গাছের ডালপালায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে হাতিয়ার সড়ক

ছবি: আগামীর সময়
বর্ষায় ঝুঁকে থাকা গাছের ডালপালা ও পাতা থেকে ঝরা পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সড়ক। একই সঙ্গে পুরনো, হেলে পড়া ও মৃতপ্রায় গাছগুলো পথচারী এবং যানবাহনের জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করছে। এ অবস্থায় নিরাপদ ও টেকসই সড়ক রক্ষায় ঝুঁকিপূর্ণ গাছ ও ডালপালা কাটার জন্য নোয়াখালী বন বিভাগকে অনুরোধ জানিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।
সম্প্রতি নোয়াখালী সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে উপকূলীয় বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কাছে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন পাঠানো হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, নোয়াখালী সড়ক বিভাগের আওতাধীন হাতিয়া (ভূঁইয়ারহাট)-জাহাজমারা সড়কের বিভিন্ন অংশে এজিংসংলগ্ন এক মিটারের মধ্যে থাকা ঝুঁকিপূর্ণ গাছ ও ডালপালা দ্রুত অপসারণ প্রয়োজন। সড়কের দুই পাশে থাকা অনেক গাছই পুরনো, হেলে পড়া ও মৃতপ্রায়। বর্ষাকালে এসব গাছের কিছু অংশ ভেঙে পড়ে সড়কের এজিং ও সোল্ডারের ক্ষতি করছে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, অনেক গাছের ডালপালা প্রধান সড়কের ওপর ছড়িয়ে থাকায় সূর্যের আলো সড়কপৃষ্ঠে পৌঁছাতে পারে না। ফলে বৃষ্টির পর ডালপালা ও পাতা থেকে দীর্ঘ সময় পানি ঝরতে থাকে। সড়কের বিটুমিনাস সারফেস দীর্ঘক্ষণ স্যাঁতসেঁতে অবস্থায় থাকে। এর ফলে সড়ক পেভমেন্ট দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়, ঝুঁকিপূর্ণ গাছ ও ডালপালা পথচারী এবং যানবাহনের স্বাভাবিক ও নিরাপদ চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছে। যেকোনো সময় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
বিষয়টি অবগতির জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর, উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনকেও অনুলিপি পাঠিয়েছেন নোয়াখালী সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফরিদ উদ্দিন।
এদিকে, টেকসই ও নিরাপদ সড়ক গঠনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে দাবি জানিয়েছে ‘সচেতন নাগরিক সমাজ-হাতিয়া’।
এ বিষয়ে হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা রেঞ্জ কর্মকর্তা এ কে এম আরিফ-উজ-জামান বললেন, ‘বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে জেলা পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। খুব দ্রুত গাছ মার্কিংয়ের কাজ শুরু হবে।’
তবে নোয়াখালী উপকূলীয় বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোল্লা মিজানুর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।




