Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
মানবকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ খোরশেদ
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

সাপ ধরতে ৪ শতাধিক কামড় খেয়েছেন ইদ্রিস আলী

আবু জুবায়ের উজ্জল, টাঙ্গাইল
agamir somoy
প্রকাশ: ০২ মে ২০২৬, ১০:২১
সাপ ধরতে ৪ শতাধিক কামড় খেয়েছেন ইদ্রিস আলী

টাঙ্গাইলে ইদ্রিস আলী ৪ শতাধিক সাপ লালন-পালন করে কামড় খেয়েছেন ৪ শতাধিক। তবুও থেমে না থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছেন সাপের সঙ্গেই। বিষধর সাপ ধরেই নির্বাহ করছেন জীবিকা।

জানা যায়, ইদ্রিস আলীর ধরা সাপের মধ্যে রয়েছে গোখরা, কালকেউটে, সঙ্খিনী এবং দাঁড়াশ। এসব সাপের খাবার হিসেবে প্রতিদিন দেওয়া হয় টাকি মাছ এবং ব্যাঙ। চার শতাধিক সাপের জন্য ২ কেজি টাকি মাছ এবং ব্যাঙ সংগ্রহ করে খাওয়ানো হয়। প্রতি কেজি টাকি মাছের দাম প্রায় ৪০০ টাকা। প্রতিদিন ৪ শতাধিক সাপ লালন-পালন করতে খরচ হয় প্রায় ৮০০ টাকা।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঘাটাইল উপজেলার লক্ষ্মীন্দর ইউনিয়নের সালিয়াবহ গ্রামে রাস্তার নিচে ছোট্ট একটি বাড়ি। বাড়ির সামনেই দোচালা টিনের ঘর। ঘরের পশ্চিমে দুটি কুয়া। কুয়া দুটিতে রাখা হয়েছে সাপ। একে অপরের সঙ্গে পেঁচিয়ে রয়েছে সাপগুলো।

স্থানীয় ইসা মিয়ার ভাষ্য, ‘পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় আমরা একটু আতঙ্কের মধ্যেই থাকি। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে সাপের উপদ্রব বেশি দেখা দেয়। যার ফলে এলাকাবাসী আতঙ্কে থাকেন। কিন্তু ইদ্রিস আলীর কারণে সেই আতঙ্ক থেকে এলাকাবাসী এখন মুক্ত।'

ইদ্রিস আলী জানালেন, দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা সাপ ধরার নেশাতেই পড়ে থাকেন। সাপ ধরার নেশায় পড়ে থাকলেও সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। আগে মাছ ধরেছেন, সেই পেশাটাই ভালো ছিল। এমনও দিন গেছে এক রাত ঠিকমতো মাছ ধরতে পারলে চার-পাঁচ হাজার টাকার মাছ বিক্রি করা যেত।

৫ বছর ধরে সাপ ধরা অবস্থায় ৪ শতাধিক সাপের কামড় খেয়েছি। শরীরের হাত-পা থেকে শুরু করে মাথায়ও কামড় খেয়েছি

ইদ্রিস বললেন, ’এখন তো সাপের মূল্যে নেই। একটি সাপ ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বিক্রি করা যায়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কোনো বাড়ি থেকে একটি সাপ ধরলে তারাও তেমন কোনো মূল্য দেয় না।’

টাঙ্গাইলের আলোচিত এই ব্যক্তি হতাশা প্রকাশ করলেন, ‘খাবারের সংকটে অনেক সময় সাপ মারা যায়। সব সময় আমাদের হাতে কোনো টাকা থাকে না। তখন সাপের খাবার দিতে পারি না। তাই সরকারের কাছে সাপ সংরক্ষণ এবং প্রতিপালনের জন্য সহযোগিতা চাই।’

একসময় মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতেন ইদ্রিস। ৫ বছর আগে একদিন মাছ ধরার সময় সাহস করে একটি সাপ ধরে ফেলেন। তারপর থেকেই মাছ ধরার পেশা বাদ দিয়ে সাপ ধরে নির্বাহ করেন জীবিকা।

ইদ্রিসের ভাষ্য, ‘৫ বছর ধরে সাপ ধরা অবস্থায় ৪ শতাধিক সাপের কামড় খেয়েছি। শরীরের হাত-পা থেকে শুরু করে মাথায়, কামড় খেলেই অ্যান্টিভেনম ব্যবহার করেছি। সাপ দেখলে আমার হুঁশ থাকে না। যে অবস্থায় থাকুক না কেন, সেই সেটা আমাকে ধরতেই হবে। আর এজন্য অনেক সময় মাটির গর্তেও নিজের মাথা আগে ঢুকিয়ে দেই।’

তিনি জানালেন, সংগ্রহশালায় দিন দিন সাপের সংখ্যা বাড়ছে। তবে কিছু কিছু সাপ সংখ্যায় কমে গেছে। যেমন সঙ্খিনী সাপটি বর্তমানে অনেক কম। এগুলো বেদেদের কাছে চাহিদা বেশি। গত বছরেও প্রায় তিনশর মতো সাপ ছিল। এ বছর বৃদ্ধি পেয়ে ৪ শতাধিকের মতো হয়েছে।

ইদ্রিস বেশিরভাগ সাপ বিক্রি করতেন বেদে এবং হাট-বাজারের হকারদের কাছে। এ ছাড়াও টাঙ্গাইলের বন বিভাগের কর্তৃপক্ষ মাঝেমধ্যে দু-চারটি সাপ নেয়। এর বিনিময়ে দুই থেকে তিনশ টাকা পান তিনি। এ দিয়েই চলে ইদ্রিসের সংসার।

পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং এলাকাবাসীর উপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে সরকারের কাছে সাপ ধরতে বিভিন্ন রকমের সাহায্য-সহযোগিতার প্রয়োজন বলে জানালেন ইদ্রিস আলী।

সাপটাঙ্গাইল
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    কমিউনিটি ক্লিনিক ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’

    কমিউনিটি ক্লিনিক ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’

    জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

    জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

    তারেক রহমানের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা

    তারেক রহমানের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা

    মানিকগঞ্জের অতীত, বর্তমানের সংকট ও ভবিষ্যতের উন্নয়ন নিয়ে কিছু কথা

    মানিকগঞ্জের অতীত, বর্তমানের সংকট ও ভবিষ্যতের উন্নয়ন নিয়ে কিছু কথা

    থাইল্যান্ড হতে পারে বাংলাদেশিদের ব্যবসার উর্বরভূমি

    থাইল্যান্ড হতে পারে বাংলাদেশিদের ব্যবসার উর্বরভূমি

    বলিউডে জনপ্রিয়, তবু ভারতীয় নাগরিক নন যেসব তারকা

    বলিউডে জনপ্রিয়, তবু ভারতীয় নাগরিক নন যেসব তারকা

    সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি সরিয়ে দেয়ালে রোকেয়া, জসীমউদ্‌দীন ও জীবনানন্দ

    সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি সরিয়ে দেয়ালে রোকেয়া, জসীমউদ্‌দীন ও জীবনানন্দ

    সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা

    সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা

    দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১১ দিনের ছুটি পাচ্ছেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

    দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১১ দিনের ছুটি পাচ্ছেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

    আয়াস-রিমির শুনানিতে আদালতে হট্টগোল-হাতাহাতি, এজলাস ছাড়লেন বিচারক

    আয়াস-রিমির শুনানিতে আদালতে হট্টগোল-হাতাহাতি, এজলাস ছাড়লেন বিচারক

    দেশের একমাত্র রেলপথ যেখানে চলন্ত ট্রেনে মানুষ ওঠেন, নামেন

    দেশের একমাত্র রেলপথ যেখানে চলন্ত ট্রেনে মানুষ ওঠেন, নামেন

    মামুনুর রশীদের পৈতৃক বাড়িতে দুর্বৃত্তের হানা, তছনছ আসবাব

    মামুনুর রশীদের পৈতৃক বাড়িতে দুর্বৃত্তের হানা, তছনছ আসবাব

    আবুধাবিতে মা-ছেলের মৃত্যু : যাবার আগে বন্ধুদের জাগিয়ে গেল মায়াবতী

    আবুধাবিতে মা-ছেলের মৃত্যু : যাবার আগে বন্ধুদের জাগিয়ে গেল মায়াবতী

    অনৈতিক কর্মকাণ্ড : সৌদি আরবে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    অনৈতিক কর্মকাণ্ড : সৌদি আরবে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    কমিটি গঠনে তাড়াহুড়ো করবে না বিএনপি

    কমিটি গঠনে তাড়াহুড়ো করবে না বিএনপি