সাংবাদিকদের বিএনপি নেতা
‘মারধর করছি, তো কী হয়েছে?’

অভিযুক্ত নেছার আহমেদ নুহু। ছবি: সংগৃহীত
গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের বৌন্না গ্রামে এক কাঠুরেকে প্রকাশ্যে মারধরের অভিযোগ ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা। এ ঘটনার একটি ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর অভিযুক্ত ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নেছার আহমেদ নুহুর একটি মন্তব্যও জন্ম দিয়েছে নতুন বিতর্কের। ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি মুঠোফোনে গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, ‘মারধর করছি, তো কী হয়েছে?’
অভিযোগ অনুযায়ী, গত সোমবার (১ জুন) সকাল ১১টার দিকে বৌন্না তিন রাস্তার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে বুধবার (৩ জুন) রাতে, যখন ঘটনাসংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ভাইরাল ভিডিওতে বৌন্না এলাকার বাসিন্দা ও পেশায় কাঠুরে রফিকুল ইসলাম দাবি করেন, তার ছেলের সঙ্গে অন্য এক ব্যক্তির বিরোধকে কেন্দ্র করে তাকে ঘটনাস্থলে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে মারধর করেন ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি নেছার আহমেদ নুহু ও তার সহযোগীরা।
রফিকুল ইসলামের ভাষ্য, তিনি ওই বিরোধের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন না। তা সত্ত্বেও ছেলের ঘটনার জেরে অপমান ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।
তবে পরে নিজের বক্তব্যে ভিন্ন সুর তোলেন অভিযুক্ত নেছার আহমেদ নুহু। তিনি দাবি করেন, ‘আমি কাউকে মারধর করিনি। কেউ অভিযোগ করলেই তো সেটা সত্য হয়ে যায় না। সেখানে একটি ঝামেলা হয়েছিল, আমি উপস্থিত ছিলাম এবং পরে বিষয়টি মীমাংসা করে দিয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘যদি সত্যিই মারামারির ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে সেই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হতো। অভিযোগ করলেই কাউকে দোষী বলা যায় না।’
ঘটনাটি ঘিরে বৌন্না এলাকায় চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়দের একাংশ। অন্যদিকে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ঊর্ধ্বতন নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম।




