তথ্য চাওয়ায় সাংবাদিকের ওপর চটে গেলেন খাদ্য নিয়ন্ত্রক

কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী হামিদুল হক।
সরকারি খাদ্য গুদামে ধান সংগ্রহে কৃষকদের হয়রানির বিষয়ে জানতে চাওয়ায় সাংবাদিকের ওপর চটে গেলেন কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী হামিদুল হক। আজ সোমবার আগামীর সময়ের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি তামজিদ হাসান তুরাগের সঙ্গে এমন অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন তিনি।
জানা যায়, সরকারিভাবে ধান সংগ্রহে নানা অনিয়মের অভিযোগ করছেন কৃষকরা। অনুসন্ধানে কৃষকদের বেশ কয়েকটি অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়।
তামজিদ হাসান তুরাগ জানিয়েছেন, কৃষকদের অভিযোগের বিষয়ে জানতে সোমবার দুপুরে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিসে যাই। সেখানে তাকে না পেয়ে ফোন করি। ধান সংগ্রহ নিয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগের বিষয়ে কথা বলতে চাই বলতেই চটে যান।
ফোনে খাদ্য নিয়ন্ত্রণ বলেছেন, ‘আমার সঙ্গে আলাপ করার কী আছে? আমি কি আপনার চাকরি করি, না আপনি আমার চাকরি করেন! আপনার বিষয় থাকলে আপনারটা আপনি দেখবেন। এগুলো নিয়ে বিরক্ত করবেন না আমাকে।’ এরপর ফোনের সংযোগ কেটে দেন তিনি।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্য সচিব মনোয়ার হোসেন লিটন বলেছেন, ‘একজন সরকারি কর্মচারীর এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি অসদাচরণ করছেন। একজন গণমাধ্যমকর্মী প্রশ্ন করবেন এটি স্বাভাবিক বিষয়। জবাব দেওয়া না দেওয়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির এখতিয়ার। কিন্তু তিনি অসৌজন্যমূলক আচরণ করতে পারেন না। এ অবস্থা চলতে থাকলে স্বাধীন সাংবাদিকতা বাধাগ্রস্ত হতে থাকবে।’
অভিযোগের বিষয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কাজী হামিদুল হক বলেছেন, ‘কাজের ব্যস্ততায় সারা দিন একই মুড থাকে না। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পরিস্থিতি ট্যাকেল দিতে হয়। আমার কথা হয়তো রূঢ় মনে হতে পারে। কিন্তু আমি খারাপ আচরণ করিনি। এটা নিয়ে মন খারাপ করবেন না। যেসব অভিযোগের কথা বলা হয়েছে সেগুলো বন্ধ করে দিয়েছি।’




