সার কারখানাগুলো চালু করে ২২ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয়ের উদ্যোগ সরকারের

বিসিআইসি চেয়ারম্যান বাবুল মিঞা। ছবি: ভিডিও থেকে
দেশের সবগুলো কারখানায় উৎপাদন চালুর মাধ্যমে ইউরিয়া সার আমদানি ব্যয় কমানোর লক্ষ্য সরকারের। কারখানাগুলোতে উৎপাদন চালু হলে অন্তত ২২ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) চেয়ারম্যান মো. বাবুল মিঞা।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে আশুগঞ্জ সার কারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।
গ্যাস সংকটে গত বছরের ১ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে আশুগঞ্জ সার কারখানা। তবে চলতি বছরই গ্যাস সরবরাহের মাধ্যমে সার কারখানার উৎপাদন শুরু করা যাবে বলে আশা বিসিআইসির চেয়ারম্যানের।
চেয়ারম্যান বাবুল মিঞা বলেন, বিসিআইসির কারখানাগুলো আমরা সচল করতে চাই। আমাদের ২৬-২৭ লাখ টন ইউরিয়া সার আমদানি করতে হয়। কারখানাগুলো যদি সচল থাকে, গ্যাস সরবরাহ পাই, তাহলে দেশের চাহিদার পরিমাণ উৎপাদন করেও রপ্তানি করতে পারব।
তিনি আরও বলেন, আমাদের মূল সমস্যা হচ্ছে গ্যাস সংকট। তবে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করে কারখানাগুলো চালু করতে চাই। সে লক্ষ্যেই কাজ করছি। কারখানাগুলো চালু করতে পারলে আমাদের আর সার আমদানি করতে হবে না।
এ সময় বিসিআইসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে আশুগঞ্জ সার কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ মো. আলী আশরাফ ও উপমহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) তাজুল ইসলাম ভূঁইয়াসহ কারখানার অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।



