নন্দীগ্রাম
ভাতিজিকে কুপিয়ে হত্যা, অভিযুক্ত যুবক আটক

ছবি: আগামীর সময়
বগুড়ার নন্দীগ্রামে আমেনা খাতুন (৯) নামে এক শিশুকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আজ শুক্রবার বেলা তিনটার দিকে উপ জেলার থালতা মাঝগ্রাম ইউনিয়নের পাঠান গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হোসাইন (৩৫) নামের এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। আটক যুবক মানসিক ভারসাম্যহীন বলে স্থানীয়রা দাবি করেছে।
নিহত আমেনা গ্রামের আনোয়ার হোসেনের মেয়ে এবং পাঠান গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত হোসাইন একই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। এ ছাড়া সম্পর্কে নিহত শিশুর চাচা হন হোসাইন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে আমেনা বাড়ির বাইরে খেলা করছিল। এ সময় হঠাৎ হোসাইন ধারালো দা দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কোপান। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত হোসাইনকে আটক করে পুলিশে দেন।
এ বিষয়ে ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল হালিম জানিয়েছেন, হোসাইন কয়েক বছর আগেও অটোরিকশা চালাতেন। মানসিক অসুস্থতার কারণে তার কথা অস্পষ্ট শোনা যায়। কেউ বোঝে না। সংসার জীবনে তার দুটি সন্তান আছে। তারা মাদরাসায় পড়ে। তবে অসুস্থতার পর তার স্ত্রী চলে গেছে। এখন সে একাই থাকে। আমরা যতটুকু জানি, কোনো নেশা থেকে তার এই সমস্যা হয়নি। তার বড় ভাইও মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল।
স্থানীয় ইউপি সদস্য বলেছেন, নিহত শিশু তার ভাতিজি হয়। আজকে কি কারণে এমন ঘটনা তা বোঝা যাচ্ছে না। হত্যায় ব্যবহৃত দা নিজেই ধুয়ে-মুছে লুকিয়ে রেখেছিল। অনেক জিজ্ঞাসার পর সেটি বের করে দেয় হোসাইন। এখন পুলিশের কাছে আটক আছে।
হত্যার ঘটনা নিশ্চিত করে নন্দীগ্রাম থানার ওসি তারিকুল ইসলাম বলেছেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করেছে। এটি ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
আটক যুবক মানসিক ভারসাম্যহীন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। তবে পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।








