পবিপ্রবি
সকালে শিক্ষকদের ওপর হামলা, বিকালে বহিষ্কার ৪ নেতা

প্রতীকী ছবি
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের চার নেতাকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
আজ সোমবার বিকালে পৃথক চিঠি ও সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয় এ সিদ্ধান্ত।
বহিষ্কৃতরা হলেন দুমকী উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ বশির উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান ফারুক ও সুলতান শওকত এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুসা ফরাজী।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সন্ত্রাস, হানাহানি ও দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে বশির উদ্দিনকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এর আগে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও নানা অনিয়মের অভিযোগে আহসান ফারুক ও সুলতান শওকতকে দলীয় সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মো. ওসমান গনির স্বাক্ষরিত আরেক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মুসা ফরাজীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এর আগে সোমবার সকাল ১০টার দিকে ২০ থেকে ২৫ জনের একদল বহিরাগত পবিপ্রবি ক্যাম্পাসে ঢুকে আন্দোলনরত শিক্ষকদের ওপর হামলা চালায়। এতে অন্তত ১০ জন শিক্ষক আহত হন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপাচার্য ড. কাজী রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তার অপসারণের দাবিতে কয়েক দিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষকদের একাংশ। এর ধারাবাহিকতায় সোমবার সকাল ৯টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন তারা। এরপরই হামলার ঘটনা ঘটে।




