বাঁচতে চান ক্যানসার আক্রান্ত হেনা, সহায়তার আহ্বান

হেনা আক্তার ও তার দুই শিশু। ছবি: আগামীর সময়
গার্মেন্টসকর্মী হেনা আক্তার (৩২) মরণব্যাধি ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। তার দুই শিশুসন্তান রয়েছে। ক্যানসার হেনার লিভারসহ শরীরের অন্যান্য অঙ্গেও ছড়িয়ে পড়েছে। অর্থের অভাবে থমকে আছে তার চিকিৎসা।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে আগামীর সময়কে হেনা বললেন, ‘শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেছে, কথা বলতে পারতেছি না, খুব কষ্ট হচ্ছে। কিচ্ছু খাইতেও পারতেছি না, গলায় অনেক ব্যথা লাগে। আমি আর বেশিদিন বাঁচব না।’
চিকিৎসকরা জানান, দ্রুত ব্যয়বহুল চিকিৎসা বা অস্ত্রোপচার করাতে পারলে হেনার সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় অর্থ জোগাড় করা পরিবারটির পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
হেনার বাড়ি নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার ৫নং সমাজ সহিলদেও ইউনিয়নের খালুয়া গ্রামে। তিনি চট্টগ্রামের একটি পোশাক কারখানায় কাজ শুরু করেছিলেন। দিনরাত ঘাম ঝরিয়ে উপার্জন করা সেই টাকা দিয়ে স্বপ্ন বুুনছিলেন দুই সন্তানকে মানুষের মতো মানুষ করার। কিন্তু মরণব্যাধি ক্যানসার ধরা পড়ায় সেই সংসারে নেমে এসেছে বিষাদের কালো ছায়া।
হেনার স্বামী বাবুল মিয়া এবং তার বাবা কালাচাঁদ ফকির খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে পরিবারটি এখন নিঃস্ব।
কোল জুড়ে থাকা দুটি অবুঝ সন্তানের দিকে তাকিয়ে বুকফাটা হাহাকার করছেন হেনাসহ তার স্বজনরা। হেনার ভাই সারোয়ার হোসেন বলেছেন, ‘আমার বোনের ছোট ছোট দুটি বাচ্চা আছে। বাচ্চা দুটি এখনো বুঝতে পারছে না, তাদের মায়ের কী হয়েছে। সন্তান দুটির কথা চিন্তা করেই আমার বোন বাঁচতে চায়। আপনাদের একটু সাহায্য-সহযোগিতা পেলে হয়তো সে সুচিকিৎসা পাবে। অবুঝ বাচ্চা দুটি তাদের মাকে হারাবে না।’
দেশের তৈরি পোশাক খাতে প্রায় ৮০ শতাংশ নারী শ্রমিক অবদান রাখছেন। হেনা তাদেরই একজন। দুই সন্তানকে নিয়ে বেঁচে থাকার জন্য সমাজের বিত্তবান ও মানবিক মানুষের প্রতি সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।
সাহায্য পাঠানোর মাধ্যম— হেনা আক্তারের বিকাশ ও নগদ নম্বর: ০১৮৮২-৫৮৭৫০২।




