বিরলে ১৩৯১ বস্তা সার উদ্ধার, চারজনকে লাখ টাকা জরিমানা

ছবি: আগামীর সময়
দিনাজপুরের বিরলে অবৈধভাবে মজুত করা ১ হাজার ৩৯১ বস্তা রাসায়নিক সার উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ। এ ঘটনায় চার সার ব্যবসায়ীকে মোট ১ লাখ ২ হাজার টাকা জরিমানা এবং একটি সার গুদাম সিলগালা করা হয়েছে।
আজ সোমবার উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ জানায়, গত দুই দিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব সার উদ্ধার করা হয়।
এর আগে, গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় ফরক্কাবাদ ইউনিয়নের বিরল-বোচাগঞ্জ সড়কের মহাদেবপুর মাছুয়াপাড়া মোড়ে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজাউল ইসলাম।
এ সময় মেসার্স শাহির ট্রেডার্সের গুদাম থেকে ৭৮২ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ৪৪৬ বস্তা টিএসপি, ২৭৬ বস্তা ডিএপি, ৪৬ বস্তা এমওপি ও ১৪ বস্তা ইউরিয়া রয়েছে।অবৈধভাবে সার মজুদের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির মালিক নাসিম ইকবাল খোকনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
একই এলাকায় অনুমোদনহীন খুচরা বিক্রেতা মো. আলিমের দোকানে অভিযান চালিয়ে ১৭ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে সাত বস্তা টিএসপি, সাত বস্তা এমওপি ও তিন বস্তা ডিএপি রয়েছে। এ ঘটনায় তাকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ৪ নম্বর শহরগ্রাম ইউনিয়নের নাড়াবাড়ী বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনোয়ার হোসেন। সেখানে মেসার্স নবাব ট্রেডার্সের মালিক মশিউর রহমানের নিবন্ধনবিহীন দুইটি ঘর থেকে ৮২ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ছাড়া একই দিন চককাঞ্চন মোড়ে পৃথক অভিযানে বিসিআইসি ডিলার মেসার্স হাসেম ট্রেডার্সের মালিক মো. হাসেমের ভাই মো. জাহাঙ্গীর আলমের কাছ থেকে ৫১০ বস্তা সার উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা উদ্ধার করা সার সরকারি নির্ধারিত মূল্যে স্থানীয় কৃষকদের কাছে উন্মুক্তভাবে বিক্রির নির্দেশ দেন।
অভিযান চলাকালে বিরল থানার ওসি মো. আল এমরান, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সচিব ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।




