ২০২ কোটি টাকা

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:৩৬

    কাপ্তাইয়ে বিরল ‘হোয়াইট-বার্ড কুকরি’ সাপ উদ্ধার

    কাপ্তাইয়ে বিরল ‘হোয়াইট-বার্ড কুকরি’ সাপ উদ্ধার

    ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:০৯

    advertiseadvertise